Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sat, Jan 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাজারে এলপিজির তীব্র সংকট, দ্বিগুণ দামেও মিলছে না সিলিন্ডার
    বাংলাদেশ

    বাজারে এলপিজির তীব্র সংকট, দ্বিগুণ দামেও মিলছে না সিলিন্ডার

    এফ. আর. ইমরানJanuary 17, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    এলপিজি। ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে প্রতিবছর ১০ শতাংশের বেশি হারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা বাড়ে। তাই বাজারে সরবরাহ বাড়াতে হয়। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে আমদানি বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার টন।

    আর আগের বছরের তুলনায় গত বছর আমদানি কমেছে প্রায় দেড় লাখ টন। বছরের শেষ তিন মাসে আমদানি কমার হার ছিল বেশি। এতে এলপিজির বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

    গত তিন বছরে দেশে এলপিজি আমদানির এমন চিত্র দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটির দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, ২০২৩ সালে এলপিজি আমদানি হয় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টন। ২০২৪ সালে আসে ১৬ লাখ ১০ হাজার টন। আর গত বছর আসে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার টন। আমদানি বাড়ার কথা থাকলেও উল্টো ১০ শতাংশ কমেছে। এতে বছর শেষে যেটুকু মজুত থাকার কথা, তা–ও বাজারে বিক্রি করা হয়ে গেছে। এরপরও বাজারের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। দ্বিগুণ দামেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না ভোক্তা।

    এলপিজি সিলিন্ডার
    এলপিজি সিলিন্ডার। ছবি: প্রথম আলো

    বিইআরসি বলছে, দেশে এলপিজি ব্যবসার লাইসেন্স নিয়েছে ৫২টি কোম্পানি। এর মধ্যে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরতে ৩২টি কোম্পানির নিজস্ব প্ল্যান্ট আছে। আমদানি করার সক্ষমতা আছে ২৩টি কোম্পানির। গত বছর কোনো না কোনো মাসে আমদানি করেছে ১৭টি কোম্পানি। আর প্রতি মাসে আমদানি করেছে মাত্র ৮টি কোম্পানি। বছরের শুরুতে আমদানি করলেও শেষ দিকে কেউ কেউ আমদানি বন্ধ রাখে।

    বিইআরসির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, এলপিজির এ সংকট আরো আগেই বুঝতে পারার কথা ছিল। প্রতি মাসে আমদানি কমার এসব তথ্য সরকারের কাছে আছে। তাই যারা নিয়মিত আমদানি করে, তাদের আমদানি বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল। যথাসময়ে অনুমতি দিলে বর্তমানের এ সংকট তৈরি হতো না।

    বিইআরসি বলছে, এলপিজি আমদানি বাড়াতে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। ঋণপত্র (এলসি) খোলায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আমদানির অনুমতি বাড়িয়ে দিয়েছে বিইআরসি। ব্যবসায়ীরা আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। আমদানি বাড়লে সরবরাহ-সংকট কমে আসবে।

    বর্তমানে এলপিজির যে সংকট, তা সরবরাহজনিত সংকট বলে করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। এলপিজির বাজার নিয়ে গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বলেন, গত নভেম্বর পর্যন্ত ১৭০টি জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ছিল। ডিসেম্বরে আরো ২৯টি জাহাজ নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে। ইরান থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। চীনের মতো বড় ক্রেতারাও এখন বৈশ্বিক এলপিজি বাজার থেকে কিনছে। তাই এলপিজি কেনা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

    তবে চলমান এলপিজিপর সংকটের জন্য সরকারকে দায়ী করেন এলপিজি অপারেটর অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি আমিরুল হক। একই গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বলেন, লোয়াবের পাঁচ সদস্য কোম্পানি এক বছর আগে আমদানি বাড়াতে অনুমোদন চেয়েছিল। এক বছর পর চিঠির জবাবে মন্ত্রণালয় বলেছে, এটা নীতিমালা অনুমোদন করে না। এরপর আবার চিঠি দেওয়া হয়েছে গত আগস্টে। নতুন প্ল্যান্টের অনুমোদন চাইলেও দেয়নি।

    কয়েক দোকান খোঁজ নিয়ে একটি সিলিন্ডার পেয়েছেন। দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও দিতে হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা।
    —মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা তামান্না আখতার
    বাড়তি দামে এলপিজি, পাওয়া যাচ্ছে না সিলিন্ডার

    গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন গৃহিণীরা। কুমিল্লা নগরের অশোক তলা এলাকায়
    গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন গৃহিণীরা। কুমিল্লা নগরের অশোক তলা এলাকায়। ছবি: প্রথম আলো

    দুই সপ্তাহ পরও ঢাকায় এলপিজির সংকট কাটেনি। গ্যাস না পেয়ে অনেকেই বিদ্যুৎ–চালিত চুলা কিনে রান্না করছেন। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা তামান্না আখতার বলেন, কয়েক দোকান খোঁজ নিয়ে একটি সিলিন্ডার পেয়েছেন। দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও দিতে হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা।

    এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান বলেন, পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এখনো ৭০ শতাংশ সিলিন্ডার খালি পড়ে আছে। শিগগিরই সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে।

    চট্টগ্রামে কোথাও কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া গেলে বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। আগ্রাবাদের বাসিন্দা আরফাতুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনেছেন ২ হাজার টাকায়। তবে বেশির ভাগ এলাকায় সিলিন্ডারই পাওয়া যাচ্ছে না। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই সংকটে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

    দোকানিদের ভাষ্য, পরিবেশকেরা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার দিচ্ছে না। কোথাও দিনে যে কটি সিলিন্ডার আসে, তা ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়।

    চট্টগ্রাম শহরের আসকারদিঘীর পূর্ব পাড় এলাকার হোসাইন মঞ্জিলের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, তাঁদের ভবনে ২৪টি ফ্ল্যাট। লাইনের গ্যাস নেই, সবার ভরসা এলপিজি। প্রতিদিন তিন থেকে চারটি সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। এখন বাড়তি দাম দিয়েও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

    দুই নম্বর গেট এলাকার মেসার্স মোহাম্মদীয়া ট্রেডিংয়ের কর্ণধার মুহাম্মদ আলী আজম বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২০০ ক্রেতা তাঁর দোকানে আসেন। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ আসছে। গত এক সপ্তাহে মাত্র ১৫টি সিলিন্ডার পেয়েছেন।

    সীমিত আকারে পাওয়া গেলেও সিলিন্ডারপ্রতি ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে বরিশালে। শহরের নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. আল আমিন বলেন, ১ হাজার ৩০৬ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার ১ হাজার ৬০০ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে না। কলেজ অ্যাভিনিউ এলাকার খুচরা দোকানদার মনির হোসেন বলেন, ১ হাজার ৪০০ টাকায় কিনে ১ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। এক মাস ধরে অনেক কোম্পানির সরবরাহ নেই।

    রাজশাহী শহরের সাধুর মোড় এলাকার খুচরা গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী গ্যাস সার্ভিসের মালিক ইমরান আলী গত বৃহস্পতিবার বলেন, ভ্যানে করে খালি সিলিন্ডার নিয়ে বিভিন্ন পরিবেশকের দোকানে ঘুরেছেন। একটি সিলিন্ডারও পাননি।

    রাজশাহী শহরের রামচন্দ্রপুর এলাকার মোহন আলী নতুন কেরোসিনের চুলা কিনেছেন। তিনি বলেন, গ্যাস না থাকার কারণে কেরোসিন চুলাই এখন তাঁর ভরসা। রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সামিয়া শাহরিন বলেন, বিকল্প হিসেবে বিদ্যুৎ–চালিত চুলা কিনেছেন।


    দেশে এলপিজি আমদানি কমে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, ফলে বাজারে তীব্র সংকট ও দাম বেড়েছে। আমদানি অনুমোদনে দেরি, বৈশ্বিক বাজারের চাপ ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতায় ভোক্তারা দ্বিগুণ দামেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    সারা দেশে ৫৬ জন নির্বাচনি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করলেন ইইউ

    January 17, 2026
    বাংলাদেশ

    শীতের ভরা মৌসুমেও চড়া সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম

    January 17, 2026
    বাংলাদেশ

    এলডিসি উত্তরণ পর্যালোচনা: বাংলাদেশ সফর স্থগিত করল জাতিসংঘ প্রতিনিধিদল

    January 17, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.