Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কোথায় লুকিয়ে ট্রিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা?
    মতামত

    কোথায় লুকিয়ে ট্রিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা?

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 27, 2026Updated:জানুয়ারি 27, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে একটি মৌলিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে—আমরা কি আমাদের বিপুল যুবসমাজকে কেবল কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা একটি জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখব, নাকি পরিকল্পিত বিনিয়োগের মাধ্যমে তাদের জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করব।

    দক্ষতা উন্নয়ন, দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স, বিদেশফেরত কর্মীদের পুনঃসংযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) উন্নয়ন এবং সার্কুলার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট—এই বিষয়গুলো আলাদা আলাদা নয়। বরং এগুলো একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। ২০২৬ থেকে ২০৩০—এই পাঁচ বছর বাংলাদেশের জন্য কেবল একটি সময়কাল নয়, এটি একটি নির্ধারক পর্ব।

    জনসংখ্যা সমস্যা নয়, সমস্যা পরিকল্পনার

    বাংলাদেশের যুব জনসংখ্যা ছয় কোটির কাছাকাছি। বহু বছর ধরে এ সংখ্যাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে সেই ডিভিডেন্ড পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। কারণ, জনসংখ্যা নিজে কখনো সম্পদ হয়ে ওঠে না—পরিকল্পনা ছাড়া জনসংখ্যা বরং অর্থনীতির ওপর চাপ হয়ে দাঁড়ায়। আজকের বাস্তবতা হলো, একদিকে শিক্ষিত বেকারত্ব বাড়ছে, অন্যদিকে দেশীয় শিল্প, সেবা খাত ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির তীব্র ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই বৈপরীত্যই স্পষ্ট করে যে সমস্যার মূল জনসংখ্যায় নয়, বরং দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কাঠামোগত সংযোগহীনতায়।

    গত দুই দশকে বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থার বিস্তার ঘটেছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। কিন্তু এই শিক্ষা প্রধানত ডিগ্রিকেন্দ্রিক, কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক নয়। ফলে তরুণেরা সনদ হাতে নিয়ে বের হলেও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত থাকে না।

    বিশ্বশ্রমবাজারে বর্তমানে যে দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি, তা হলো মানব পরিচর্যাকর্মী, নির্মাণ ও অবকাঠামো দক্ষতা, ইলেকট্রিক্যাল ও ওয়েল্ডিং ট্রেড, ম্যানুফ্যাকচারিং ও ফ্যাক্টরি টেকনিশিয়ান, হসপিটালিটি ও সার্ভিস সেক্টর এবং ডিজিটাল ও রিমোট সার্ভিস। এসব খাতের জন্য প্রয়োজন কাজভিত্তিক দক্ষতা, যা আমাদের মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থা এখনো পর্যাপ্তভাবে দিতে পারছে না।

    দেশ-বিদেশে ১ কোটি কর্মসংস্থান: সংখ্যার আড়ালে সিস্টেম

    ২০২৬-৩০ সময়কালে দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান—শুনতে উচ্চাভিলাষী মনে হলেও খাতভিত্তিক ও সময়ভিত্তিক পরিকল্পনা থাকলে এটি অসম্ভব নয়।

    বিদেশে কর্মসংস্থান মানে কেবল মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক কম দক্ষ শ্রম রপ্তানি নয়; জাপান ও ইউরোপে বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর জন্য কেয়ার ও টেকনিক্যাল স্কিল, পূর্ব এশিয়ায় ম্যানুফ্যাকচারিং দক্ষতা, মধ্যপ্রাচ্যে নির্মাণ ও সার্ভিস খাত এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে রিমোট কাজ—এই সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের বাস্তব সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভেতরে এসএমই, কৃষিভিত্তিক ভ্যালু চেইন, লজিস্টিকস ও সার্ভিস ইকোনমিতেও কর্মসংস্থানের বড় সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন ডিমান্ড-লেড স্কিলিং, অর্থাৎ আগে চাহিদা নির্ধারণ, পরে প্রশিক্ষণ।

    দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো চাহিদা নির্ধারণ ছাড়াই প্রশিক্ষণ দেওয়া। এ জায়গায় জরুরি হলো কর্মক্ষেত্রভিত্তিক ও দেশভিত্তিক ডিমান্ড ম্যাপিং।

    বাংলাদেশের বিদেশি মিশন ও এম্বাসিগুলোকে কেবল কনস্যুলার সেবায় সীমাবদ্ধ না রেখে লেবার মার্কেট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। তারা স্থানীয় নিয়োগকর্তা, চেম্বার অব কমার্স ও ট্রেড সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে বৈধ কর্মসংস্থানের পাইপলাইন তৈরি করতে পারে। এতে দালালনির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে।

    এনএসডিএ শক্তিশালীকরণ ও প্রাইভেট স্কিল ডেভেলপমেন্ট বোর্ড

    দক্ষতা উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)। কিন্তু বর্তমান কাঠামোতে এনএসডিএর সক্ষমতা, জনবল ও নিয়ন্ত্রণক্ষমতা সীমিত।

    এনএসডিএকে শক্তিশালী করে তার অধীন প্রাইভেট স্কিল ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গঠন করা যেতে পারে, যার মূল দায়িত্ব হবে বেসরকারি ও ক্ষুদ্র প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ। দেশে হাজার হাজার ছোট প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোর মান অসম এবং কার্যত নিয়ন্ত্রণহীন। এই বোর্ডের মাধ্যমে কারিকুলাম স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন, প্রশিক্ষকের যোগ্যতা যাচাই, আউটকাম বেজড অ্যাক্রিডিটেশন এবং নিয়মিত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা গেলে দক্ষতা উন্নয়নের গুণগত মান ও স্কেল—দুটোই বজায় রাখা সম্ভব হবে।

    এক কোটি মানুষকে দক্ষ করে তোলার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রশিক্ষকের ঘাটতি। এ জায়গায় ‘ট্রেইন দ্য ট্রেইনার্স’ বা প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রোগ্রাম অপরিহার্য। বিদেশফেরত দক্ষ কর্মী, অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান ও শিল্প–সংযুক্ত পেশাজীবীদের প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তুললে স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্কিল ইকোসিস্টেম তৈরি হবে।

    ভাষাদক্ষতা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে আয়ের অন্যতম বড় গুণক। জাপান, কোরিয়া, জার্মানি কিংবা আরব দেশ—প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা ভাষা ও কর্মসংস্কৃতি বোঝা জরুরি।

    তাই দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দেশভিত্তিক ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। ভাষা জানলে শুধু চাকরি পাওয়া সহজ হয় না, বেতনও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। ফলে একই সংখ্যক কর্মী থেকেও রেমিট্যান্স বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।

    মাদ্রাসা শিক্ষিত যুবকেরা: অবহেলিত, কিন্তু প্রস্তুত সম্পদ

    বাংলাদেশের একটি বড় অংশের যুবক মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসেন। তাঁদের অনেকের আরবি ভাষায় মৌলিক দক্ষতা রয়েছে, কিন্তু আধুনিক পেশাগত দক্ষতার অভাবে তাঁরা কর্মসংস্থান থেকে বাদ পড়ে যান।

    এই যুবকদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক স্কিল আপগ্রেডেশন প্রোগ্রাম চালু করা গেলে, বিশেষ করে কেয়ার, সার্ভিস, কনস্ট্রাকশন ও হসপিটালিটি খাতে, তাঁরা আরব দেশগুলোর শ্রমবাজারে দ্রুত যুক্ত হতে পারেন। এতে সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সামঞ্জস্যের কারণে কর্মীদের টিকে থাকার হারও তুলনামূলক বেশি হবে।

    মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে
    মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ছবি: বাসস

    রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়ানো যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রেমিট্যান্স কোন পথে দেশে আসছে। এখনো একটি বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক বা হুন্ডি চ্যানেলে প্রবাহিত হয়।

    ফরমাল ব্যাংকিং ও ডিজিটাল চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে নগদ প্রণোদনার পাশাপাশি করছাড়, দ্রুত সেবা, রিটার্নি উদ্যোক্তাদের জন্য অগ্রাধিকারমূলক ঋণ এবং ডিজিটাল লেনদেন সহজীকরণ জরুরি। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হবে এবং রেমিট্যান্স বিনিয়োগে রূপ নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।

    বিদেশফেরত কর্মীদের যদি পরিকল্পিতভাবে এসএমই উদ্যোক্তায় রূপান্তর করা যায়, তবে একজন কর্মী থেকেই তিন থেকে পাঁচটি নতুন চাকরি সৃষ্টি হতে পারে। এভাবেই রেমিট্যান্স–ব্যবসা–কর্মসংস্থান–আয়–পুনরায় দক্ষতা—এই সার্কুলার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট গড়ে উঠবে।

    ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি: শর্তসাপেক্ষ বাস্তবতা

    বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির আকার প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলার। দক্ষতাভিত্তিক মানবসম্পদ, এসএমই স্কেলিং, ফরমাল রেমিট্যান্স ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান—এই চারটি স্তম্ভ শক্ত হলে ২০২৬-৩০ সময়কালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে যাত্রা কল্পনা নয়।

    দক্ষতা উন্নয়ন দয়া নয়, কর্মসংস্থান দয়া নয়, রেমিট্যান্সও দয়া নয়—এগুলো মানুষের ওপর বিনিয়োগ। বাংলাদেশ যদি তার যুবসমাজকে বোঝা না ভেবে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে, তবে এই দেশ শুধু উন্নয়ন করবে না—নিজের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিজেই নির্মাণ করবে।

    • ড. মোহাম্মদ নূরুজ্জামান: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ড্যাফোডিল গ্রুপ লি.। ছবি: প্রথম আলো
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

    মার্চ 3, 2026
    বাংলাদেশ

    বিদায়ী গভর্নর মনসুরের আর্থিক খাত উন্নয়নের রুপকাহন

    মার্চ 3, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁদে কেন পা দিল ইরানিদের একাংশ?

    মার্চ 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.