উত্তর গাজার বেইত হানুন এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সশস্ত্র ফিলিস্তিনি দলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, শনিবার সন্ধ্যায় অন্তত পাঁচজন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে যুদ্ধবিরতি রেখার কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর দিকে অগ্রসর হয়। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
আইডিএফের ভাষ্য অনুযায়ী, নজরদারি ক্যামেরায় দেখা যায় বন্দুকধারীরা একটি ভূগর্ভস্থ স্থান থেকে বেরিয়ে ‘ইয়েলো লাইন’-এর ইসরায়েলি পাশে একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে প্রবেশ করে, যেখানে গাজা ডিভিশনের উত্তর ব্রিগেডের সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। এরপর ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর একটি ড্রোন ভবনটিতে হামলা চালায়। সেনাবাহিনীর দাবি, এতে অন্তত দুই বন্দুকধারী নিহত হয়েছে এবং আরও কয়েকজন হতাহত হয়ে থাকতে পারে।

আইডিএফ এ ঘটনাকে হামাস–এর সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির “স্পষ্ট লঙ্ঘন” বলে উল্লেখ করেছে এবং জবাব দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য আরও হামলাকারীকে শনাক্ত করতে এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতির পরও সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় প্রতিদিন উত্তেজনাকর ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ। শনিবারের আগে জাবালিয়া এলাকাতেও একজন ফিলিস্তিনি যুদ্ধবিরতি রেখা অতিক্রম করলে তাকে গুলি করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী দাবি করেছে।

মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় গাজার সামরিকীকরণ হ্রাস এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হলেও হামাস অস্ত্র ত্যাগে রাজি হয়নি।
এদিকে গাজা সফরকালে আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জমির বলেন, সেনাবাহিনী গাজাকে অসামরিকীকরণ এবং হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে অটল রয়েছে। তিনি জানান, প্রয়োজনে বাহিনী প্রতিরক্ষা থেকে আক্রমণে যেতে প্রস্তুত।
টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসকে নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে আইডিএফ নতুন সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে।

