Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Tue, Jan 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গ্যাস সংকটে বৈদ্যুতিক চুলা ও কুকারে ঝুঁকছে নগরবাসী
    বাংলাদেশ

    গ্যাস সংকটে বৈদ্যুতিক চুলা ও কুকারে ঝুঁকছে নগরবাসী

    এফ. আর. ইমরানJanuary 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাজধানী ঢাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সংকট ও এলপিজির দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকারের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। নিরুপায় হয়েই সাধারণ মানুষ এসব পণ্য কিনছেন। এতে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে যুক্ত হচ্ছে বাড়তি খরচের চাপ। একদিকে লাইনের গ্যাসের জন্য নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে, অন্যদিকে বৈদ্যুতিক চুলা বা রাইস কুকার ব্যবহারের ফলে তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল।

    ঢাকায় বেশ কিছুদিন ধরে লাইনের গ্যাসে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণত তীব্র শীতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় পাইপলাইনে তরল পদার্থ জমে গ্যাস প্রবাহের চাপ কমে যায়। এবার এর সঙ্গে তুরাগ নদের তলদেশে গ্যাস পাইপলাইনের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে এবং কোনো কোনো এলাকায় সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে রান্নার বিকল্প হিসেবে বাধ্য হয়েই বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকারের দিকে ঝুঁকছে সাধারণ মানুষ।

    গ্যাসের ভোগান্তি থেকে বাঁচতে সম্প্রতি ইলেকট্রিক চুলা কিনেছেন মগবাজারের সোলাইমান-সুমি দম্পতি। এই দম্পতি বলেন, ‘তাদের বাসায় লাইনের গ্যাসের পাশাপাশি এলপিজি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু শীত শুরু হওয়ার পর গভীর রাত ছাড়া লাইনের গ্যাস তেমন পাওয়া যাচ্ছে না। এলপিজি দিয়ে দিনের কাজ ঠিকঠাক চলে যাচ্ছিল। তবে এলপিজি শেষ হওয়ায় ৫-৭ দিন আগে তারা ১৩০০ টাকার গ্যাস কিনতে গিয়ে দেখেন দাম ২২০০ টাকা হয়ে গেছে। পরে তারা বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকায় একটি বৈদ্যুতিক চুলা কিনেছেন।’

    তাদের ভাষ্য, চুলা কিনতে এককালীন ৫ হাজার টাকা ব্যয়ের চেয়ে মাসে মাসে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল দেওয়াটা আরো বেশি কষ্টকর। সব রান্না বৈদ্যুতিক চুলায় করা হলে মাসে ৫০০-৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত বিল আসবে বলে বিক্রেতারা তাদের জানিয়েছেন। ফলে এখন থেকে এলপিজি ব্যবহার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই দম্পতি।

    dhakapost

    শুধু সোলাইমান-সুমি দম্পতি নন, গ্যাস সংকটে বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকারের দিকে ঝুঁকছেন তাদের মতো অনেকেই। মাসে মাসে লাইনের গ্যাসের বিল দেওয়ার পাশাপাশি এটি তাদের সংসারে বাড়তি খরচ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে।

    রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলিস্তানের ন্যাশনাল স্টেডিয়াম মার্কেট, কয়েকটি রিটেইল চেইন শপ এবং খিলগাঁও, মুগদা ও মানিকনগর এলাকার বেশ কয়েকটি খুচরা দোকান ঘুরে দেখেছেন এই প্রতিবেদক।

    বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সব ব্যবসায়ীরই বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকারের বিক্রি বেড়েছে। মহল্লার দোকানগুলোতে মাসে দুই-তিনটি বৈদ্যুতিক চুলা কিংবা রাইস কুকার বিক্রি করা যাদের জন্য কষ্টসাধ্য ছিল, তারাও এখন সপ্তাহে অন্তত দুই-তিনটি বিক্রি করতে পারছেন।

    বৈদ্যুতিক চুলার ধরন

    বাজারে ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড— এই দুই ধরনের বৈদ্যুতিক চুলা রয়েছে। এর মধ্যে ইনফ্রারেড চুলার চাহিদা বেশি। ইন্ডাকশন চুলায় সব ধরনের হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহার করা যায় না; কিন্তু ইনফ্রারেড চুলায় যেকোনো ধরনের হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহার করা যায়।

    বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ইন্ডাকশন চুলা সরাসরি তাপ তৈরি করে না; এটি তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ নীতিতে কাজ করে। চুলার ভেতরের তামার কয়েল বিদ্যুৎ প্রবাহে পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র সৃষ্টি করে। এতে পাত্রের তলদেশে ঘূর্ণি তড়িৎ প্রবাহ তৈরি হয়। ফলে তাপ সরাসরি পাত্রেই তৈরি হয় এবং চুলার কাঁচের উপরিভাগ তুলনামূলকভাবে কম গরম হয়।

    অন্যদিকে, ইনফ্রারেড চুলায় হ্যালোজেন বা ইনফ্রারেড হিটারের মতো শক্তিশালী হিটিং উপকরণ সরাসরি তাপ উৎপন্ন করে। এই উপকরণ গরম হয়ে ইনফ্রারেড বিকিরণ ছড়ায়, যা সূর্যের আলোর মতো পাত্রকে গরম করে। এটি মূলত পুরোনো ইলেকট্রিক কয়েল চুলার আধুনিক রূপ, যেখানে তাপ সরাসরি স্থানান্তরিত হয়। ফলে চুলা চালু হলে উপরিভাগের কাঁচের প্লেট লাল হয়ে যায় এবং সেখান থেকেই তাপ বিকিরণ ঘটে।

    dhakapost

    কারা উৎপাদন করছেন এবং কত দামে পাওয়া যায়

    বাংলাদেশে যেসব কোম্পানি হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য তৈরি করে, তাদের প্রায় সবারই বৈদ্যুতিক চুলা রয়েছে।

    বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ওয়ালটন, ভিশন, ভিগো, কিয়াম, গাজী, মিয়াকো, ফিলিপস প্রভৃতি ব্র্যান্ডের বৈদ্যুতিক চুলা বেশি বিক্রি হয়। এর বাইরে নোভা, প্রেস্টিজসহ বেশ কিছু অপরিচিত ও নন-ব্র্যান্ডের বৈদ্যুতিক চুলাও বাজারে পাওয়া যায়।

    বিক্রেতাদের ভাষ্য, সব ধরনের হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহার করা যায় বলে ইন্ডাকশন চুলার চেয়ে ইনফ্রারেড চুলার দাম কিছুটা বেশি। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইনফ্রারেড চুলা সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে ইন্ডাকশন চুলা সর্বনিম্ন ৩ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পরিচিত ব্র্যান্ডগুলোর চুলার দাম নন-ব্র্যান্ডের চেয়ে ৪০০-৫০০ টাকা বেশি থাকে। তবে চাহিদা বিবেচনায় এখন নন-ব্র্যান্ডের চুলাও পরিচিত ব্র্যান্ডের দামে বিক্রি করছেন অনেকে।

    বাড়ছে রাইস কুকারের বিক্রিও

    ঢাকায় বৈদ্যুতিক চুলার পাশাপাশি বাড়ছে রাইস কুকারের বিক্রিও। অনেকে বৈদ্যুতিক চুলার চেয়ে রাইস কুকার ব্যবহার তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন। ফলে সব ধরনের রান্নার সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও বিকল্প মাধ্যম হিসেবে রাইস কুকারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই।

    বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তিনটি সাইজের রাইস কুকার বেশি বিক্রি হয়। এসব কুকারের দাম সর্বনিম্ন ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অবশ্য ব্র্যান্ডের চেয়ে নন-ব্র্যান্ডের রাইস কুকার কিছুটা কম দামেই মিলছে। ব্র্যান্ডের রাইস কুকারের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাইজ ১.৮ লিটার (নন-স্টিক)। এই সাইজের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রাইস কুকারের দাম ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে এবং এর বিক্রয় হার সবচেয়ে বেশি।

    এছাড়া, ২.৮ লিটারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দাম ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা এবং ৩ লিটারের মাল্টিফাংশনাল বা ডিজিটাল মডেলের রাইস কুকার ৭ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    dhakapost

    গুলিস্তান ন্যাশনাল স্টেডিয়াম মার্কেটের ‘রাইয়ান ইলেকট্রনিক্স’-এর স্বত্বাধিকারী এনামুল হক বলেন, রাইস কুকারের বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে ছোট সাইজের রাইস কুকার বেশি বিক্রি হচ্ছে। প্রতিবছর শীতে বিক্রি কিছুটা বৃদ্ধি পায়, এ বছরও বেড়েছে।

    পাড়া-মহল্লায় কেমন বিক্রি হচ্ছে

    মানিকনগরের মুন্না হার্ডওয়্যারের বিক্রেতা সাত্তার মোল্লা বলেন, প্রতি মাসে দুই-তিনটি বৈদ্যুতিক চুলা বিক্রি করতে পারি। তবে, গত ১০ দিনেই ৭টি বিক্রি হয়েছে। গ্যাসের চাপ কম থাকলে বিক্রি বেড়ে যায়। সাধারণত শীতে বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকারের বিক্রি বাড়ে; গরমের সময়ে কোনো কোনো মাসে একটিও বিক্রি হয় না।

    মুগদার রিটেইল চেইন শপ ‘বেস্ট বাই’-এ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কেবল তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘ভিশন’-এর বৈদ্যুতিক চুলা বিক্রি হচ্ছে। শো-রুমের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন প্রতিদিন তাদের দুই-একটি বৈদ্যুতিক চুলা বিক্রি হচ্ছে। আগে যেখানে সপ্তাহে মাত্র এক-দুটি বিক্রি হতো, আবার কোনো কোনো সপ্তাহে একটিও বিক্রি হতো না।


    ঢাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সংকট এবং এলপিজির চড়া দামের কারণে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকার কিনছেন, যার ফলে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক খরচ বেড়েছে। শীতের সময়ে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ইনফ্রারেড ও ইন্ডাকশন চুলা, পাশাপাশি বিভিন্ন সাইজের রাইস কুকারের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশের ভীতি কেন বাড়ছে

    January 13, 2026
    আন্তর্জাতিক

    পাশ্চিমা চাপের নেপথ্যে যেভাবে ভেঙেছে ইরানের অর্থনীতি

    January 13, 2026
    বাংলাদেশ

    প্রতিবেদন পাওয়ার পর পে-স্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

    January 13, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.