ঈদের আগের সন্ধ্যা। রাজধানীর শপিং মলগুলোতে উপচে পড়ছে মানুষের ভিড়। একসময় এমন দৃশ্যের সঙ্গে আরও একটি পরিচিত চিত্র যুক্ত থাকত—এটিএম বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন, মানিব্যাগে ভরা নগদ টাকা আর বড় অঙ্কের অর্থ বহনের নিরাপত্তাহীনতা।
কিন্তু সেই দৃশ্য এখন বদলে যাচ্ছে। দোকানের কাউন্টারে কার্ড স্পর্শ করেই বিল পরিশোধ করছেন অনেকে। কেউ আবার মোবাইল অ্যাপ খুলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া কোড স্ক্যান করছেন। এমনকি কোরবানির পশুর হাটেও এখন “কার্ডে পেমেন্ট গ্রহণযোগ্য” লেখা ব্যানার দেখা যাচ্ছে। একসময় মানিব্যাগে নগদ অর্থ বহন করাই নিরাপত্তার প্রতীক ছিল। এখন নিরাপত্তার ধারণা বদলে গেছে। মোবাইলের পাসওয়ার্ড, বায়োমেট্রিক যাচাই কিংবা দ্রুত প্রতিক্রিয়া কোড—এসবই হয়ে উঠছে লেনদেনের নতুন ভরসা।
স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি, অনলাইন বাণিজ্যের বিস্তার এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা ধীরে ধীরে নগদনির্ভর অর্থনীতির চেহারা বদলে দিচ্ছে। ব্যাংকগুলোও এখন শুধু লেনদেনের সীমায় সীমাবদ্ধ না থেকে ডিজিটাল জীবনধারা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। তবে বিশ্বের অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এ পরিবর্তনের গতি এখনো সীমিত। বিশ্বজুড়ে নগদ অর্থের ব্যবহার কমলেও বাংলাদেশে এখনো অর্থনীতির বড় অংশ নগদ লেনদেননির্ভর। বেতন, পাইকারি ব্যবসা, স্থানীয় বাজার, পরিবহন খাত এবং অনেক সরকারি সেবায় এখনো নগদের ব্যবহার ব্যাপক। গ্রামীণ হাটবাজার থেকে শহরের ছোট দোকান পর্যন্ত বড় অংশই এখনো ডিজিটাল ব্যবস্থার বাইরে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ প্রতি বছরই বাড়ছে। উৎসবের মৌসুমে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়। ঈদ সামনে এলেই ব্যাংক ও এটিএম বুথে নগদ টাকার চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংক খাতের বাইরে থাকা ছাপানো টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা। ঈদের মতো বড় উৎসব এলে এই অঙ্ক ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যায়। অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে ছাপানো টাকার এই উচ্চ পরিমাণ উদ্বেগের বিষয়। সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর একাধিকবার বলেছেন, দেশে প্রতি বছর শুধু নোট ছাপানো, পরিবহন ও সংরক্ষণে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, দীর্ঘদিনের নগদনির্ভর অভ্যাস, অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির বিস্তার এবং ডিজিটাল লেনদেনে আস্থার ঘাটতি—এই তিনটি কারণে নগদের ব্যবহার কমছে না। গত দুই দশকে ব্যাংকগুলো হিসাব কার্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা চালু করলেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে প্রণোদনা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এখনো পুরোপুরি নগদবিহীন ব্যবস্থার উপযোগী হয়নি। পেমেন্ট ব্যবস্থা ডিজিটাল হলেও মানুষ এখনো এতে পুরোপুরি অভ্যস্ত হতে পারেনি। বড় অঙ্কের লেনদেনে তারা ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করতে চান না, নগদেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তিনি আরও বলেন, ব্যাংক হিসাবে লেনদেন হলে অর্থের উৎস ও গন্তব্য সহজে শনাক্ত করা সম্ভব। এতে অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের সুযোগও তৈরি হয়। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো অনেক আগেই উপলব্ধি করেছে, নগদনির্ভর অর্থনীতি ব্যয়বহুল, ধীর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাই অনেক দেশই নগদ থেকে ডিজিটাল লেনদেনের দিকে দ্রুত অগ্রসর হয়েছে।
এর অন্যতম উদাহরণ সুইডেন। দেশটিকে বিশ্বের অন্যতম ক্যাশলেস সমাজ হিসেবে ধরা হয়। সেখানে অনেক ব্যাংক শাখায় এখন নগদ লেনদেনের সুযোগই নেই। বাস, ট্রেন, ক্যাফে থেকে শুরু করে গির্জার অনুদান পর্যন্ত সবকিছুই ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। চীনও একই পথে এগিয়েছে। দেশটিতে নগদের ব্যবহার দ্রুত কমেছে। আলিপে ও উইচ্যাট পে-এর মতো ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম দৈনন্দিন অর্থনীতির চেহারাই বদলে দিয়েছে। রাস্তার ছোট দোকান থেকে শুরু করে ফল বিক্রেতা পর্যন্ত—সবাই এখন কিউআর কোড ব্যবহার করছে।
ভারতও গত এক দশকে ডিজিটাল লেনদেনে বড় পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। ২০১৬ সালের নোট বাতিলের পর দেশটি ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ইউপিআই চালুর মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্টে বড় বিপ্লব ঘটায়। বর্তমানে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ক্ষুদ্র লেনদেন কিউআর কোড ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামেও পর্যটন, খুচরা ব্যবসা এবং ই-কমার্সের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল পেমেন্ট দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
বিশ্বব্যাপী এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হলো সুবিধা ও গতি। ডিজিটাল লেনদেনে নগদ বহনের ঝুঁকি থাকে না, খুচরা টাকার সমস্যা নেই এবং প্রতিটি লেনদেনের হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত থাকে। এতে ব্যক্তি ও ব্যবসা উভয়ের জন্যই আর্থিক ব্যবস্থাপনা সহজ হয়। তবে এই বৈশ্বিক প্রবণতার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে।
গত মাসে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি বিস্তৃত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের আর্থিক খাতের মোট লেনদেনের মাত্র ৩৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ ডিজিটাল মাধ্যমে হয়। বাকি ৬৫ দশমিক ৪১ শতাংশ এখনো নগদ নির্ভর। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে ডিজিটাল লেনদেনের হার ৯৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। সেখানে মাত্র ২ দশমিক ১০ শতাংশ লেনদেন এখনো নন-ডিজিটাল পদ্ধতিতে হয়।
গত দুই দশকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে তা প্রত্যাশার তুলনায় এখনও সীমিত। দেশের বড় অংশের মানুষের প্রধান লেনদেন মাধ্যম এখনো নগদ টাকা। তবে পরিবর্তনের ধারা শুরু হয়েছে। মোবাইলভিত্তিক আর্থিক সেবা বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে। প্রায় প্রতিটি ব্যাংকই এখন অ্যাপভিত্তিক ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে।
লেনদেনকে নিরাপদ করতে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এবং প্রিপেইড কার্ড—যা একসঙ্গে ‘প্লাস্টিক মানি’ নামে পরিচিত। আশার বিষয় হলো, তরুণ প্রজন্ম দ্রুত ডিজিটাল পেমেন্টে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। অনলাইন শপিং, রাইড শেয়ারিং, খাবার সরবরাহ এবং ইউটিলিটি বিল পরিশোধ—সব ক্ষেত্রেই এখন ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার ক্রমে বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দেশে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময় কার্ড ইস্যুর হার বেড়েছে ১২১ শতাংশ। ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে এসব কার্ডের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৩৭ লাখ ১৬ হাজার। পাঁচ বছরের ব্যবধানে গত বছরের নভেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখে। এর মধ্যে শুধু ক্রেডিট কার্ডের প্রবৃদ্ধি ৭০ শতাংশের বেশি।
‘প্লাস্টিক মানি’ নামে পরিচিত এসব কার্ড ব্যবহার করে লেনদেনও বেড়েছে দ্রুত গতিতে। পাঁচ বছর আগে যেখানে মাসে কার্ডভিত্তিক লেনদেন ছিল ২০ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা, গত ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৭ হাজার ৭৬ কোটি টাকায়। প্রবৃদ্ধি প্রায় ১২৯ শতাংশ।
ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রেই লেনদেনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬০ শতাংশ। তবে জনসংখ্যার তুলনায় এই ব্যবহার এখনো খুবই সীমিত। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) গবেষণা বলছে, দেশে মাত্র ২ শতাংশ মানুষের কাছে ক্রেডিট কার্ড রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক কার্ডই নিয়মিত ব্যবহার হয় না। নিয়মিত ব্যবহারকারী মাত্র ১ শতাংশ।
ক্রেডিট কার্ড সেবার বিস্তার মূলত রাজধানী ও বিভাগীয় শহরকেন্দ্রিক। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েনি। কার্ডভিত্তিক লেনদেনের অন্যতম শর্ত পয়েন্ট অব সেল বা পিওএস মেশিনের বিস্তৃতি। কিন্তু জেলা শহর ও মফস্বলের হাট-বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁয় এই সুবিধা এখনো সীমিত।
তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। ঈদসহ বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে এখন আর পুরোপুরি নগদনির্ভর কেনাকাটা হচ্ছে না। ব্যাংকগুলো ক্যাশব্যাক, ছাড়, কিস্তি সুবিধা ও রিওয়ার্ড পয়েন্টের মতো অফার দিচ্ছে। ফলে অনেক গ্রাহক কার্ড ও ডিজিটাল ওয়ালেটের দিকে ঝুঁকছেন। বড় শপিং মল থেকে সুপারশপ পর্যন্ত পিওএস মেশিন এখন সাধারণ দৃশ্য।
ডিজিটাল পেমেন্টের এই প্রবণতা ছড়িয়ে পড়ছে উৎসবের বাইরেও। কোরবানির পশুর হাটেও কার্ড ও কিউআর কোডে লেনদেন বাড়ছে। কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবার ৭০টির বেশি হাট ও খামারে ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা চালু করেছে। এতে বড় অঙ্কের নগদ বহনের ঝুঁকি কমছে এবং লেনদেনও দ্রুত হচ্ছে।
ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ব্যাংকও বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে একটি একক কিউআর কোড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান থেকে পেমেন্ট করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও সহজে ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত হতে পারবেন।
তবে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার জালিয়াতির ঝুঁকি, ফিশিং, ওটিপি প্রতারণা ও ভুয়া অ্যাপের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী এখনো ডিজিটাল পেমেন্টকে পুরোপুরি নিরাপদ মনে করেন না। পাশাপাশি কিছু এলাকায় ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সমস্যাও বড় বাধা হিসেবে রয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও এমন বাস্তবতা দেখা গেছে। সুইডেনের মতো দেশেও পুরোপুরি ক্যাশলেস ব্যবস্থার বিষয়ে সমালোচনা রয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যা বা সার্ভার বিভ্রাট হলে লেনদেন থেমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ফলে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, সম্পূর্ণ ক্যাশলেস নয়, বরং ‘ক্যাশ-লাইট’ অর্থনীতিই বেশি বাস্তবসম্মত।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও সেই চিত্রই প্রযোজ্য বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। দেশের বড় অংশ এখনো ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নিম্ন আয়ের মানুষ এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে নগদই এখনো সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। তাই হঠাৎ করে নগদহীন সমাজে যাওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তবে ধীরে ধীরে নগদ নির্ভরতা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
এক্ষেত্রে নীতিগত সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। তাঁর মতে, ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবা, পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটর ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং গ্রাহকের পছন্দের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, গ্রাম ও মফস্বলে ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণে আলাদা বাজেট ও প্রণোদনা দরকার। ডিজিটাল পেমেন্টে নির্দিষ্ট হারে প্রণোদনা দেওয়া হলে নগদ লেনদেন কমে ডিজিটাল লেনদেন বাড়বে এবং স্বচ্ছতা বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, পিওএস মেশিন, প্লাস্টিক কার্ড ও স্মার্টফোনের ওপর উচ্চ কর কমিয়ে আনা হলে অবকাঠামো দ্রুত বিস্তার লাভ করবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল সচেতনতা বাড়ানো। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগেই আস্থাভিত্তিক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।
সিভি/এম

