অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৪টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাস হয়েছে। একই সঙ্গে আরও দুটি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের জন্য বিল হিসেবে উত্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা মোট ১৬টি বিল উত্থাপন করেন। এর মধ্যে ১৪টি বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়, যা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সকালের অধিবেশনে যেসব বিল পাস হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ বিল, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সংশোধন) বিল, সিভিল কোর্টস (সংশোধন) বিল, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধন) বিল, রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) বিল এবং দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত সংশোধনী বিল।
এছাড়া বিকেলের অধিবেশনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়। এর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল, ২০২৬, নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০২৬, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিশেষ বিধান রহিতকরণ বিল, এবং পল্লী উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক আদালত সম্পর্কিত বিভিন্ন বিল।
অন্যদিকে, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) বিল’ উত্থাপন করা হলেও এটি আরও সংশোধনের জন্য পরে পাসের উদ্দেশ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে।

