Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Mon, Jan 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিল দিয়েও মিলছে না গ্যাস, চরম সংকটে গ্রাহকরা
    বাংলাদেশ

    বিল দিয়েও মিলছে না গ্যাস, চরম সংকটে গ্রাহকরা

    এফ. আর. ইমরানJanuary 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    শীতের শুরুতেই রাজধানীর অনেক ঘরে সরকারি পাইপলাইনের গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মাসের পর মাস বিল পরিশোধ করলেও গ্রাহকরা ন্যূনতম গ্যাস পাচ্ছেন না, অন্যদিকে এলপিজি সংকট ও দামের ঊর্ধ্বগতি তাদের আরো ভোগান্তিতে ফেলেছে। বহু পরিবার বাধ্য হয়ে মাটির চুলা বা ইলেকট্রিক চুলার ওপর নির্ভর করছেন।

    বর্তমানে বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত দুই চুলার পাইপলাইন গ্যাসের মাসিক বিল ১ হাজার ৮০ টাকা। সরকারি হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাস্তবে তা কিনতে হচ্ছে অন্তত ২ হাজার ২০০ টাকায়। একদিকে পাইপলাইন গ্যাসের ঘাটতি, অন্যদিকে এলপিজির বাড়তি দাম গ্রাহকদের দিশেহারা করে তুলেছে।

    মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া মাদ্রাসা রোডে বসবাসরত গৃহিণী পারভীন আক্তার জানান, তাদের বাসায় পাইপলাইন গ্যাসের সংযোগ থাকলেও শীত শুরু হওয়ার পর চুলায় গ্যাসের চাপ একেবারেই কমে গেছে। অনেক সময় সারাদিনই গ্যাস থাকে না। রাত ১২টার পর সামান্য গ্যাস এলেও তাতে ঠিকভাবে রান্না করা সম্ভব হয় না। বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে। এতে একদিকে সরকারি গ্যাসের বিল, অন্যদিকে এলপিজির অতিরিক্ত খরচ দুটোই বহন করতে হচ্ছে।

    মিরপুর এলাকার বেসরকারি চাকরিজীবী আসাদ আবেদীন বলেন, পাইপলাইনের গ্যাস সারাবছরই পর্যাপ্ত পাওয়া যায় না, শীতে তো একেবারেই থাকে না। অথচ নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। মাঝরাতে কিছুটা গ্যাস এলে তখনই রান্নার কাজ সেরে নিতে হয়। সেটাও যথেষ্ট নয়। বাধ্য হয়ে মাটির চুলা তৈরি করে তাতে রান্না করতে হচ্ছে।

    টঙ্গী এলাকায় বসবাসরত মোস্তফা পাটোয়ারী জানান, বাসার সরকারি গ্যাস লাইনে শীতকালে একেবারেই গ্যাস থাকে না। গ্রীষ্মে কিছুটা পাওয়া গেলেও এখন পরিস্থিতি আরো খারাপ। বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছিলেন, কিন্তু সেটিও এখন বাজারে মিলছে না। আর যে দামে বিক্রি হচ্ছে, তা তার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই বিকল্প হিসেবে মাটির চুলায় রান্না করছেন।

    দেশে বাজারে ৫ কোটি ৫০ লাখের মতো সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারই রিফিল হচ্ছে। বড় এলপিজি কোম্পানিগুলোর আমদানি বন্ধ থাকার কারণে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না
    এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি

    তবে ঢাকার অধিকাংশ বহুতল ভবনে মাটির চুলা ব্যবহার করার সুযোগ নেই। ফলে অনেকেই বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন চুলার দিকে ঝুঁকছেন। কোম্পানি ও মানভেদে বর্তমানে এসব চুলার দাম ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে।

    সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাস সংকট বাড়ায় ইন্ডাকশন চুলার বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে।

    এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট

    ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই দেশজুড়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) মিলছে না। সে সময় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি সিলিন্ডারের দাম ১,২৫৩ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে তা বিক্রি হতে থাকে ১,৮০০ টাকায়। জানুয়ারিতে সংকট আরো তীব্র হয়েছে। বর্তমানে সরকারিভাবে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১,৩০৬ টাকা হলেও বাস্তবে তা বিক্রি হচ্ছে ২,২০০ টাকায়।

    আন্তর্জাতিকভাবে এলপিজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। এলসি খোলা থাকলেও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় পণ্য আসতে পারছে না। এছাড়া বর্তমানে ইউরোপেও এলপিজির চাহিদা অনেকটা বেড়ে গেছে। ফলে সার্বিকভাবে বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়েছে
    লোয়াবের সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ

    এলপিজি সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে খাত সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করছেন, ২০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোর ওপর জ্বালানি সরবরাহ নিষেধাজ্ঞা আর দেশীয় পর্যায়ে এলসি খোলার জটিলতা। আমদানি বৃদ্ধির অনুমতি না পাওয়া ও বড় এলপিজি কোম্পানিগুলো ব্যবসা কমিয়ে দেওয়াও সংকট সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

    এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বাজারে ৫ কোটি ৫০ লাখের মতো সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারই রিফিল হচ্ছে। বড় এলপিজি কোম্পানিগুলোর আমদানি বন্ধ থাকার কারণে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

    দেশের এলপিজি অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে এলপিজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। এলসি খোলা থাকলেও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় পণ্য আসতে পারছে না। এছাড়া বর্তমানে ইউরোপেও এলপিজির চাহিদা অনেকটা বেড়ে গেছে। ফলে সার্বিকভাবে বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়েছে।

    তিন মাস আগে পেট্রোবাংলা দৈনিক ২,৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করলেও চলতি মাসে তা কমে এসেছে ২,৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এর মধ্যে ৮৩২ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ১,০০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি নয়। বাকি গ্যাস আসে দেশীয় খনি থেকে, তবে তার সরবরাহ ক্রমান্বয়েই কমছে। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশীয় কূপ থেকে সরবরাহ কমেছে ৪০ মিলিয়ন ঘনফুট
    পেট্রোবাংলা

    সরকারি গ্যাসের চিত্র

    রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সরকারি গ্যাস সরবরাহ করে তিতাস গ্যাস। প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদা অনুযায়ী তাদের দৈনিক প্রয়োজন ২,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস, কিন্তু তারা পাচ্ছে মাত্র ১,৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

    তিতাসের মূল সরবরাহদাতা পেট্রোবাংলার তথ্যেও সংকটের চিত্র স্পষ্ট। তিন মাস আগে পেট্রোবাংলা দৈনিক ২,৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করলেও চলতি মাসে তা কমে এসেছে ২,৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এর মধ্যে ৮৩২ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ১,০০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি নয়। বাকি গ্যাস আসে দেশীয় খনি থেকে, তবে তার সরবরাহ ক্রমান্বয়েই কমছে। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশীয় কূপ থেকে সরবরাহ কমেছে ৪০ মিলিয়ন ঘনফুট।

    সরকারি পাইপলাইনে গ্যাস না থাকাকে একটি ‘সিগন্যাল’ হিসেবে নেওয়া উচিত, যার মানে হলো ভবিষ্যতে সরকার আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে না। তাই এখনই গৃহস্থালি পর্যায়ের এলপিজি সরবরাহে সরকারকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি ঘরে এলপিজি পৌঁছে দেওয়াটা নিশ্চিত করতে হবে। পাইপলাইন গ্যাসের সমস্যা কবে সমাধান হবে, তা কেউ স্পষ্টভাবে বলতে পারছে না, কারণ সংকট আরো তীব্র হতে পারে। সরকারের উচিত দ্রুত একটি নীতি প্রণয়ন করা
    জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশীয় কূপ থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এবং এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর আর কোনও উপায় না থাকায় সংকট তৈরি হয়েছে। শীত মৌসুমে স্বাভাবিকভাবেই চাহিদা বেড়ে যায়, কিন্তু সরবরাহে ঘাটতি থাকায় সংকট আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সংকটের সমাধান কবে

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের এই সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। বিগত সরকার গ্যাসকূপ অনুসন্ধান ও খননে যথেষ্ট বিনিয়োগ না করে সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানির ওপর নির্ভর করেছিল। আমদানির ওপর নির্ভরতার কারণে জ্বালানি পণ্যের দাম বারবার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সার্বিকভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

    সম্প্রতি তুরাগ নদীর নিচের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত এবং গণভবনের সামনে গ্যাস লাইনের ভালভ ফেটে যাওয়ায় রাজধানীর গ্যাসের চাপ কমে সংকট দেখা দিয়েছিল। তবে দুর্ঘটনার বাইরে আরো কিছু কারণ রয়েছে। আমাদের গ্যাসকূপ থেকে উৎপাদন কমে গেছে। শীতকালে পাইপলাইনে জমে যাওয়ার কারণে চাপ কমে যায়। এছাড়া অবৈধ গ্যাস সংযোগ অনেক বেড়ে গেছে। এসব সংযোগ না থাকলে বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস পেত। গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। নতুন কূপ খনন করা হচ্ছে, বাপেক্স এখানে কাজ করছে। এছাড়া নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আমদানি বাড়িয়ে সরবরাহ বৃদ্ধি করা যায়। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
    পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) মো. রফিকুল ইসলাম

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর সমাধান না নেওয়ায় বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে।

    জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলেন, সরকার জানে যে দেশে গ্যাসের তীব্র সংকট রয়েছে। ফলে এলপিজির চাহিদা বাড়া স্বাভাবিক। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যারা আছেন, তাদের এই সংকট মোকাবিলার জন্য যথাযথ পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। নইলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো। এলপিজির স্টোরেজ তৈরি করা সহজ, সরকার চাইলে এটি করতে পারত, কারণ তারা আগেই জানত যে সংকট তৈরি হবে।

    তিনি বলেন, সরকারি পাইপলাইনে গ্যাস না থাকাকে একটি ‘সিগন্যাল’ হিসেবে নেওয়া উচিত, যার মানে হলো ভবিষ্যতে সরকার আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে না। তাই এখনই গৃহস্থালি পর্যায়ের এলপিজি সরবরাহে সরকারকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি ঘরে এলপিজি পৌঁছে দেওয়াটা নিশ্চিত করতে হবে। পাইপলাইন গ্যাসের সমস্যা কবে সমাধান হবে, তা কেউ স্পষ্টভাবে বলতে পারছে না, কারণ সংকট আরো তীব্র হতে পারে। সরকারের উচিত দ্রুত একটি নীতি প্রণয়ন করা।

    পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি তুরাগ নদীর নিচের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত এবং গণভবনের সামনে গ্যাস লাইনের ভালভ ফেটে যাওয়ায় রাজধানীর গ্যাসের চাপ কমে সংকট দেখা দিয়েছিল। তবে দুর্ঘটনার বাইরে আরো কিছু কারণ রয়েছে। আমাদের গ্যাসকূপ থেকে উৎপাদন কমে গেছে। শীতকালে পাইপলাইনে জমে যাওয়ার কারণে চাপ কমে যায়। এছাড়া অবৈধ গ্যাস সংযোগ অনেক বেড়ে গেছে। এসব সংযোগ না থাকলে বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস পেত।

    তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। নতুন কূপ খনন করা হচ্ছে, বাপেক্স এখানে কাজ করছে। এছাড়া নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আমদানি বাড়িয়ে সরবরাহ বৃদ্ধি করা যায়। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


    রাজধানীতে সরকারি পাইপলাইনের গ্যাস সংকট এবং এলপিজির তীব্র ঘাটতির কারণে বাসাবাড়িতে রান্না ও দৈনন্দিন জীবনকষ্টকর হয়ে উঠেছে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার পেছনে পাইপলাইন ক্ষতি, কম উৎপাদন ও অবৈধ সংযোগের সমস্যা রয়েছে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক এলপিজি সরবরাহ বিঘ্নের প্রভাবও পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও তৎপর উদ্যোগ ছাড়া সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়, তাই এখনই সরকারকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে হবে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    নতুন সরকারের সামনে পাহাড়সম অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    January 12, 2026
    বাংলাদেশ

    বিটিএমসির ৪৫ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ১২ লাখে বিক্রি

    January 12, 2026
    ব্যাংক

    আস্থায় ব্যাংকে আমানত বাড়ছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

    January 12, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.