অসুস্থ হয়ে পড়া পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান–কে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার রাতে দেশটির সরকার বিক্ষোভের মুখে এ সিদ্ধান্ত জানায়। সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
এর আগে তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে দেশটির পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তেহরিক-ই-তাহফুজ-আইন-ই-পাকিস্তানের সদস্যরা।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান এবং পিটিআই চেয়ারম্যান গোহার আলী খান অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। একই সময় খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী কে-পি হাউজে আন্দোলন চালিয়ে যান।
সম্প্রতি জানা গেছে, ইমরান খান দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এবং তাঁকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে তাঁর সমর্থকেরা আন্দোলনে নামেন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার শনিবার রাতে এক বার্তায় জানান, ইমরান খানের চোখের চলমান চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হবে। তিনি গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানান।
সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে। তিনি দাবি করেন, একজন কারাবন্দি হিসেবে প্রাপ্য সব মানবাধিকারই তাঁকে দেওয়া হবে।

