যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বাংলাদেশের ওপর ধার্য পাল্টা শুল্ক ১৫ শতাংশ কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করায় বড় ধরনের এক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশ-এ মন্তব্য করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ ও মার্কিন প্রতিনিধিদের মধ্যকার তৃতীয় দফা আলোচনার পর খলিলুর রহমান বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন ১ আগস্ট সময়সীমার আগেই শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আমরা বড় ধরনের একটি অনিশ্চয়তা থেকে রেহাই পেলাম। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই শুল্কসংক্রান্ত আলোচনাগুলো আমরা চূড়ান্ত করতে পেরেছি বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। তা না হলে গত এপ্রিলে আরোপিত ৩৫ শতাংশ শুল্কই বহাল থাকত।’
আলোচনায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তাঁর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও যুক্ত ছিলেন। আলোচনা শেষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেন। এর আগে বাংলাদেশকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রশাসন ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের কথা জানায়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী এবার ১৫ শতাংশ কমিয়ে তা ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হলো।
খলিলুর রহমান বলেন, ‘নতুন শুল্কহার আমাদের প্রধান প্রতিযোগীদের তুলনায় সমান বা সামান্য বেশি এবং ভারতের তুলনায় ৫ শতাংশ কম। ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় থাকবে। এটি তৈরি পোশাক খাত ও এর ওপর নির্ভরশীল লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা।’

