বিদায়ী সপ্তাহ (৪ থেকে ৮ জানুয়ারি, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় পুঁজিবাজারেই উত্থানের সঙ্গে শেষ হয়েছে। এই সময়ে লেনদেনে বেড়েছে টাকার পরিমাণ। পাশাপাশি বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে মোট ৭ হাজার ৭২৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহের ব্যবধানে ৮৭.৯৪ পয়েন্ট বা ১.৭৯ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৯৯৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৪৫.৫২ পয়েন্ট বা ২.৪৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯১৪ পয়েন্টে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪.৮০ পয়েন্ট বা ০.৪৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১০ পয়েন্টে এবং ডিএসএমইএক্স (এসএমই ইনডেক্স) ৮০.৭৬ পয়েন্ট বা ৯.২১ শতাংশ বেড়ে ৯৫৭ পয়েন্টে উঠেছে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে, গত বৃহস্পতিবার, ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এটি ছিল ৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৪০০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।
লেনদেনেও উত্থান দেখা গেছে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এটি ছিল ১ হাজার ৪১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৯৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৬টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির। ২৪টির কোনো লেনদেন হয়নি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও উত্থান দেখা গেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩০১.৯২ পয়েন্ট বা ২.২০ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৯৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে সিএসই-৩০ সূচক ৩.০৪ শতাংশ কমে ১২ হাজার ৪৮৮ পয়েন্টে, সিএসসিএক্স সূচক ২.৫১ শতাংশ বেড়ে ৮ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে, সিএসআই সূচক ০.৯০ শতাংশ বেড়ে ৮৬০ পয়েন্টে এবং এসইএসএমইএক্স (এসএমই ইনডেক্স) ৭.৯২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৯৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে চট্টগ্রামের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩৪৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এটি ছিল ৬ লাখ ৮৬ হাজার ২১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার ৩২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
লেনদেনের দিকেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এটি ছিল ৪১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ লেনদেন বেড়েছে ৩১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। সিএসইতে মোট ২৭২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৪টির, কমেছে ১০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির।

