Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জুলাই সনদ: অগ্রগতি না পুরনো ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি?
    মতামত

    জুলাই সনদ: অগ্রগতি না পুরনো ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি?

    এফ. আর. ইমরানঅক্টোবর 19, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: ডেইলি স্টার
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল বহু আলোচিত ও দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জুলাই সনদে সই করেছে। এটি দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুনভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তৈরি একটি ঐতিহাসিক দলিল।

    গত বছর ছাত্রনেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নিয়েছে এই স্বপ্ন। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, সেই আন্দোলনের স্বাভাবিক উত্তরাধিকারী জাতীয় নাগরিক পার্টি এখনও এই সনদে সই করেনি।

    ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি গঠিত ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্ব ছিল ছয়টি প্রধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা ও গ্রহণ করা। এই কমিশনগুলো ছিল সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জনপ্রশাসন সংক্রান্ত।

    দলগুলো অন্তত ৮৪টি বিষয়ে একমত হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত জুলাই সনদে রূপ নিয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক বিষয় সরাসরি সংবিধান সংস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    সনদের মূল প্রস্তাবে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে—সংবিধান সংশোধন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা এবং কেন্দ্রের একচ্ছত্র ক্ষমতা কমিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরসহ নানা উদ্যোগ

    এই লক্ষ্যগুলো অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও সাহসী, যা দেশের শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি নতুনভাবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে নির্দেশ করে।

    কিন্তু ঠিক এখানে কিছু ঝুঁকিও লুকিয়ে আছে।

    যদি সনদ বাস্তবায়নের স্পষ্ট সময়সূচি না থাকে, তাহলে এটি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভুলে যাওয়া প্রতিবেদন ও পূরণ না হওয়া প্রতিশ্রুতির ভাণ্ডারে আরেকটি সংযোজন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

    বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই এমনটা হতে দেখেছে—পরিকল্পনা তৈরি হয়, ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়, কমিশন গঠিত হয়। তারপর শেষমেষ তা তুলে রাখা হয় আলমারিতে—উল্লেখ করা হয় শুধু বক্তৃতায়, আর বাস্তবে থাকে উপেক্ষিত।

    এই ধরনের ভাগ্য এড়াতে জুলাই সনদকে একটি সুসংহত রোডম্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এতে জরুরি কাজ এবং দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কারের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। ফলে অগ্রগতির মাত্রা পরিমাপ করা সম্ভব হবে।

    ইতিহাস আমাদের সুযোগ হারানোর কঠিন স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

    ১৯৯০ সালের ২১ নভেম্বর—হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায় চলছিল। তখন তিনটি বড় জোট—আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন আটদলীয় জোট, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাতদলীয় জোট এবং পাঁচদলীয় বামপন্থী জোট মিলে তিন জোটের রূপরেখা স্বাক্ষর করে।

    ঘোষণাপত্রে এরশাদ শাসনের অবসান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এতে মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, আইন শাসন বজায় রাখার কথা বলা হয়েছিল। এমনকি ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে স্বায়ত্তশাসিত করে সুষ্ঠু রাজনৈতিক প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি প্রস্তাব ছিল।

    কিন্তু এরশাদের পতনের পরে এবং গণতন্ত্র ফিরে আসার পরও এই প্রতিশ্রুতির বেশিরভাগই বিলুপ্ত হয়ে যায়।

    এর এক বছর পর ১৯৯১ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিকল্পনা উপদেষ্টা রেহমান সোবহানের নেতৃত্বে ২৯টি টাস্কফোর্স গঠন করে। বাংলাদেশের আড়াইশো জনেরও বেশি প্রতিভাবান ব্যক্তি একসঙ্গে কাজ করেন এতে। তারা এমন নীতি সংস্কারের বিস্তারিত সুপারিশ তৈরি করেছিলেন, যা নতুন নির্বাচিত সরকারের জন্য পথনির্দেশক হতে পারতো।

    টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনগুলো গভীর ও বাস্তবমুখী হওয়ায় প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সরকার বেশিরভাগ সুপারিশ উপেক্ষা করে।

    পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ফখরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার সেই ধারা ভাঙার চেষ্টা করে। তারা রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশন (আরআরসি) গঠন করে দেশের পুরনো শাসন, প্রশাসন এবং অর্থনৈতিক কাঠামো আধুনিকীকরণের জন্য। কমিশনের সভাপতি ছিলেন আকবর আলী খান। ওই কমিশন মোট ১৫৩টি সুপারিশ জমা দেয়।

    কিন্তু ২০০৯ সালের অক্টোবর নাগাদ আকবর আলী খান পদত্যাগ করেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের অসহযোগিতা ও কর্মী প্রত্যাহারের কারণে কাজ চালানো সম্ভব হয়নি। ওই সুপারিশগুলোর মধ্যে মাত্র এক-তৃতীয়াংশই বাস্তবায়িত হয়েছিল। তখন সরকার শুধু দুটি প্রস্তাবে কাজ করেছে।

    আরআরসির ২০০৯ সালে প্রকাশিত ১৩১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি এখনও অপূর্ণ সংস্কারের প্রমাণ। এটি সুপরিকল্পিত রোডম্যাপ, যার অধিকাংশই ব্যবহার হয়নি।

    এবার গণঅভ্যুত্থানের পরও এমন একটি সনদ তৈরি হলো, যা বাংলাদেশের দীর্ঘ ও জটিল রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার ব্যর্থ সংলাপের পর অর্জিত। বছরের পর বছর ধরে বড় দলগুলোর মধ্যে একমত হওয়ার প্রচেষ্টা গভীর অবিশ্বাসের কারণে বারবার ভেঙে গেছে।

    জুলাই সনদ আগেকার অন্যান্য নথি থেকে আলাদা, কারণ এটি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা করে তৈরি। এসব আলোচনার মাধ্যমে দলগুলো দীর্ঘদিনের বিতর্কিত সংস্কারের বিষয়গুলোতে একমত হয়েছেন।

    সনদে দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাব এসেছে, যেখানে উচ্চকক্ষ নির্বাচিত হবে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে, যেন সংসদ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভোটারের বৈচিত্র্য প্রতিফলিত করে।

    এ ছাড়া, রয়েছে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রস্তাব, যেখানে প্রধান উপদেষ্টার নিয়োগের বিস্তারিত প্রক্রিয়া থাকবে। এতে করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা এড়ানো যাবে।

    প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছরে সীমিত করা এবং একই সময়ে তার দলের প্রধান হওয়ার অনুমতি না দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে—যদিও কিছু দল এতে ভিন্নমত জানিয়েছে। এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো নির্বাহী বিভাগের আধিপত্য কমানো, পরিবারতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ভাঙা এবং নতুন নেতৃত্বের জন্য জায়গা তৈরি করা।

    এবার বাংলাদেশের এক সঙ্কটপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। জুলাই সনদ কি সময়সূচি ও বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপের সঙ্গে একটি জীবন্ত দলিল হয়ে উঠবে, নাকি এর আগের নথিগুলো যেমন আলমারিতে ধুলো জমিয়েছে, তেমনই থাকবে?

    • —লেখক: মহিউদ্দিন আলমগীর। সূত্র: ডেইলি স্টার
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    খামেনি হত্যার ফল দীর্ঘমেয়াদে বিপরীত হতে পারে

    মার্চ 4, 2026
    মতামত

    নির্মাণ খাতে কাজের ধারা বদলে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    মার্চ 4, 2026
    মতামত

    শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনীতি উৎপাদনভিত্তিক হওয়া উচিত

    মার্চ 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.