Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন হওয়া উচিত নির্বাচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য
    মতামত

    আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন হওয়া উচিত নির্বাচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ৫ আগস্টের পর দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা কিছুই ছিল না। এখনো পুলিশের মোরালিটি খুবই কম। শুধু পোশাক চেঞ্জ করে তো কিছু করা যাবে না। এক পক্ষ চলে যাওয়ার পর আরেক পক্ষ আগের জায়গা নিয়েছে।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ও শীর্ষ নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। চেয়ারম্যান হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি)। বিদায়ী বছরে কেমন গেল দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংক খাত, নতুন বছরে প্রত্যাশা কী—এসব নিয়ে তিনি সম্প্রতি কথা বলেছেন।

    আপনি জ্যেষ্ঠ ব্যাংক নির্বাহীদের একজন। ব্যাংকারের পাশাপাশি একজন প্র্যাকটিশনার ইকোনমিস্ট। সে হিসেবে ২০২৫ সালকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

    ২০২৫ সাল ছিল মিশ্র অভিজ্ঞতার বছর। একটা সময় আমরা দেখছিলাম প্রতি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে বিলিয়ন ডলার বের হয়ে যাচ্ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর কয়েক মাস তো লেগেছে পরিবর্তনের জন্য। ২০২৫ সালে আমরা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখেছি। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে (বিপিএম৬ হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুসারে), যা বছরের শুরুতে ১৮-১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ছিল।

    এছাড়া রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে। আগে যেখানে দেড়-দুই বিলিয়ন ডলার আসত গড়ে, সেখানে বর্তমানে প্রায় প্রতি মাসেই আড়াই বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো ডলারের চাহিদা কমে যাওয়া এবং অর্থ পাচার বা হুন্ডির ওপর নিয়ন্ত্রণ। একসময় ব্যাংকগুলো থেকে নামে-বেনামে টাকা উত্তোলন ও লুণ্ঠন করা হতো। এখন লুণ্ঠন কমায় ডলারের সে চাহিদা কমে গেছে। এছাড়া ব্যালান্স অব পেমেন্টে উন্নতি হয়েছে। সার্বিকভাবে চলতি ও আর্থিক হিসাবেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ প্রায় ৬ শতাংশে নেমে এসেছে যা কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য খুবই নেতিবাচক।

    কারণ আমাদের কর্মসংস্থানের অধিকাংশই বেসরকারি খাতনির্ভর। যদিও সরকারের ঋণ প্রায় ২২-২৪ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। সরকারের ঋণ বাড়ার কারণ হলো ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও যা প্রায় ৭ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ঋণ ছাড়া সরকারের আর কোনো উপায়ও নেই। আবার মূল্যস্ফীতির দিক থেকেও আমরা এখনো চাপে আছি। দীর্ঘমেয়াদে এসব বিষয় অর্থনীতির জন্য খুবই উদ্বেগের।

    বিগত সরকারের ১৫ বছরে ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুশাসনের অভাব ছিল। ২০২৫ সালে আপনি সে জায়গাটায় উন্নতি দেখেন কিনা?

    ব্যাংক খাতের সুশাসনে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। একটা সময় ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে রাজনৈতিক প্রভাব ও লুটপাটের সংস্কৃতি ছিল। সরকারও এ বিষয়ে জানত। উল্টো দেখা গেল, আমানতকারীদের টাকা দেয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নোট ছাপানো হচ্ছে। এ জায়গায় আমরা উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখতে পেয়েছি। তবে এটা যথেষ্ট কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন করা যায়। নিঃসন্দেহে প্রয়োজনের তুলনায় এটি যথেষ্ট নয়। যেমন বর্তমানে ব্যাংক খাতে দুটি রেগুলেটর (এফআইডি ও বাংলাদেশ ব্যাংক) কাজ করে, যা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করে। এটি আসলে একটি সংস্থার অধীনেই হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদের অনুমোদিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ কিন্তু সরকার থেকে আর অনুমোদন পায়নি। এখন আর অনুমোদন হওয়ার সুযোগও নেই। পরবর্তী সরকার এসে তা অনুমোদন করবে কিনা সেটাও বলা মুশকিল।

    আইএমএফের সঙ্গে আমাদের ঋণ কর্মসূচি চলমান। সংস্থাটির পলিসির সবচেয়ে বড় উদ্বেগজনক বিষয় হলো, স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যক্তি খাত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। ফলে কর্মসংস্থানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যদিও ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সূত্রপাতই ছিল বৈষম্যহীন কর্মসংস্থানের দাবি থেকে। এ বিষয়ে কী বলবেন?

    কর্মসংস্থান কমার একটা কারণ হলো অটোমেশন। বিশেষ করে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাতে অটোমেশনের ফলে আগের তুলনায় কম জনবল প্রয়োজন হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হবে এসএমই খাত। এ নির্দিষ্ট জায়গায় আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু ২০২৫ সালে এসএমই খাতই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড় বড় কংলো হয়তো অর্থ চুরি করেছে বা ব্যাংকের টাকা-পয়সা নিয়ে গেছে কিন্তু শাস্তি তো পেল এসএমই।

    শাস্তিটা হয়েছে অন্য কারণে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় পণ্যের চাহিদা কমেছে, ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সংকটে পড়েছেন। ব্যাংক খাতের মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ২২-২৪ শতাংশ কিন্তু এসএমইতে, অধিকাংশই মাঝারিতে। নির্দিষ্ট এ খাতটা সবসময় দুর্বল পরিস্থিতির মধ্যে থাকে। অর্থনীতি যখন নিম্নগামী হয়, তখন কিন্তু এরাই আগে ভুক্তভোগী হয়। ব্যাংকগুলোও যখন ৩৫ শতাংশ এনপিএলে ভুগছে, তখন তারাও কিন্তু এ খাতে রক্ষণশীল হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য শুধু মনিটারি পলিসি বা ব্যাংক ঋণ দিয়ে এ সংকট কাটানো সম্ভব নয়, তাদের জন্য কর সুবিধা ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের নিশ্চয়তার মতো ফিসক্যাল পলিসি প্রয়োজন।

    গত দুই-তিন বছরে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো সবাই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। এমনকি গত এক বছরে বৈশ্বিক বাজারেও নিত্যপণ্যের দাম কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও বলছে যে স্থানীয় কারণেই আমাদের মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, বৈশ্বিক কারণ নয়। তাহলে সমাধান কোথায়?

    সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ পৃথিবীর সব দেশে কার্যকর হলেও আমাদের এখানে হবে না। কারণ এখানে সরবরাহ সমস্যাই মূল, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু করার নেই। সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবাইকে মিলেই এ কাজ করতে হবে। বৈশ্বিকভাবে চালের দাম কমে গেলেও আমাদের এখানে কমছে না। ফলে মূল্যস্ফীতিও আমরা কমাতে পারছি না। ঐতিহাসিকভাবেও আমাদের মূল্যস্ফীতি কখনো সাড়ে চার বা পাঁচের নিচে ছিল না। অথচ ভারত তাদের মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশে নিয়ে এসেছে। শ্রীলংকা ৭০ শতাংশ থেকে ঋণাত্মকে নিয়ে এসেছে। এমনকি পাকিস্তানেও কমেছে। দুর্নীতি যদি কমানো না যায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না।

    ’৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর রাতারাতি মূল্যস্ফীতি কমে এসেছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর কমল না কেন? যারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করত, তারা তো সব দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কিন্তু এর প্রভাব পড়ল না কেন?

    ৫ আগস্টের পর দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা কিছুই ছিল না। এখনো পুলিশের মোরালিটি খুবই কম। শুধু পোশাক চেঞ্জ করে তো কিছু করা যাবে না। এক পক্ষ চলে যাওয়ার পর আরেক পক্ষ আগের জায়গা নিয়েছে। সরকারও এখানে অনেক নিষ্ক্রিয় ছিল। বিশেষ করে যারা নেতৃত্বে ছিলেন, এ বিষয়ে তাদের কোনো ধারণাও ছিল না বা তাদের সক্ষমতাও কম ছিল। ফলে তারা মূল জায়গায় আঘাত হানতে পারেননি।

    বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কি দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ সম্ভব?

    আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না করে বিনিয়োগ বাড়ানো অসম্ভব। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা তখনই আসবে যখন তারা দেখবে দেশী বিনিয়োগকারীরা স্বস্তিতে আছেন। বর্তমানে বিনিয়োগের প্রধান বাধা হলো জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নীতিমালার ধারাবাহিকতার অভাব। সরকার রাজস্ব বাড়াতে গিয়ে পরোক্ষ কর বা ভ্যাট বাড়াচ্ছে যা সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, কিন্তু সরাসরি করের আওতা বাড়ছে না। সরকারের ঋণের বোঝাও বাড়ছে, যা বাজেটের একটি বড় অংশ গ্রাস করছে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হলে উদ্যোক্তাদের জন্য আগামী কয়েক বছরের একটি নিশ্চিত পরিকল্পনা দিতে হবে। নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ পাবে এবং তাদের বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে—এ নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩৫ শতাংশ। ফরেনসিক করলে হয়তো আরো কিছু বাড়তে পারে। যারা টাকা লুট করে নিয়ে গেছেন, সেটা তো আছেই। কিন্তু বাজারে এমনও অনেক ব্যবসায়ী আছেন, যারা তুলনামূলক সৎ। তাদের ৭ শতাংশ সুদহারে ঋণ নিয়ে এখন ১৩-১৪ শতাংশে দিতে হচ্ছে। এটা উদ্যোক্তাদের কীভাবে প্রভাবিত করবে?

    আমাদের দেশে শিল্পায়ন মূলত ঋণের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেহেতু আমাদের দেশে শক্তিশালী পুঁজিবাজার নেই, তাই ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন। কমার্শিয়াল ব্যাংকের কাজ দীর্ঘমেয়াদি ইকুইটি সাপোর্ট দেয়া না হলেও স্বাধীনতার পর থেকে ব্যাংকগুলোই পাশে দাঁড়িয়েছিল। তবে বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে সুশাসনের চরম অভাব। বিচার ব্যবস্থায় একটি মামলা শেষ হতে ৮-১০ বছর লেগে যায় যা ঋণখেলাপিদের উৎসাহিত করে। এছাড়া বোর্ড ও ম্যানেজমেন্টের মধ্যে অশুভ আঁতাত অনেক ব্যাংকের পতন ডেকে এনেছে। তবে এতকিছুর মধ্যেও কিছু ব্যাংক কিন্তু ভালো করেছে। আমাদের দেশে তো এতগুলো ব্যাংক দরকার নেই। সর্বোচ্চ ১০-১৫টা ব্যাংকই যথেষ্ট। এতগুলো ব্যাংক হওয়ায় যে যার মতো করে সবকিছু করে গেছে। বোর্ড বা সরকারের তরফ থেকেও গভর্ন্যান্সের বালাই ছিল না।

    যে ব্যাংকগুলোতে লুট হয়েছে, মোটা দাগে সেগুলো ইসলামী ব্যাংক। অথচ সেখানে নৈতিক মানদণ্ড আরো শক্ত হওয়ার কথা ছিল, সেখানে কেন এত বড় ধস নামল?

    ইসলামী ব্যাংকিংয়ের মূল ভিত্তি হলো প্রকৃত কেনাবেচা বা আন্ডারলায়িং ট্রানজেকশন। কিন্তু গত কয়েক বছরে যা ঘটেছে, তা শরিয়াহর ধারেকাছেও ছিল না। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ব্যাংকগুলোকে কুক্ষিগত করেছিল। এমনকি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতেও যে চুরি হয়েছে, তার পেছনেও ছিল মাফিয়াতন্ত্র। সরকারের পছন্দের লোকজনকে বোর্ডে বসানো হতো, তারা নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীকে লোন দিতে বাধ্য থাকত। জনতা ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের মোট ঋণের অধিকাংশই খেলাপি ঋণ যা সামলে ওঠা অত্যন্ত কঠিন।

    আপনি বলছিলেন যে দেশে এত ব্যাংকের দরকার নেই। রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে এত ব্যাংকের দরকার আছে?

    প্রয়োজন নেই। সরকার একবার একটা পদক্ষেপ নিয়েছিল যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে শুধু সোনালী ব্যাংক থাকবে। কিন্তু ওটা তো হয়নি। সরকারের যদি কোনো কিছু করতে হয়, তাহলে তো একটা ব্যাংক দিয়েও সরকারি কাজ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতির ৫০ শতাংশই ব্যাংক খাতে। এখানে কোনো ইকুইটি বা বন্ড মার্কেট নেই। ক্যাপিটাল মার্কেট টু জিডিপি ১০ শতাংশ, বন্ড মার্কেটও উল্লেখ করার মতো কিছু না। তাহলে আমরা যে ৪০০-৪৫০ বিলিয়নের অর্থনীতি বলি, এটা কীভাবে হলো? এ রকম পরিস্থিতিতে গভর্ন্যান্স নিশ্চিত করবেন কীভাবে?

    তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। এ সরকার অনেক কিছু নিয়ে কাজ করতে পারত। যেমন শ্বেতপত্র প্রস্তুত করা হলো, এরপর তা নিয়ে কী কাজ করা হয়েছে? আমরা তো কিছুই দেখিনি। গত কয়েক বছরে যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, তার বড় অংশ এসেছে সরকারের বড় বড় অবকাঠামো বিনিয়োগ থেকে। একে আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বলতে পারি না। যদি প্রকৃত প্রবৃদ্ধি হতো, তবে দারিদ্র্য বিমোচন আরো দ্রুত হতো। অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রজেক্ট করা হয়েছে, যেমন পায়রা বন্দরের ড্রেজিংয়ের পেছনে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হচ্ছে, তা কতটুকু লাভজনক হবে তা নিয়ে সংশয় আছে।

    ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচন। নির্বাচনের পর নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?

    প্রথম ও প্রধান কাজ হলো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। একজন উদ্যোক্তা বা সাধারণ নাগরিক যেন নিরাপত্তার অভাব বোধ না করেন, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়ীদের জ্বালানি নিরাপত্তা ও লজিস্টিক সাপোর্টের নিশ্চয়তা দিতে হবে। নীতিমালার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের নিয়মিত আলাপ-আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। সরকারকে বুঝতে হবে ব্যবসায়ীরা চোর নন, তারা রাষ্ট্রের অংশীজন। ভুল করলে শাস্তি হবে, কিন্তু ভালো কাজ করলে তার স্বীকৃতিও থাকতে হবে।

    অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য পিসফুল রিকনসিলিয়েশন প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন কি?

    অবশ্যই। একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া বিনিয়োগ সম্ভব নয়। সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা উচিত। সরকারের কাজ হবে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। কী করতে পারছে আর কী পারছে না, তা স্পষ্টভাবে জানানো। স্বচ্ছতা এবং সঠিক যোগাযোগই পারে আস্থার সংকট দূর করতে। সূত্র: বণিক বার্তা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁদে কেন পা দিল ইরানিদের একাংশ?

    মার্চ 3, 2026
    মতামত

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ইরানিদের পরিচয় মুছে ফেলতে পারবে না

    মার্চ 3, 2026
    মতামত

    কূটনীতি থেকে সংঘাত: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কীভাবে অনিবার্য হলো?

    মার্চ 1, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.