Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Wed, Feb 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তারেক রহমানের জন্য নতুন রাজনৈতিক পরীক্ষা
    মতামত

    তারেক রহমানের জন্য নতুন রাজনৈতিক পরীক্ষা

    এফ. আর. ইমরানFebruary 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইতিহাস সবাইকে সমান সুযোগ দেয় না। কাউকে কাউকে দেয়; সুযোগ দেয় স্টেটসম্যান (রাষ্ট্রনায়ক) হওয়ার। কেউ সেটা ধারণ করতে পারেন। কেউ বুঝে ওঠার আগেই জলাঞ্জলি দেন সব সম্ভাবনা।

    এ প্রসঙ্গে কীর্তিমান জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের কথাটা বারবার মনে পড়ে। আহমদ ছফার বহুল চর্চিত যদ্যপি আমার গুরু বইয়ে তিনি অধ্যাপক রাজ্জাকের বরাতে বলেছেন, ‘ইতিহাস শেখ সাহেবরে স্টেটসম্যান অইবার একটা সুযোগ দিছিল। তিনি এইডা কামে লাগাইবার পারলেন না।’ (পৃষ্ঠা ৭৩)

    যে প্রসঙ্গে এ কথাটা তিনি বলেছেন, সেটা ১৯৭২ সালের ঘটনা। সদ্য স্বাধীন দেশে যে বিপুল সংকট ও সম্ভাবনা ছিল, সেগুলো যথাযথভাবে মোকাবিলা করা গেল না। রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করে দিকপাল নেতারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। দল ভেঙে পড়ল ভেতর থেকে, বাইরে থেকেও। মানুষ হতাশায় নিমজ্জিত হলেন। একটার পর একটা অঘটন ঘটতেই থাকল। পরিণতিতে ঘটল পঁচাত্তরের ভয়াবহ ১৫ আগস্ট।

    ২.

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার মতো না হলেও, প্রায় কাছাকাছিই এক ধরনের অবস্থায় আছি আমরা। এমন নয় যে এই পঞ্চান্ন বছরে নানা ধরনের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রিক সংকট আমাদের ওপর সওয়ার হয়নি; হয়েছে। কিন্তু সেগুলোর বৈশিষ্ট্য বা প্রবণতা এই সময়ের তুলনায় একদমই ভিন্ন। জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতি মিলিয়ে বাংলাদেশ একটা জ্বলন্ত স্ফুলিঙ্গের ওপর বসে আছে। এই সংকট তৈরিই হতো না, যদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্বকীয় ও স্বতঃস্ফূর্ত বৈশিষ্ট্য ধরে রাখা যেত।

    বহু বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, নারী, অসাম্প্রদায়িকতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভিন্নমত কোণঠাসা হয়ে পড়ল, অনেক ক্ষেত্রেই দক্ষিণপন্থা নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছিল। নির্বাচনকে ঠেকিয়ে দেওয়ারও কৌশল নেওয়া হলো নানা ইস্যুর ধুয়া তুলে। ফলে চব্বিশের ৫ আগস্টের পর রাষ্ট্র সংস্কারের যে বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা যথাযথভাবে প্রস্ফুটিত হতে পারল না।

    একদিকে বিপুল সম্ভাবনা, আরেক দিকে নানামাত্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেল। জনগণ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী করল। যে রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ ঢুকে যাচ্ছিল, সেখানে বিএনপির শক্ত প্রচারণা ও অবস্থান জনগণের সিংহভাগ অংশকে আশ্বস্ত করতে পেরেছিল যে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পথ ধরেই চলবে।

    মনে পড়ে, জুলাই আন্দোলনের সময় রব উঠেছিল, ‘বিকল্প কে?’ ছাত্র–জনতা বলেছিল, ‘তুমি ও আমি।’ সত্যিই গত ১৮ মাস সেই মানুষগুলো ফ্যালফ্যাল করে দেখেছে মববাজি, জ্বালাও পোড়াও, ভাঙচুর, নারীর প্রতি অসম্মান, অনলাইনে বট আক্রমণ আর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার তাণ্ডবলীলা। আন্দোলনে রাজপথে নামা বহু মানুষকে শুনতে হয়েছে, ‘এখন কেমন লাগে?’ গণ–অভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্ব সেই ভরসার জায়গা থেকে বিচ্যুত হয়ে গেলেন। মানুষ আরও বেশি বিপর্যস্ত বোধ করতে শুরু করলেন।

    সেই মানুষ, যাঁর চেতনায় বাংলাদেশের জন্মঋণ শোধের অভিপ্রায়, সেই মানুষ ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তাঁর রায়ে জানিয়ে দিলেন, তাঁর কাছে সব সময়ই বিকল্প থাকে। বিকল্পের ভয় তাঁকে দেখানোর দিন আসলে শেষ।

    দল যেটাই হোক, তাদের অতীত শাসনামল যেমনই হোক, মানুষ কিন্তু সেসব বিবেচনায় নেয়নি। তার বিবেচনায় ছিল একদম ঘটমান বর্তমান আর অতীত বলতে একদম গোড়ায় দেশের জন্মলগ্নের রক্তাক্ত ইতিহাস। সেখানে পক্ষ একটাই—মুক্তিযুদ্ধ। পন্থা একটাই—মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ। ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে এই ভোট যেন পরিণত হলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির গণজোয়ারে।

    ৩.

    মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের পক্ষে এটা বিএনপিকে জনগণের উপহার!

    বিএনপি যতটা জিতেছে, তার চেয়েও বেশি প্রগতিপন্থী জনগণ তাকে জিতিয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে এই অর্জন নিঃসন্দেহে গৌরবের—‘জনগণ আমাকেই চায়’। কিন্তু এই অর্জন তো প্রভূত চাপেরও। এটা নিশ্চয়ই জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা তারেক রহমান অনেক বেশি অনুভব করতে পারছেন।

    আদর্শিক, গাঠনিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও সর্বোপরি রাজনৈতিক—কোনো দিক দিয়েই তো বাংলাদেশ ঠিক অবস্থায় নেই; না দেশে, না বিদেশে। নির্বাচনের আগে অনেক কথাই তো বলা যায়, কিন্তু সামনে যে বাধার বিন্ধ্যাচল, তা পাড়ি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ তো কম নয়। কীভাবে জনগণের মেজরিটি পার্টির নেতা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন?

    রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি ঠিক করতে হবে, সংস্কার করতে হবে, বিচার করতে হবে, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে হবে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থায় হাত দিতে হবে, উন্নয়ন করতে হবে, নারীর জন্য সুরক্ষিত সমাজ নিশ্চিত করতে হবে, আবহমান বাংলার সংস্কৃতিকে ঠিকঠাক চলতে দিতে হবে, ধর্মীয় ও জাতিগত প্রান্তিক গোষ্ঠীর জন্য অনুকূল পরিবেশ রাখতে হবে, বিরোধীদের মতকে জায়গা করে দিতে হবে, দেশ-বিদেশের সম্পর্ক ঠিক করতে হবে এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে—মানে তালিকা করে তো শেষ করা যাবে না।

    এ রকম অবস্থায়, আমাদের যেমন নেতা প্রয়োজন, তার অধিক প্রয়োজন ‘ত্রাতা’। তারেক রহমান কি হয়ে উঠতে পারবেন সেই ত্রাতা? উঠতেই হবে। উপায়ান্তর নেই। কিন্তু কোনটা ছেড়ে কোনটাকে অগ্রাধিকার দেবেন তিনি?

    ৪.

    একটি দেশের সবকিছুই ঠিক হওয়া সম্ভব, যদি রাজনীতি ঠিক হয়। আর রাজনীতি ঠিক করার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্র বা সরকার নয়; মূলত রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সংকট রাজনৈতিক সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার সংকট।

    রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনার ফাঁপরে পড়ে আমাদের মহীরুহ নেতারা রাজনৈতিক দল বিকাশের ক্ষেত্রে এতটাই পিছিয়ে পড়েন যে, বিপদের দিনে আর শেষ রক্ষা হয় না। দলের মধ্যে যখন রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ থমকে যায়, তখন সেটা আর ফাংশন করার মতো অবস্থায় থাকে না। দেশে-বিদেশে এ রকম বহু উদাহরণ দেওয়া যাবে।

    দেশে এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ আওয়ামী লীগ। গত ১৭ বছর এই দলটা দলীয় শক্তি হিসেবে মোটেও কার্যকর ছিল না। ক্ষমতার দম্ভে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হতে আজকে তার এই পরিণতি। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল—সর্বত্র এই বিচ্ছিন্নতা গ্রাস করে ফেলেছে।

    একদিকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব নিজেদের রাজনীতি ঠিকঠাক করেনি, গুপ্তজীবীদের দলে পরিণত হয়েছিল। আরেক দিকে তারা বিএনপির মতো শক্তিশালী বিরোধী দলকে দাঁড়াতে দেয়নি, জাতীয় পার্টিকেও গৃহপালিত বিরোধী দল বানিয়ে দলটাকে শেষ করে দিয়েছে৷ বিশেষত বিএনপি, তৃণমূল পর্যায়ে তাদের নেতা–কর্মীরা রাজনীতিক হিসেবে নিরন্তর উৎপীড়নের শিকার হয়েছেন। এটা কোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো?

    বিএনপিকে কোণঠাসা করতে করতে দলটির স্বাভাবিক রাজনৈতিক চর্চা নষ্ট করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ফলে যখন মহা শূন্য অবস্থা তৈরি হয়েছে, তখন দেখা গেল বিএনপির জন্য পরিস্থিতি সেই প্রতিকূলই রয়ে গেছে। আর এই শূন্যাবস্থার সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়ন করতেও সচেষ্ট হয়েছিল দক্ষিণপন্থীদের একাংশ।

    যাই হোক, ভোটের পর বিএনপির বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে! জনগণ তাদের বৈতরণি পার করে দিয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি গত ২০০৬-২০২৬, এই ২০ বছরের রাজনৈতিক শূন্যতা ও চর্চার অভাব তাদের দূর হয়েছে? নির্বাচনে জিতলেই কি এটা বলা যাবে যে বিএনপি অনেক সুসংগঠিত দল? এখন ‘দুধের মাছি বাড়বে’ স্বভাবতই। তখন কি বিএনপি পার্টি হিসেবে ঠিকঠাক ফাংশন করতে পারবে? তারাও কি গুপ্তজীবীদের কবলে পড়বে?

    সরকার আসবে, সরকার যাবে। দলকে কিন্তু টিকিয়ে রাখতে হবে। নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে। মুখস্থ স্লোগান আর জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ দলীয় নেতা থেকে ছাত্রনেতা যিনিই করুন, জনগণ কিন্তু সেটা মানবে না। আমাদের রাজনৈতিক দলের এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে হবে। তা না হলে যতই আজকে ক্ষমতা থাকুক, পাঁচ বছর পর কিন্তু ঠিকই জনগণ গণেশ উল্টে দেবে।

    যেকোনো ক্ষমতাসীন দলের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পরবর্তী নির্বাচন। জনগণ এমনিতেই নানা কারণে বীতশ্রদ্ধ থাকে। তার ওপর যদি দলীয় নেতা–কর্মীরা রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরি করতে না পারেন, তাহলে দল হিসেবে বিএনপি যেমন বিপদে পড়বে, তেমনই বাংলাদেশও বিপদে পড়বে।

    মনে রাখতে হবে, এবারের নির্বাচনের প্রচারণাতেই প্রতিদ্বন্দ্বীরা ২০০১-২০০৬ সালের শাসনামলের কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে; এখন আরও দেবে। দেশে ফেরার পর তারেক রহমান যে সংযমী ও সহিষ্ণু বক্তব্যগুলো দিয়েছেন, প্রতিপক্ষ শক্তি ধীরে ধীরে সেখান থেকেও তাঁকে কিছুটা বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে।

    দল হিসেবে বিএনপি কি সেই অবস্থায় বিরোধী মতকে স্বাগত জানিয়ে পরমতসহিষ্ণুতা দেখাতে পারবে? তারেক রহমান দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে যে পরিবর্তিত ও পরিণত রাজনীতিক হয়ে পরিকল্পনার বীজ বুনেছেন, সেগুলো ধারণ করার মতো জায়গায় কি বিএনপির তৃণমূলে আছে?

    ৫.

    তারেক রহমান দেশে ফিরলেন দীর্ঘ ১৭ বছর পর। নির্বাচনের আগে গত দেড় মাসে তিনি ৬৪টি জনসভা করেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। জনগণের কাছে গিয়েছেন। কিন্তু সমস্যা হলো, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ক্ষমতার স্বাভাবিক নিয়মেই জনগণের সঙ্গে তাঁর একধরনের দূরত্ব তৈরি হবে। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তাঁকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এক ‘প্রকোষ্ঠে’ ঢুকিয়ে ফেলবে।

    কিন্তু জনগণের মাঝে তারেক রহমানের থাকা দরকার। আরও বেশি বেশি দেশের আনাচকানাচে ঘুরতে পারলে একদিকে দল গোছানোর কাজ হতো, আরেক দিকে জনগণের সঙ্গে সরাসরি মেশার সুযোগ পেতেন তিনি।

    তারেক রহমানের কাছে জনগণের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা। সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের আজকের সংকট এত জটিল যে সর্বজনীন নেতা, তথা ত্রাতা হওয়ার জন্য আপাতত একজনই আছেন। অন্যদিকে বিএনপির অনেক বর্ষীয়ান নেতারই হয়তো এবারই শেষবার। তাঁদেরই কেউ হয়তো রাষ্ট্রপতি হবেন । আবার, প্রায় সবাই হয়েছেন পূর্ণমন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। সবাই যদি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তাহলে দলের এই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চর্চার শূন্যতা পূরণ হবে কী করে? দুটি দায়িত্ব বয়সের কারণেই তাঁদের পক্ষে পালন করা কি কঠিন হবে না?

    ৬.

    বাংলাদেশের সমস্যা হলো জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সরকার প্রধান বা ক্ষমতাসীন দলের প্রধান যিনি, তাঁকেই করতে হয়; কেননা, সবার আশা-ভরসা তিনি। আবার ভুল করলে খড়্গটা তাঁর ওপরেই পড়ে। ‘এক নেতা/নেত্রীর এক দেশ’ ধারণার এই হলো বিপদ।

    নিঃসন্দেহে তারেক রহমান এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল’ নেতা তথা নাগরিক। শক্তিশালী রাজনৈতিক সংস্কৃতি তথা উদারনৈতিক প্রগতিপন্থী রাজনৈতিক দল বিকশিত করার জন্য তাঁর দিকেই তাই আমাদের চেয়ে থাকতে হবে।

    তারেক রহমানের সামনে ‘স্টেটসম্যান’ হওয়ার সুযোগ এসেছে। সেটা কি তিনি সরকারপ্রধান হিসেবে হবেন, নাকি দলীয় প্রধান হিসেবে হবেন, নাকি সব ভূমিকা একত্র করে হবেন, সেটাই দেখার বিষয়। যেটাই ঘটুক আর যে ভূমিকাতেই তিনি থাকুন না কেন, পরিকল্পনার ভরকেন্দ্র তাঁর দিকেই ঝুঁকে থাকবে।

    • ড. সৌমিত জয়দ্বীপ: সহকারী অধ্যাপক, স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    জার্মানি কেন ইসরায়েলের মতো রূপ ধারণ করছে?

    February 18, 2026
    বাংলাদেশ

    শেখ বশিরউদ্দীনকে বিমান বাংলাদেশের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি

    February 18, 2026
    ফিচার

    সংস্কৃতি: কেবল শিল্প নয়, দৈনন্দিন জীবন ও ক্ষমতার খেলা

    February 18, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক January 10, 2026

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক August 4, 2025

    ১১৭ বছরের সকল জমির দলিল এখন অনলাইনে

    বাংলাদেশ November 9, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.