নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে শপথ নিতে পারেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শেখ আব্দুর রশীদ জানান, দেশি ও বিদেশি এক হাজার অতিথিকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন অর্জন করে সরকার গঠন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনে জয়ী সংসদ সদস্যরা প্রথমে শপথ নেবেন। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দল তাদের সংসদ নেতা নির্বাচন করবে। নির্বাচিত সংসদ নেতা মন্ত্রিপরিষদ গঠন করে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেবেন। শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ভর করবে সংসদ নেতা এবং সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর।
সংসদ সদস্যদের গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। ২৯৭টি আসনে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচিতরা তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ করবেন। কর্মদিবস হিসেবে ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
শেখ আব্দুর রশীদ জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ হলে দলগুলো তাদের সংসদ নেতা নির্বাচন করবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে জানান যে তিনি আস্থাভাজন। এরপর রাষ্ট্রপতি নিয়ম অনুযায়ী তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন।
নির্বাচিত সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর সুবিধাজনক সময়ে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। আশা করা হচ্ছে, আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে।

