Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নতুন মার্কিন নিরাপত্তানীতি বাংলাদেশকে কীভাবে প্রভাবিত করবে?
    মতামত

    নতুন মার্কিন নিরাপত্তানীতি বাংলাদেশকে কীভাবে প্রভাবিত করবে?

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা নীতি বিশ্বরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলছে। ছবি: এএফপি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন, তা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের ব্যবস্থাপনাতেই নয়, বিশ্বরাজনীতিতেও স্পষ্ট প্রভাব ফেলছে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অধীন প্রণীত ২০২৫ সালের যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তানীতিতে (ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি) দেশটির নিরাপত্তা ভাবনায় একাধিক মৌলিক পরিবর্তন এনেছেন। এই কৌশলগত নথিতে যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক শক্তিকে কেন্দ্র করে অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করেছে। স্নায়ুযুদ্ধ–পরবর্তী সময়ের বিস্তৃত বৈশ্বিক ভূমিকা থেকে সরে এসে নতুন নিরাপত্তানীতি যুক্তরাষ্ট্রকে আরও অন্তর্মুখী করে তুলছে।

    এতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও পশ্চিম গোলার্ধে নিজেদের প্রভাব পুনরায় জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে মনরো নীতির (মনরো ডকট্রিন) পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত স্পষ্ট, অর্থাৎ পশ্চিম গোলার্ধকে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাভাবিক প্রভাবক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বাইরের শক্তির উপস্থিতি ও প্রভাব সীমিত রাখাই মূল লক্ষ্য। নতুন এই কৌশলে অর্থনৈতিক ও শিল্পনীতিকে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে পুনঃশিল্পায়ন, সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করা এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    অর্থাৎ সামরিক শক্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক উপকরণও নিরাপত্তা কৌশলে সমানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। এতে ব্যাপক বহুপক্ষীয় অঙ্গীকার ও গণতন্ত্র প্রচার থেকে সরে এসে স্বার্থনির্ভর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং মিত্রদের ওপর অধিক দায়ভার আরোপ করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূকৌশলগত গুরুত্বও তুলনামূলকভাবে কমে এসেছে। এর পরিবর্তে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত প্রতিযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির চেয়ে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার দিকে দেশটি এখন বেশি আগ্রহী।

    সামগ্রিকভাবে এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন কাঠামো তৈরি করছে। এতে সার্বভৌমত্বকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক শক্তি এবং অঞ্চলভিত্তিক অগ্রাধিকার বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো এই পরিবর্তনশীল মার্কিন কৌশল কীভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের (গ্লোবাল সাউথ) ভূরাজনৈতিক অবস্থাকে প্রভাবিত করবে এবং বাংলাদেশে এর কেমন প্রভাব পড়বে। বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকার, উন্নয়ন সহায়তা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে বড় শক্তির ওপর নির্ভরশীল।

    ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত পুনর্বিন্যাস এসব দেশের কৌশলগত পরিসর সংকুচিতও করতে পারে, আবার সঠিকভাবে পরিচালিত হলে কিছু সুযোগও তৈরি করতে পারে। এ অঞ্চলের জন্য কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    এই পরিবর্তিত কৌশলের আওতায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদকে কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে দেখা হচ্ছে; একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আন্তরাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ সক্ষমতাকে নতুন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি মূল্যবোধভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে এসে জ্বালানি আধিপত্যকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের ক্ষেত্রে ‘সম্পৃক্ত ও সম্প্রসারণ’ (অ্যানালিস্ট অ্যান্ড এক্সপ্যান্ড) নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

    নতুন মার্কিন কৌশলের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের ওপর জোর, যেখানে শুল্ককে জাতীয় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়, ওয়াশিংটন এখন আগের তুলনায় বেশি লেনদেনভিত্তিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের দিকে যাচ্ছে।

    ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ কেবল বাণিজ্যিক বিষয় নয়, বরং কৌশলগত সম্পর্কের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত হয়ে যাবে। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার হলেও পরিবর্তিত শুল্কনীতির ফলে একমুখী বাণিজ্যপ্রবাহ আর আগের মতো টেকসই থাকার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের কাছ থেকে পণ্য আমদানি অব্যাহত রাখে, তবে তারা প্রত্যাশা করবে যে বাংলাদেশও মার্কিন পণ্যের ওপর আমদানিনির্ভরতা বাড়াবে এবং তাদের জাতীয়তাবাদী অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে নিজস্ব রপ্তানি কৌশলকে সামঞ্জস্য করবে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে নতুন করে ভাবতে হবে। একদিকে যেমন আমাদের রপ্তানি বাজারের বৈচিত্র্য আনতে হবে, তেমনি অন্যদিকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য আলোচনার প্রস্তুতি নিতে হবে।

    নতুন কৌশলের আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি আধিপত্যের ওপর জোর এবং জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা, যা কার্যত বৈশ্বিক জলবায়ুঝুঁকি মোকাবিলাকে গৌণ করে দিচ্ছে। জলবায়ুঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য, যেখানে অভিযোজন ও জ্বালানি রূপান্তর একান্ত প্রয়োজন, এই অবস্থান স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগজনক।

    তবে একই সঙ্গে বাস্তবতা হলো যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে জলবায়ু–সহায়তার চেয়ে উদ্বৃত্ত জ্বালানি, বিশেষ করে এলএনজি রপ্তানির মাধ্যমে নিজের ভূরাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চাইবে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি একটি কৌশলগত সিদ্ধান্তের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি আমদানির একটি পরিকল্পিত কাঠামো গড়ে তোলা যেতে পারে। তবে অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে তা যেন ভারসাম্যপূর্ণ হয়। আমদানির পরিমাণ, মূল্য নির্ধারণের অনিশ্চয়তা, পরিবহন ব্যয় ও একটি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা—সবকিছুর সঙ্গে বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রয়োজন।

    অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি–বাণিজ্য জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কৌশল হতে পারে। কিন্তু তা যেন নতুন আর্থিক ঝুঁকি তৈরি না করে, সেদিকে বাংলাদেশের বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

    নতুন কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো গণতন্ত্র ও মূল্যবোধ প্রচারে জোর দিচ্ছে না। বরং তারা এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে চায়, যেখানে অন্য দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কম থাকবে, যদি না তা সরাসরি মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর জন্য এই পরিবর্তনের প্রভাব দ্বিমুখী। একদিকে এতে রাজনৈতিক চাপ ও শর্তারোপ কমতে পারে, যা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কিছুটা স্বস্তি দেবে। তবে অন্যদিকে নৈতিক প্রতিশ্রুতি দুর্বল হলে কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা বাড়ার আশঙ্কা থাকে এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নড়বড়ে হতে পারে। বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কৌশলগত সামঞ্জস্যের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠবে।

    রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর সময়ে এই পরিবর্তন কিছুটা স্বস্তি দিলেও পররাষ্ট্রনীতিতে আরও সুপরিকল্পিত ও সচেতন অবস্থান নেওয়ার চাপ তৈরি করবে। চীনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কৌশলে ভাষাগত পরিবর্তন স্পষ্ট। এখানে চীনকে আদর্শগত শত্রু হিসেবে নয়, বরং এমন এক কৌশলগত প্রতিযোগী হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার উত্থান ইন্দো-প্যাসিফিকে সতর্কভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।

    এখানে যুক্তরাষ্ট্র নিজে ‘বিশ্বের অভিভাবক’ ভূমিকা থেকে সরে এসে ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর বেশি দায়িত্ব দিতে চায়। এর ফলে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি বহুকেন্দ্রিক নিরাপত্তাকাঠামো গড়ে ওঠার ইঙ্গিত মিলছে, যেখানে আঞ্চলিক শক্তিগুলো আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের জন্য এই অবস্থান কিছুটা কৌশলগত সুযোগ তৈরি করে।

    কঠোর দ্বৈত বিভাজনের অনুপস্থিতিতে ঢাকা একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে, অন্যদিকে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগসহ চীনের সঙ্গেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে পারে। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে বাংলাদেশ যদি দক্ষতার সঙ্গে অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে, তবে অবকাঠামো বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারসহ সব ক্ষেত্রেই লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    বৈশ্বিক দক্ষিণে ‘সম্পৃক্ত ও সম্প্রসারণ’ নীতির আওতায় ট্রাম্প প্রশাসন সহায়তাভিত্তিক সম্পর্ক থেকে সরে এসে বিনিয়োগ ও স্বার্থকেন্দ্রিক অংশীদারিতে জোর দিচ্ছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে ইউএসএআইডির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। দেশটি যে উন্নয়ন সহায়তার ওপর নির্ভর সম্পর্ক থেকে সরে এসে এখন স্বার্থনির্ভর ও কৌশলগত অংশীদারত্বকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, এটি তারই ইঙ্গিত।

    এই পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ বড় ইস্যু না হলেও সীমান্ত অঞ্চলে উগ্রপন্থা, সন্ত্রাসবাদ ও মানব পাচারের ঝুঁকি বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।

    বিদ্যমান সন্ত্রাস দমন ও আইন প্রয়োগ–সংক্রান্ত উদ্যোগগুলো যদি নতুন মার্কিন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা যায়, তবে সহায়তানির্ভরতার পরিবর্তে পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও জোরদার করা সম্ভব হতে পারে।

    মার্কিন নিরাপত্তানীতি থেকে এটা স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্র এখন বাণিজ্যকে তার কৌশলগত স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদারি গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদের পুনরুত্থানের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে বাংলাদেশের সতর্ক থাকা জরুরি, কেননা অন্যান্য শক্তিও একই স্বার্থনির্ভর পথে এগোতে পারে।

    সব মিলিয়ে পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় নিজেদের স্বার্থ রক্ষা ও কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে বাংলাদেশের সামনে একটি সুসংহত ও দূরদর্শী কৌশল গ্রহণ ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

    • আ ন ম মুনীরুজ্জামান: অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল, সভাপতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানের ওপর হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: ইসরায়েলকে চীন

    মার্চ 3, 2026
    বাংলাদেশ

    আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

    মার্চ 3, 2026
    বাংলাদেশ

    বিদায়ী গভর্নর মনসুরের আর্থিক খাত উন্নয়নের রুপকাহন

    মার্চ 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.