সিঙ্গাপুর থেকে আনা ৩১ হাজার টনের বেশি পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে ট্যাংকার জাহাজ ‘গ্রান কুভা’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজটি বর্তমানে বহির্নোঙরে অবস্থান করছে এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে আজ বৃহস্পতিবার রাতেই ডলফিন জেটিতে ভিড়ার কথা রয়েছে।
বন্দর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাহাজটিতে মোট ৩১ হাজার ২০৩ টন ডিজেল রয়েছে। চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আরও বড় চালান আসার পরিকল্পনা রয়েছে। ৩১ মার্চের মধ্যে মোট ৮০ থেকে ৮২ হাজার টন ডিজেল দেশে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে তিনটি চালানের পাশাপাশি ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি (এনআরএল) থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫ থেকে ৭ হাজার টন ডিজেল দেশে আসবে।
এদিকে, মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের আরেকটি জাহাজ ৩১ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পানামার পতাকাবাহী এই জাহাজটি এলে জ্বালানি মজুদ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে পড়ছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটাতে বন্দর কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিং ও খালাস কার্যক্রমে সহায়তা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি বড় চালান এসে পৌঁছেছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আরও একটি জাহাজ আসবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে।

