Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, এপ্রিল 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ভূমিকম্পে বড় ঝুঁকিতে রাজধানীর প্রধান পাঁচ হাসপাতাল
    বাংলাদেশ

    ভূমিকম্পে বড় ঝুঁকিতে রাজধানীর প্রধান পাঁচ হাসপাতাল

    হাসিব উজ জামানডিসেম্বর 3, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অসুস্থ হলে হাসপাতালে দৌড়ে যাওয়া মানুষের স্বাভাবিক আচরণ। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক দফা ভূমিকম্প ঢাকাবাসীর মনে নতুন প্রশ্ন তুলেছে—জরুরি সময়ে আমরা যে হাসপাতালে ছুটে যাব, সেই ভবনগুলো নিজেরাই কতটা নিরাপদ?

    গত কয়েক সপ্তাহে ভূমিকম্পের পর শহরের মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে হাসপাতালের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। বিশেষ করে বহু বছরের পুরোনো ভবনে যে এখনও চিকিৎসা চলছে—এটি অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে।

    ঢাকায় ২৪৮ হাসপাতাল ঝুঁকিপূর্ণ—১৭৪ অতি ঝুঁকিতে

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ২০১৭ সালে যে জরিপ করেছিল, সেখানে দেখা যায়—ঢাকার ৪৩৩টি হাসপাতালের মধ্যে ২৪৮টিই ঝুঁকিপূর্ণ; আর এর মধ্যে ১৭৪টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। আশঙ্কার বিষয় হলো—ঢাকায় যে পাঁচটি বড় হাসপাতালের ওপর সবচেয়ে বেশি মানুষ নির্ভর করেন, সেগুলোর অবস্থাও ভালো নয়। তালিকায় রয়েছে:

    • ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

    • স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল

    • বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)

    • জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতাল)

    • বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট

    এসব ভবনের বয়স ৫০ থেকে ১৫০ বছরের মধ্যে। পুরোনো কাঠামো, ঝুলে থাকা পলেস্তারা, বারবার ছাদ খসে পড়ার ঘটনা অনেক জায়গায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ‘ঝুঁকিতে থাকা ভবনে চিকিৎসা চলছে—এটা নিজেই বিপদ’

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরীর মতে, যদি হাসপাতাল নিজেই বিপজ্জনক অবস্থায় থাকে, তবে রোগীদের চিকিৎসা দেখবে কে? তিনি মনে করেন, ভবনগুলোর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য একটি শক্তিশালী বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা জরুরি। কোন ভবন রাখা যাবে, কোনটি বাদ দিতে হবে—এমন সিদ্ধান্ত প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণের মাধ্যমেই নিতে হবে।

    ভয় আর অনিশ্চয়তায় ঢাকাবাসী

    দেড়–দুই কোটি মানুষের শহর ঢাকায় এখন ভূমিকম্প নিয়ে উদ্বেগ প্রকট। সোমবার রাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেকেই বাইরে ছুটে যান। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন—একটি বড় ভূমিকম্প হলে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ভেঙে প্রচুর মানুষ হতাহত হতে পারে। অথচ মানুষের প্রথম আশ্রয়স্থান হাসপাতালগুলোর অবস্থাই প্রশ্নের মুখে।

    রাজউকের পর্যবেক্ষণ: নতুন কোড, কঠোর মনিটরিং

    রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান—ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তে তাদের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৩০০–এর বেশি ভবন চিহ্নিত করা হয়েছে; প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি—সবখানেই নজরদারি রয়েছে। তিনি বলেন, নতুন ভবন নির্মাণে ৭–৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীলতার মান বজায় রাখতে কড়া মনিটরিং করা হচ্ছে।

    হাসপাতালগুলোর বাস্তব চিত্র—ঢামেক থেকে পঙ্গু হাসপাতাল

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

    দেশের সবচেয়ে বড় হাসপাতালটির মূল ভবনের বয়স ১২০ বছর। পলেস্তারা খসে পড়া, সিলিং রড বেরিয়ে আসা, পানি চুইয়ে পড়া—এগুলো সাধারণ ঘটনা। কয়েকবার রোগী ও চিকিৎসক আহতও হয়েছেন। ভবনের অংশ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও জায়গা সংকটে শিক্ষার্থীরা এখনো থাকছেন।

    মিটফোর্ড হাসপাতাল

    পুরান ঢাকার মিটফোর্ডের ভবনগুলোর অনেকের বয়স দেড়শ বছর। চিকিৎসক ও রোগীদের মতে, ছাদের পলেস্তারা পড়া এখানে নিত্যদিনের ব্যাপার। গণপূর্ত বিভাগ ২০০৯ সালেই চারটি ভবনকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করার সুপারিশ করেছিল, কিন্তু কার্যত কিছুই হয়নি।

    পঙ্গু হাসপাতাল

    ২০১৯ সালে এক হাজার শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধনের পর ২০২৪ সালের ভূমিকম্পে ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদিও পিডব্লিউডি বলছে, এগুলো বড় ধরনের ক্ষতি নয়; তবে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি)

    রাজউক পরিচালিত সাম্প্রতিক জরিপে ‘এ’ ও ‘বি’ ব্লকের দুইটি ভবনকে অত্যন্ত বিপজ্জনক ঘোষণা করা হয়েছে। এই ভবনেই রয়েছে আবাসন, ক্যান্টিন, প্রশাসনিক কার্যক্রম।

    বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল

    পিডব্লিউডি ২০১৪ সালেই ‘এ’ ব্লকের চতুর্থ তলা এবং নিটোর স্টাফ কোয়ার্টারকে ঝুঁকিপূর্ণ বলেছিল। তবু সেখানে আবাসন ও একাডেমিক কার্যক্রম চলছিল। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর মিলনায়তন ও লাইব্রেরি বন্ধ করা হয়েছে, তবে কোয়ার্টার কেউ ছাড়েনি।

    ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্প—হাসপাতালে যে দৃশ্য দেখা গেছে

    শিশু হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে দুই বছরের শিশুর হাত ধরে থাকা তাহমিনা বেগম জানান—ভূমিকম্প শুরু হতেই নার্সরা দৌড়ে বেরিয়ে যান। অক্সিজেন লাগানো শিশু, স্যালাইন চলা রোগী—সবার দেখভালের দায়িত্ব তখন অভিভাবকদের ওপরই পড়ে। এই ঘটনাই প্রশ্ন তোলে—ভূমিকম্পে যদি আবার বড় মামলা হয়, তবে হাসপাতালগুলো কি সেই চাপ সামলাতে পারবে?

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

    এপ্রিল 11, 2026
    বাংলাদেশ

    মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ছয় দেশের কূটনীতিক

    এপ্রিল 11, 2026
    বাংলাদেশ

    হামে বাড়ছে মৃত্যু ও সংক্রমণ: ২৮ দিনে প্রাণ গেল ১৬৯ শিশুর

    এপ্রিল 11, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.