Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, এপ্রিল 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কাঁপছে ঢাকা, নেই কোনো প্রস্তুতি
    বাংলাদেশ

    কাঁপছে ঢাকা, নেই কোনো প্রস্তুতি

    হাসিব উজ জামাননভেম্বর 24, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    গত শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রতিবারই সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়েছে। যদিও ভূমিকম্প নিয়ে আলোচনা ও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, বাস্তবে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রচেষ্টা অদৃশ্য। সপ্তাহের মধ্যে সব আলোচনা শেষ হয়ে যায়, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপের দেখা মেলে না।

    ঢাকা, দেশের সবচেয়ে ঘন বসতি সম্পন্ন শহর, এখানে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। অতীতে বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিকল্পনার কথা বলা হলেও অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়নি। সরকারি দাবি “মোটামুটি প্রস্তুতি আছে”, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে তা দেখা যায় না। যা কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা অপ্রতুল এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে টুকরোভাবে রয়েছে।

    সরঞ্জাম ও মহড়া ব্যবহার হয় না
    ঘূর্ণিঝড় গবেষণা কেন্দ্র কার্যক্রম চালাচ্ছে, কিন্তু যন্ত্রপাতি ব্যবহার না হওয়ায় কার্যকর হচ্ছে না। দুর্যোগে তৎপরতা দেখানোর জন্য জরুরি পরিচালন কেন্দ্র তৈরি হলেও জনবল নিয়োগ হয়নি। মহড়া বা সচেতনতামূলক কার্যক্রম নেই। বড় ধরনের ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রায় শূন্য। উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় ফায়ার সার্ভিসও প্রস্তুত নয়। ঢাকায় জনবসতির কারণে খোলা জায়গা নেই, ফলে মানুষ ভূমিকম্পে নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারছে না।

    ভুল তথ্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে
    ভূমিকম্পের উৎস, মাত্রা ও ঝুঁকি শনাক্ত করার দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রেও সমস্যার আঁচ রয়েছে। গত শনিবারের ভূমিকম্পের পর উৎপত্তিস্থল বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রথমে গাজীপুর দেখানো হয়েছিল, পরে নরসিংদী। সন্ধ্যার ঘটনায় ঢাকার বাড্ডা দেখানো হলেও পরে নরসিংদী-ঢাকা অঞ্চলে পরিবর্তন করা হয়। এর ফলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

    সংস্থাটির ১০টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থাকলেও, সারাদেশের ডেটা বিশ্লেষণ করতে আছে মাত্র একজন আবহাওয়াবিদ ও একজন সহকারী। আধুনিক সফটওয়্যার নেই, তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণও সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পপ্রবণ দেশের জন্য দ্রুত ও নির্ভুল পর্যবেক্ষণ অত্যাবশ্যক।

    ঢাকায় নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব
    ঢাকায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মানুষ হঠাৎ দুলতে থাকা ভবন থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। কিন্তু খোলা জায়গা না থাকায় অনেকে সরু গলি বা উঁচু ভবনের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকায় প্রতিটি এলাকার হাঁটা-দূরত্বে খোলা মাঠ বা পার্ক থাকা উচিত। তবে ঢাকা শহরে সবুজ এলাকা মাত্র ৫ শতাংশের নিচে, যা আন্তর্জাতিক মানের চেয়ে অনেক কম।

    সরঞ্জামের অভাব ও অপ্রয়োগ
    সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর সরকার যে বিপুল সরঞ্জাম কিনেছিল, তার বেশির ভাগ ব্যবহার হয়নি। BUET-এর অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, অন্তত ২০০ কোটি টাকার সরঞ্জাম ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘ দিন বড় দুর্যোগ না হওয়ায় সেগুলো অকেজো হয়ে গেছে।

    প্রযুক্তিগত সক্ষমতা শূন্য
    বড় ধরনের ভূমিকম্প মোকাবিলায় দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রায় শূন্য। দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন বলেন, বড় ভূমিকম্প হলে বাংলাদেশ একা কিছু করতে পারবে না, বাইরের সহায়তা প্রয়োজন হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও স্বীকার করেছেন, প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ নেই।

    ফায়ার সার্ভিস ও জনবল সংকট
    ফায়ার সার্ভিস দেশের প্রথম প্রতিক্রিয়া সংস্থা হলেও জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ঢাকা শহরে ৬৫০ জন কর্মী রয়েছে, যখন বহুতল ভবনের সংখ্যা ২১ লাখের বেশি। বড় ভবন ধসে সড়ক বন্ধ হলে উদ্ধার অভিযান অসম্ভব। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের মধ্যে আছে হাইড্রোলিক কাটার, র‌্যাম, সার্চ ভিশন ক্যামেরা, থার্মাল ইমেজার ইত্যাদি। কিন্তু এগুলোর যথেষ্ট মজুত নেই।

    ভলান্টিয়ার নিয়েও সংকট রয়েছে। ২০১০ সালে তিন লাখ শহরভিত্তিক ভলান্টিয়ার তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হলেও বাস্তবে সংখ্যা মাত্র ৪০ হাজার।

    সমন্বিত পদক্ষেপ অপরিহার্য
    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, শুধুমাত্র রাষ্ট্রই যথেষ্ট নয়, নাগরিককেও দায়িত্বশীল হতে হবে। আইন, নীতি ও বাস্তবায়নসহ সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বিশ্লেষণ

    রুশ তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে কেন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হয়?

    এপ্রিল 17, 2026
    বাংলাদেশ

    মে মাসেই ইআরএল-২ প্রকল্পের দরপত্র, ২০২৯ সালে ট্রায়াল রানের পরিকল্পনা

    এপ্রিল 17, 2026
    বাংলাদেশ

    মানহীন কিটে বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট

    এপ্রিল 17, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.