Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Wed, Jan 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » প্রযুক্তি স্কুল-কলেজ প্রকল্পে ধীরগতি, ব্যয় বেড়েছে কয়েক গুণ
    বাংলাদেশ

    প্রযুক্তি স্কুল-কলেজ প্রকল্পে ধীরগতি, ব্যয় বেড়েছে কয়েক গুণ

    মনিরুজ্জামানDecember 24, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বিস্তৃত করার সরকারি বৃহত্তর উদ্যোগ ভেঙে পড়েছে। শত শত উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ  নির্মাণ শুরুই হয়নি, বারবার সময়সীমা বাড়ানো সত্ত্বেও খরচ আকাশছোঁয়া হয়েছে।

    সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘ এই বিলম্ব যুব সমাজের বেকারত্ব ও শ্রমবাজারের চাপ বাড়ানোর সময় দেশের দক্ষ কর্মী তৈরি করার জাতীয় প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, দুইটি প্রধান প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়িত হলে ২০২৪ সালের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে কারিগরি শিক্ষায় বার্ষিক ৪৬৩,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সম্ভব হতো কিন্তু দীর্ঘ অবহেলা, বারবার সংশোধন ও ব্যয়বৃদ্ধি প্রকল্পকে সূচনার থেকে অনেক পিছিয়ে ফেলেছে।

    ২০১৪ সালে ১০০টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল, যার প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯.২৪ বিলিয়ন টাকা। এটি তিন বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত ছয়বার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, চলতি মেয়াদ ডিসেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পটি জুন ২০২৭ পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, খরচ বেড়ে হয়েছে ২৫.২৫ বিলিয়ন টাকা, যা মূল বরাদ্দের প্রায় ২.৭৩ গুণ।

    অন্যদিকে, ২০২০ সালে অনুমোদিত আরেকটি প্রকল্প, যা ২০২৪ সালের মধ্যে বাকি ৩৩৯ উপজেলার টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণের জন্য ২০৫.২৬ বিলিয়ন টাকার প্রস্তাব পেয়েছিল, তা অপ্রচলিত অবস্থায় আছে। গত সাড়ে পাঁচ বছরে মাত্র ১.০৬ বিলিয়ন টাকা খরচ হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের মাত্র ০.৫২ শতাংশ। বাস্তব কাজের অগ্রগতি প্রায় ৩ শতাংশ।

    প্রকল্পের অধীনে একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণ শুরু না হওয়ায়, বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। অনুমোদিত হলে, পাঁচ বছরের কাজ সম্পন্ন করতে প্রকল্পকে নয় বছর লাগবে। কর্মকর্তারা জানান, বিলম্বের মূল কারণ ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা। প্রকল্পে কয়েকটি ব্যয়বহুল উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যেমন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ছয় তলা মহিলা হোস্টেল ও প্রতিটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে একটি পুকুর খনন, যেখানে ইতিমধ্যেই গভীর নলকূপ ও পানি সরবরাহের পাইপলাইন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    প্রকল্প সূত্রে অভিযোগ, বারবার সংশোধন প্রয়োজন হয়েছিল কারণ একাধিক উপাদান একত্রিত করা হয়েছিল, যা আর্থিক অনিয়মের সুযোগ তৈরি করেছিল। ফলে বাস্তবায়ন আরও ধীরগতি পেয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন জানায়, দীর্ঘ বিলম্ব ও ব্যয়বৃদ্ধি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও নীতি বিশ্বাসযোগ্যতার বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন দক্ষতা প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি যুব বেকারত্ব মোকাবিলা ও শ্রমবাজারের চাহিদা মেটানোর জন্য অপরিহার্য।

    জাতীয় কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন নীতি ২০১১ অনুযায়ী, সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষার্থীর অংশ ৩ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে বৃদ্ধি করা এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন করে দক্ষতা প্রশিক্ষণে ভর্তি ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা। কিন্তু নীতির গ্রহণের এক দশক পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে অগ্রগতি খুবই সীমিত।

    সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৫) সংস্থা ও ক্ষমতা উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেছিল। তৎকালীন প্রকল্পে ১০০টি উপজেলা-স্তরের টেকনিক্যাল স্কুল এবং ৩৮৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণের অঙ্গীকার করা হয়েছিল। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০) অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় ভর্তি ১ শতাংশ থেকে ১৬.১ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা তখনই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।

    প্রকল্প বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০১৪ সালে অনুমোদিত ১০০ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ৯.২৪ বিলিয়ন টাকা (প্রতি প্রতিষ্ঠানে ৯২.৪ মিলিয়ন টাকা)। সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে ২৫.২৫ বিলিয়ন টাকা, অর্থাৎ প্রতি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজর খরচ ২৫২.৫৩ মিলিয়ন টাকা। অন্যদিকে, ৩২৯ টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণের পৃথক প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৫.২৬ বিলিয়ন টাকা, প্রতি প্রতিষ্ঠানে ৬২৩.৮৮ মিলিয়ন টাকা, যা প্রথম প্রকল্পের প্রাথমিক খরচের প্রায় ৬.৭৫ গুণ।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রকল্পের টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নির্মাণ শুরু হয়নি, তাই বাস্তবায়নকারী সংস্থা তিন বছরের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর প্রকল্প খরচ আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে।

    প্রকল্পে মহিলা হোস্টেল নির্মাণের খরচ ১০.৯৬ বিলিয়ন টাকা কমানো হবে, হোস্টেল ৬ তলা থেকে ৩ তলায় হ্রাস করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধের খরচ ২.৯৬ বিলিয়ন টাকা কমানো হবে। এছাড়া, গ্যাসলাইন, প্রহরী কক্ষ, গভীর নলকূপ, ভূগর্ভস্থ জলাধার ও ওভারহেড ট্যাঙ্ক নির্মাণ বাদ দেওয়া হবে। কর্মকর্তারা জানান, এই পদক্ষেপে প্রায় ৫ বিলিয়ন টাকা সাশ্রয় হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ দাবিতে সায়েন্সল্যাব অবরোধ

    January 14, 2026
    বাংলাদেশ

    সাবেক মন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রসহ আট দেশের ৩৩০টি ফ্ল্যাট ও বাড়ি জব্দের নির্দেশ

    January 14, 2026
    অপরাধ

    জোরপূর্বক গুমের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

    January 14, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.