Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এবারের নির্বাচনী ইশতেহার কী শুধু বাতাসেই রয়ে যাবে?
    মতামত

    এবারের নির্বাচনী ইশতেহার কী শুধু বাতাসেই রয়ে যাবে?

    এফ. আর. ইমরানঅক্টোবর 1, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক অঙ্গন সরব হয়ে ওঠে দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে। নির্বাচনী ইশতেহার হলো দেশের মানুষের নিকট আগামী দিনগুলোর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি, যে প্রতিশ্রুতি তারা নির্বাচনে জয়ী হলে বাস্তবায়ন করবে।

    আমাদের দেশের বহুল প্রতীক্ষিত ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ঘিরে গণমানুষের মনে যেমন প্রবল আগ্রহ ও প্রত্যাশা দৃশ্যমান, ঠিক তেমনই রাজনৈতিক নেতা–কর্মীদের মধ্যেও বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। অনেকে আবার এখনই নানা প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন নিজ দলের মনোনয়ন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য।

    এসব ব্যক্তিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নিজ দলের ইশতেহারই প্রতিফলিত হয়ে থাকে, যা মূলত কেন্দ্রীয়ভাবে প্রস্তাব করা হয়। সেসব প্রতিশ্রুতি ভোটের রাজনীতিতে কতটা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে, সেটা এক জরুরি প্রশ্ন হলেও ইশতেহার জাতীয়ভাবে ইতিবাচক জনমত গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    তবে বর্তমান সময়ের ভোটার তাঁর ভোটের ব্যাপারে যে অনেক সচেতন, সেটি আমরা ইতিমধ্যে বেশ বুঝতে পারছি। এটি বোঝা যায় সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কয়েকটি গবেষণার ফলাফল থেকে, যেখানে একটি বিষয়ে সব গবেষণা প্রতিবেদন কাছাকাছি ফলাফল তুলে ধরছে। সেটা হলো দেশের একটা বড় অংশের ভোটার তাঁর ভোটের সিদ্ধান্ত এখনো নেননি। এটা বিগত সময় থেকে কিছুটা ভিন্ন বাস্তবতাকে নির্দেশ করে।

    এসব ভোটার নিশ্চিতভাবেই বেশ ভেবেচিন্তে তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, যেখানে প্রার্থীর ব্যক্তিক ক্যারিশমাকে মূল্যায়ন করার পাশাপাশি প্রার্থীর রাজনৈতিক দলের ইশতেহারকেও যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। সমাজের সচেতন ভোটার হিসেবে এর অধিকাংশই নতুন ভোটার এবং যাঁদের ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে।

    তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে এই তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে হলে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের দিকে গভীর মনোযোগ দিতে হবে। বিগত সময়ের প্রথাগত ইশতেহারের ধারণা থেকে বের হয়ে যাঁরা উন্নয়নমুখী, বাস্তবায়নযোগ্য ও জনস্বার্থভিত্তিক ইশতেহার নিয়ে হাজির হবেন, তাঁদের প্রতিই এই ভোটারদের নজর থাকবে বলে মনে হয়।

    এই সময়ে নির্বাচনী ইশতেহার যেকোনো সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে এই তরুণ ও সচেতন ভোটারদের জন্য। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর বিগত সময়ের ইশতেহারগুলো যদি আমরা পর্যালোচনা করি, তাহলে দেখতে পাই যে বেশির ভাগই অবাস্তবায়িত থেকে যায়, যা আদতে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি।

    আমরা এমনটাও দেখি যে ইশতেহার গণমানুষের জীবনমান উন্নয়নে কতটা ভূমিকা রাখবে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোযোগ না দেওয়ার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর আগ্রহ থাকে ‘মেগা প্রজেক্ট’–এর দিকে। আর এমন নানাবিধ মেগা প্রজেক্টের আড়ালে গণমানুষের স্বপ্নও ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।

    উন্নয়নকে মেগা প্রজেক্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার প্রবণতার কারণে আমরা দেখতে পাই, নগরের বুক চিরে গড়ে ওঠা প্রকল্পগুলো ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে উন্নয়নের তথাকথিত প্রতীক, যা আমরা বিগত আওয়ামী আমলে দেখেছি।

    স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোরও মধ্যে একটি মতৈক্য থাকা উচিত, যা বর্তমানে অনুপস্থিত। এর কারণে আমাদের উন্নয়নের স্বপ্নও রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত হয়ে পড়ে, যেখানে দেশের স্বার্থে চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনার অভাব দৃশমান।

    সেই উন্নয়ন পরবর্তী সময়ে মুখ থুবড়ে পড়লেও তা তাদের সমর্থকদের মধ্যে থেকে যায় উন্নয়নের এক ‘মেগা বয়ান’ হিসেবে। তাই হয়তো নির্বাচনী ইশতেহারে নানা রকম মুখরোচক উন্নয়নের বয়ান থাকে, যেখানে জনবান্ধব উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত থেকে যায়, যা কেবল একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর স্বার্থই রক্ষা করে। এর মধ্য দিয়ে শোষণমূলক একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। তাই এ ধরনের শোষণমূলক ব্যবস্থা তৈরির প্রবণতা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বের হয়ে আসতে হবে।

    এর বাইরেও নির্বাচনী ইশতেহারগুলো কেন বাস্তবতার মুখ দেখছে না, তার পেছনে বেশি কিছু কারণ চিহ্নিত করা যায়। যেমন প্রথম কারণটি হলো নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে যথাযথ গবেষণার অভাব।

    গতানুগতিক নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নের চর্চা থেকে বের হয়ে তথ্য–উপাত্তনির্ভর ইশতেহার প্রণয়ন করার উদ্যোগ যদি কোনো রাজনৈতিক দল হাতে নেয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক দল নিশ্চিত করেই নির্বাচনী প্রচারণায় অন্যদের থেকে এগিয়ে যাবে। কেননা এই ইশতেহার বাস্তবসম্মত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে, যা স্থানীয় সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। যার প্রতিফলন অনেক রাজনৈতিক দলে না থাকলেও বিএনপির ইশতেহারের অনেক ক্ষেত্রে আমরা তা দেখতে পাই।

    টেকসই পরিকল্পনা না থাকলে উন্নয়নের রূপরেখা নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকে না। স্থানীয় সমাজ ও সংস্কৃতির চাহিদা অনুযায়ী একটি উন্নয়ন রূপরেখা প্রণয়ন করার প্রচেষ্টা থাকলে স্থানীয় অধিবাসীদের চাহিদা অনুযায়ী কাজের সুযোগ তৈরি করা যায়। উন্নয়ন প্রচেষ্টায় টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ইশতেহারে থাকা জরুরি। এর সঙ্গে যুক্ত হয় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা, যা আমাদের একটি সমন্বিত উন্নয়নের স্বপ্নের অনুপস্থিতিকে নির্দেশ করে।

    স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোরও মধ্যে একটি মতৈক্য থাকা উচিত, যা বর্তমানে অনুপস্থিত। এর কারণে আমাদের উন্নয়নের স্বপ্নও রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত হয়ে পড়ে, যেখানে দেশের স্বার্থে চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনার অভাব দৃশমান। যে কারণে আমরা দেখি, একটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের উন্নয়নের স্বপ্নেরও বদল ঘটে। ফলে আমাদের উন্নয়নপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় আর আমরা জাতি হিসেবে আরও পিছিয়ে যাই। দেশের উন্নয়নের মৌলিক কিছু বিষয়ে কোনো দ্বিমত থাকা উচিত নয়।

    ইশতেহার প্রণয়নে রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সেটি হলো প্রস্তাবিত প্রকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা মূল্যায়ন করা। এটি না করার কারণেই অনেক প্রকল্প বিগত সময়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই আমাদের জন্য প্রয়োজন বাস্তবায়নযোগ্য, দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই উন্নয়নের প্রস্তাবনার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নির্বাচনী ইশতেহারে শিল্পায়নের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার বলে মনে করি।

    এ সময়ে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের জন্য উদ্যোগ ও যথাযথ বাজেট বরাদ্দ থাকে না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের কেন্দ্র বা হাব হতে পারে না।

    গতানুগতিক ইশতেহারের আরেকটি দুর্বলতা হলো এতে বাস্তবায়নের কোনো কর্মকৌশল বা দিকনির্দেশনা না থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মনোজগতে তা খুব আলোড়ন তুলতে পারে না এবং মানুষও সেটা বোঝার কোনো চেষ্টা করে না। তাই ইশতেহার যেন জনগণের মনোজগতের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটাতে পারে এবং ব্যক্তি ও সমাজজীবনে এর প্রভাব কেমন হতে পারে, সেটা তাদের বোঝাতে হবে। পরিষ্কার ধারণা থাকলে জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে পারবে।

    বিগত সময়ের মতো কেবল ভোটারদের সমবেদনা পাওয়াই যেন নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান লক্ষ্য না হয়। আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উন্নয়নের জন্য ইশতেহার নয়; বরং ভোটের জন্য ইশতেহার প্রণয়নের প্রবণতা দেখে আসছি। তাই এ সংস্কৃতির বদল এখনই প্রয়োজন, যার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোরই, যেখানে তারা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবে। তাই যারা গণমুখী, বাস্তবায়নযোগ্য ও টেকসই প্রতিজ্ঞা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে আসবে, তারাই এবার তরুণদের মনোযোগ আকর্ষণে এগিয়ে থাকবে।

    • বুলবুল সিদ্দিকী, অধ্যাপক, রাজনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    খামেনি হত্যার ফল দীর্ঘমেয়াদে বিপরীত হতে পারে

    মার্চ 4, 2026
    মতামত

    নির্মাণ খাতে কাজের ধারা বদলে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    মার্চ 4, 2026
    মতামত

    শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনীতি উৎপাদনভিত্তিক হওয়া উচিত

    মার্চ 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.