ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা শপথ নেবেন। নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে—কে হতে চলেছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?
দলীয় আলোচনায় উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খান। এর মধ্যে ফখরুল ও মোশাররফের নাম সবচেয়ে জোরালো শোনা যাচ্ছে।
বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পদত্যাগ করতে পারেন—এমন আলোচনা রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন এবং সংবিধান অনুযায়ী মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত।
ডিসেম্বর মাসে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির প্রতিকৃতি হঠাৎ এক রাতে সরিয়ে দেওয়ায় অপমানিত বোধ করেছেন। তবে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ফখরুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে রয়েছেন। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, পরে মহাসচিব হিসেবে দলীয় নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত এবং দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য। নীরব ও কম বিতর্কিত প্রোফাইলের নেতা হিসেবে পরিচিত।
নজরুল ইসলাম খান দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক। তবে তাকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে রাখার প্রস্তাবও রয়েছে।
আব্দুল মঈন খান একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্বে আছেন।
মন্ত্রিপরিষদ শপথের পরই রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হতে পারে।

