Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, ফেব্রু. 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্কারোপের ক্ষমতা হ্রাসে বিশ্বের প্রতিক্রিয়া
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্কারোপের ক্ষমতা হ্রাসে বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

    এফ. আর. ইমরানফেব্রুয়ারি 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ট্রাম্পের নতুন শুল্কের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত | ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বজুড়ে পাল্টা শুল্কারোপের পদক্ষেপ বাতিল করে দেওয়ার পর নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি (পরে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন)। যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকদের এ শুল্ক দিতে হবে। ফলে বিভিন্ন দেশের সরকার ও বাজারে নতুন করে উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    গত শুক্রবার ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে নতুন শুল্কারোপের ওই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এ শুল্ক আরোপের জন্য তিনি একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যা ‘অবিলম্বে’ কার্যকর হবে (আগামী মঙ্গলবার)।

    যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ আদালতের রায় এবং ট্রাম্পের এই নতুন শুল্কারোপের ফলে বিভিন্ন দেশ এখন এর আইনি ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান চুক্তি, শুল্ক হ্রাস ও আগের শুল্কের বৈধতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

    নতুন শুল্ক (১৫ শতাংশ) আরোপের ফলে নিজেদের শিল্প খাত, বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও বাণিজ্য আলোচনায় কী প্রভাব পড়বে, তা-ও বিভিন্ন দেশের সরকার খতিয়ে দেখছে।

    অন্যদিকে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলছেন, নতুন শুল্কের আইনি ও বাণিজ্যিক কাঠামো স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে।

    ভারত

    জরুরি বাণিজ্যিক ক্ষমতার অধীন ট্রাম্প আগে বিশ্বের যেসব দেশে সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, ভারত তাদের একটি। শুরুতে ভারতীয় পণ্য আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। পরে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির কারণে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। ফলে ভারতের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আগের পাল্টা শুল্ক দাঁড়িয়েছিল মোট ৫০ শতাংশ।

    চলতি মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি প্রাথমিক বাণিজ্যচুক্তিতে পৌঁছায়। তখন ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন এবং এর বিনিময়ে পোশাক, ওষুধ, মূল্যবান পাথর, টেক্সটাইলসহ ভারতের শীর্ষ রপ্তানি পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। একই সঙ্গে ভারতও সব মার্কিন শিল্পপণ্য এবং বেশ কিছু কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার বা হ্রাসের প্রতিশ্রুতি দেয়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়্যার’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এম কে ভেনু বলেন, ‘সমালোচকেরা মনে করেন, এই অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার আগে নয়াদিল্লির মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত ছিল। এমনকি সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকা বাণিজ্য বিশ্লেষকেরাও মনে করেন, আদালতের রায় দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হতো।’

    এম কে ভেনু বলেন, ট্রাম্প এই বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করতে বেশ আগ্রহী ছিলেন। এ চুক্তির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    এই রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ জানান, শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা ও রুশ জ্বালানি তেল কেনার কারণে ইতিপূর্বে চাপানো দণ্ডমূলক শুল্ক প্রত্যাহারকে ভারত স্বাগত জানায়। কিন্তু আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। কারণ, সুপ্রিম কোর্টের এ রায় ট্রাম্পের আগের শুল্কের আইনি ভিত্তিকে প্রভাবিত করছে।

    ভেনু বলেন, ‘ভারতীয় বাণিজ্য প্রতিনিধিদল পরবর্তী আলোচনার আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে পারে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ অসাংবিধানিক বিবেচিত আইনের অধীন তাড়াহুড়ো করে চুক্তি না করে বরং আদালতের রায় অনুসরণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের আপার বেতে কনটেইনারবাহী একটি জাহাজ যাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স

    চীন

    যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে চীনের প্রতিক্রিয়া কিছুটা মৃদু। কারণ, দেশটিতে এখনো চান্দ্র নববর্ষের ছুটি চলছে।

    বেইজিং থেকে আল-জাজিরার প্রতিনিধি রব ম্যাকব্রাইড বলেন, ‘ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যযুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়। ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রধান নিশানা হিসেবে পরিচিত চীনে এ সিদ্ধান্তকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

    ম্যাকব্রাইড বলেন, গত এপ্রিল থেকে চীন বহুমুখী শুল্কের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ফেন্টানিল উৎপাদনে ব্যবহৃত রাসায়নিকের ওপর ১০ এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কও রয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, চীনা পণ্যের ওপর বর্তমানে মার্কিন শুল্ক প্রায় ৩৬ শতাংশ। তা এখন কমে ২১ শতাংশে আসতে পারে। এটা করোনা মহামারি, দীর্ঘস্থায়ী আবাসন সংকট ও রপ্তানি কমায় চাপে থাকা চীনা অর্থনীতির জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে। গত এক বছরে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির পরিমাণ প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কমেছে।

    ম্যাকব্রাইড বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন বাজারের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বেইজিং।

    রব ম্যাকব্রাইড মনে করেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় এপ্রিলের শুরুতে ট্রাম্পের পরিকল্পিত চীন সফরের আগে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এ সফরে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। এটা বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির মধ্যে সম্পর্কের নতুন শুরুর পথ প্রশস্ত করতে পারে।

    দক্ষিণ কোরিয়া

    যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ‘ব্লু হাউস’ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়, সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা করবে এবং জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।

    ট্রাম্প প্রশাসনের আগের শুল্কারোপের পর গত বছরের নভেম্বরে দেশ দুটি নতুন বাণিজ্যচুক্তি করেছিল। এখন এ চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগের বিনিময়ে দেশটির শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছিল।

    সিউল থেকে আল-জাজিরার সংবাদদাতা জ্যাক বার্টন বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহৎ রাসায়নিক, ওষুধ ও সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর জন্য মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় ইতিবাচক হয়েছে। কারণ, ট্রাম্প যদি ‘সেকশন ১২২’-এর অধীন নতুন করে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন, তবু তাদের আগের চেয়ে কম হারে শুল্ক দিতে হবে।

    সমালোচকেরা মনে করেন, ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার আগে নয়াদিল্লির মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত ছিল।
    —এম কে ভেনু, দ্য ওয়্যারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

    বার্টন বলেন, ‘তবে গাড়ি রপ্তানিকারকেরা এখনো সংকটে রয়েছেন। তাঁদের অর্ধেকের বেশি গাড়ি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, যা এখনো ২৫ শতাংশ শুল্কের আওতাধীন। এ ছাড়া ইস্পাত রপ্তানির ওপর ‘সেকশন ২৩২’-এর আওতায় ৫০ শতাংশ শুল্ক বহাল রয়েছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় এ ধারার ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি।

    এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার এখন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশ আসে রপ্তানি থেকে। যুক্তরাষ্ট্র দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার।

    বার্টন বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা মনে করেন, দ্রুত বড় কোনো পরিবর্তন এলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা কয়েক কোটি ডলারের জাহাজ নির্মাণ চুক্তিসহ অন্যান্য বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কোনো চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত জানানো না হলেও ব্লু হাউস জানিয়েছে, (সিউল-ওয়াশিংটনের নভেম্বরের) বাণিজ্যচুক্তি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল।

    কানাডা

    কানাডা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও তার সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছে।

    টরন্টো থেকে আল-জাজিরার সংবাদদাতা ইয়ান উড জানান, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, অন্টারিওসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের নেতারা এ রায়কে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

    কানাডার ‘কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র’ বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক বলেন, এখনো অনেক কাজ বাকি। কারণ, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, চেরাই কাঠ ও মোটরগাড়ির ওপর ‘সেকশন ২৩২’-এর আওতায় থাকা শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে।

    ইয়ান উড বলেন, অন্টারিওর প্রাদেশিক সরকারপ্রধান ডগ ফোর্ড জানিয়েছেন, ইতিবাচক মনোভাব বাড়লেও ট্রাম্প পরে কী পদক্ষেপ নিতে পারেন, তা নিয়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা এখনো কাটেনি।

    মেক্সিকো

    মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেনবাউম জানিয়েছেন, তাঁর সরকার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করবে। এর পরিধি কতটুকু ও মেক্সিকোর ওপর এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা খতিয়ে দেখা হবে।

    মেক্সিকো সিটি থেকে আল-জাজিরার সংবাদদাতা জুলিয়া গ্লিয়ানো বলেন, ‘বাস্তবতা হলো এক বছর ধরে শুল্ক বা শুল্কের হুমকি নিয়ে আমরা যা-ই শুনে থাকি না কেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় মেক্সিকো প্রকৃতপক্ষে বেশ সুবিধাজনক ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে।’

    গত এক বছরে ট্রাম্প যা করেছেন, তা মূলত আইনকে পাত্তা না দেওয়া। এ পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলেন, এবার (তাঁকে) থামানোর সময় এসেছে এবং তাঁরা না বলে দিলেন।
    —ফ্রাঙ্ক বোম্যান, ‘মিজৌরি স্কুল অব ল’–এর ইমেরিটাস অধ্যাপক

    গ্লিয়ানো আরও বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, মেক্সিকো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। এ ছাড়া কানাডাসহ এই তিন দেশের মধ্যে একটি বিশাল বাণিজ্যচুক্তি রয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষিত তথাকথিত পাল্টা শুল্ক থেকে অধিকাংশ পণ্যকে সুরক্ষা দেয়।’

    গ্লিয়ানো জানান, ফেন্টানিল ও সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ–সংক্রান্ত কিছু দণ্ডমূলক শুল্ক আরোপের বিষয় ছিল, যা আলোচনার মাধ্যমে স্থগিত রাখতে সক্ষম হয়েছিল মেক্সিকো। তবে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ির যন্ত্রাংশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের জন্য মেক্সিকোকে যে শুল্ক দিতে হচ্ছে, এ রায়ে তার পরিবর্তন হবে না।

    তাই সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্প প্রশাসন পরে কী পদক্ষেপ নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে মেক্সিকো সরকার।

    ট্রাম্পের শুল্কারোপের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা

    যুক্তরাষ্ট্রের একজন জ্যেষ্ঠ আইনবিশেষজ্ঞ আল-জাজিরাকে বলেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ট্রাম্পের শুল্কের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। রায়ে অর্থনৈতিক দিকের চেয়ে সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ‘মিজৌরি স্কুল অব ল’–এর ইমেরিটাস অধ্যাপক ফ্রাঙ্ক বোম্যান আল-জাজিরাকে বলেন, আইনের শাসনের দিকে ট্রাম্পের ছুড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জের প্রতি এবারই প্রথম মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন আদালত।

    বোম্যানের ভাষায়, ‘এ রায় বেশ কয়েকটি দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, গত এক বছরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট এবারই প্রথম হস্তক্ষেপ করলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে আইনের শাসনের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাধারণ আক্রমণের বিরুদ্ধে কিছু করার চেষ্টা করলেন।’

    আইনের এই অধ্যাপক আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘শুল্ক যে অর্থনীতির বিষয়, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু গত এক বছরে ট্রাম্প যা করেছেন, তা মূলত আইনকে পাত্তা না দেওয়া। এ পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলেন, এবার থামানোর সময় এসেছে এবং তাঁরা না বলে দিলেন। তাই তাঁরা (বিচারপতিরা) অর্থনৈতিক নীতির ওপর রায় দেননি; বরং সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন করেছেন।’

    সূত্র: ‘আল-জাজিরা’র ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ফিলিস্তিনি বন্দিদের দ্রুত মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে ইসরাইল

    ফেব্রুয়ারি 22, 2026
    আন্তর্জাতিক

    গ্রিনল্যান্ডে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

    ফেব্রুয়ারি 22, 2026
    ফিচার

    বিশ্বে ৪০ শতাংশ ভাষা বিপন্ন: পরিচয় হারাচ্ছে সংস্কৃতি

    ফেব্রুয়ারি 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক আগস্ট 4, 2025

    ১১৭ বছরের সকল জমির দলিল এখন অনলাইনে

    বাংলাদেশ নভেম্বর 9, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.