Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’ বৈঠক: কারা আসছেন, কারা আসছেন না, এজেন্ডা কী?
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’ বৈঠক: কারা আসছেন, কারা আসছেন না, এজেন্ডা কী?

    এফ. আর. ইমরানফেব্রুয়ারি 19, 2026Updated:ফেব্রুয়ারি 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ট্রাম্প
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আল–জাজিরার এক্সপ্লেইনার—

    যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আজ বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বঘোষিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদের উদ্বোধনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৈঠকে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গাজা পুনর্গঠনের কৌশল ও অর্থায়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ওয়াশিংটনের ‘ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস’-এ শান্তি পর্ষদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা মিত্ররা এ পর্ষদ থেকে নিজেদের কিছুটা সতর্ক দূরত্বে রাখলেও মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ এতে যোগ দিচ্ছে।

    নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই পর্ষদের ‘অসীম সম্ভাবনা’র প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘শান্তি পর্ষদ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে প্রমাণিত হবে।’ ট্রাম্প নিজেই এ পর্ষদের আজীবন চেয়ারম্যান।

    তবে সমালোচকেরা এ পর্ষদকে ট্রাম্পের ‘সাম্রাজ্যবাদী এজেন্ডা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই পর্ষদ কার্যত জাতিসংঘকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই তৈরি করা হয়েছে।

    পর্ষদে কারা থাকছে, কারা থাকছে না

    এ পর্ষদের সদস্য হিসেবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এই দুই নেতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তবে এ পর্যন্ত শুধু নেতানিয়াহু আনুষ্ঠানিকভাবে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন; যদিও ‘গাজা নির্বাহী পর্ষদে’ তুরস্ক ও কাতারের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ।

    হোয়াইট হাউস মোট ৫০টি দেশকে এ পর্ষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালেও ৩৫টি দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি দেশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তালিকায় নাম লিখিয়েছে। অন্যদিকে ১৪টি দেশ আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে।

    আজ ওয়াশিংটনের বৈঠকে অংশ নিতে যাওয়া দেশগুলোর কয়েকটির জন্য বিষয়টি শুধু কূটনৈতিক নয়; অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে এ উদ্বোধনী বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হবে, তা তাদের নিজ নিজ দেশেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    তাহলে কারা আসছেন? কারা আসছেন না?

    উদ্বোধনী বৈঠকের এজেন্ডা

    উদ্বোধনী বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য হলো, গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনা। ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে গাজা বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে; যে যুদ্ধে স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক ও সামরিক সমর্থন দিয়ে আসছে।

    পর্ষদের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে ‘গাজার মানবিক ও পুনর্গঠন প্রচেষ্টায়’ ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলার তহবিলের ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া গাজায় শান্তি বজায় রাখতে একটি ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী’ (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স) গঠনের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে। গত বছর ঘোষিত ট্রাম্প প্রশাসনের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বাহিনী গাজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে।

    এ পরিকল্পনায় গাজায় ধাপে ধাপে যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও অন্তর্বর্তী সময়ে গাজা শাসনের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ শাসন কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    গত মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বৈঠকের ফাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ শান্তি পর্ষদস্বরূপ উন্মোচন করা হয়েছে। সেখানে ট্রাম্পের জামাতা ও পর্ষদের নির্বাহী সদস্য জ্যারেড কুশনার গাজা পুনর্গঠনে একটি চকচকে রূপরেখা তুলে ধরেন। এর মধ্যে গাজা উপত্যকাকে সমুদ্রসৈকতের অবকাশযাপন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা ও সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। তবে ফিলিস্তিনি অধিকার রক্ষা গোষ্ঠীগুলো একে ‘সাম্রাজ্যবাদী’ পরিকল্পনা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    শান্তি পর্ষদ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে প্রমাণিত হবে।
    —ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট

    ১৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে জানান, শান্তি পর্ষদের সদস্যরাষ্ট্রগুলো ‘গাজাবাসীর নিরাপত্তায় ও গাজায় শান্তি বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশের জন্য হাজার হাজার কর্মী নিয়োগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে’।

    ইসরায়েলি তাণ্ডবে গুঁড়িয়ে যাওয়া গাজা উপত্যকা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পুনর্গঠন করা একটি বিশাল কাজ। জাতিসংঘ মনে করছে, এ কাজে প্রায় ৭০ বিলিয়ন (৭,০০০ কোটি) ডলার প্রয়োজন হবে।

    প্রাথমিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনার কথা থাকলেও এখন এ পর্ষদ বিশ্বজুড়ে দ্বন্দ্ব–সংঘাত নিরসনের পরিকল্পনা করছে। ট্রাম্প তাঁর পোস্টে আরও বলেন, এ পর্ষদ ‘গাজার বেসামরিক নাগরিকদের জন্য একটি সাহসী দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করবে এবং শেষ পর্যন্ত গাজার গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করবে!’

    উদ্বোধনী বৈঠকে কারা আসছেন, কারা আসছেন না

    হোয়াইট হাউস ৫০টি দেশের প্রতিনিধিকে এ পর্ষদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালেও এ পর্যন্ত ৩৫টি দেশের নেতা আগ্রহ দেখিয়েছেন। অন্তত ১৪টি দেশের নেতারা আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    ইউরোপ

    ইউরোপের দেশগুলো এ পর্ষদ নিয়ে বিভক্ত। বিশেষ করে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি শেষ হওয়ার পরও তিনি এটির চেয়ারম্যান থাকবেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, তারা পর্ষদে যোগ দিচ্ছে না এবং ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন বৃহস্পতিবারের আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিয়েছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন পুতিনকে সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানানোয় ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য বিষয়টি আরও জটিল হয়েছে; যদিও পুতিন পর্ষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

    ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও স্পেন এ পর্ষদে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

    তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক কমিশনার দুব্রাভকা সুইচাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠাচ্ছে। একজন মুখপাত্র বলেছেন, পর্ষদের কর্মকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও গাজার শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করবে ইইউ।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে সদস্য না হলেও জোট সদস্য হাঙ্গেরি ও বুলগেরিয়া পর্ষদে যোগ দিয়েছে। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। অরবান ট্রাম্পের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে পরিচিত। কসোভো ও আলবেনিয়াও সদস্য হিসেবে যোগ দিচ্ছে।

    বৈঠকে ইতালি, সাইপ্রাস, গ্রিস ও রোমানিয়া পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে। রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকুসর ড্যানও বৈঠকে সরাসরি অংশ নেবেন। পোপ ফ্রান্সিস এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে জাতিসংঘের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

    বাস্তবে বিষয়টি (শান্তি পর্ষদে যোগ দেওয়া) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা ও ট্রাম্পের মতো অস্থির ব্যক্তিকে অসন্তুষ্ট না করার সঙ্গে বেশি জড়িত। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে ফিলিস্তিনের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রেকর্ড ভালো নয়।
    —তাহানি মুস্তাফা, ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের ভিজিটিং ফেলো

    মধ্যপ্রাচ্য

    মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি শক্তিধর দেশ শান্তি পর্ষদে যোগ দিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), মরক্কো, বাহরাইন, মিসর, সৌদি আরব, তুরস্ক, জর্ডান, কাতার ও কুয়েত এতে যোগ দিয়েছে। দেশগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

    ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কর্মসূচির ভিজিটিং ফেলো তাহানি মুস্তাফা মতে, আল–জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা মিত্ররা ‘নিয়মভিত্তিক উদার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ও বহুপাক্ষিকতা’ ধরে রাখতে চায়। এতে তারা সমান অবস্থান পায়।

    তাহানি মুস্তাফা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বলছে, তারা বাস্তববাদী হতে চায় এবং গাজার জন্য যা ভালো, সেটাই করতে চায়; যাতে রক্তপাত বন্ধ হয়।

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সাবেক এই বিশ্লেষক বলেন, বাস্তবে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা ও ট্রাম্পের মতো অস্থির ব্যক্তিকে অসন্তুষ্ট না করার সঙ্গে বেশি জড়িত। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে ফিলিস্তিনের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রেকর্ড ভালো নয়।

    এশিয়া ও ওশেনিয়া

    মধ্য এশিয়া থেকে কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টরা সদস্য হিসেবে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের শীর্ষ নেতারাও ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন।

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবো সুবিয়ান্তো ও ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক তো লাম অংশ নিচ্ছেন।

    দক্ষিণ এশিয়া থেকে একমাত্র দেশ হিসেবে পাকিস্তান পর্ষদে যোগ দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ওয়াশিংটনে রয়েছেন। ভারত আমন্ত্রণটি পর্যালোচনা করছে, কিন্তু এখনো যোগ দেয়নি। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে। আর অস্ট্রেলিয়া বলেছে, তারা আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করে দেখছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    আজ চাঁদ দেখার অপেক্ষায় সৌদি আরব

    মার্চ 18, 2026
    আন্তর্জাতিক

    পাকিস্তানকে সস্তায় তেল দিতে চায় রাশিয়া

    মার্চ 18, 2026
    আন্তর্জাতিক

    পরমাণু কর্মসূচিতে পুরোনো অবস্থানেই ইরান, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    মার্চ 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.