Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, এপ্রিল 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ডিজেল আমদানিতে অনিশ্চয়তার নতুন অধ্যায়
    বাণিজ্য

    ডিজেল আমদানিতে অনিশ্চয়তার নতুন অধ্যায়

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং দাম বাড়ার চাপ সব মিলিয়ে চাপে রয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    এর মধ্যেই সরকার স্পট মার্কেট থেকে ৭ লাখ টন ডিজেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে বাস্তবে সেই জ্বালানি হাতে পাওয়া নিয়ে এখনো রয়ে গেছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনুমোদনের পরও মূল জটিলতা তৈরি হয়েছে ‘পারফরম্যান্স গ্যারান্টি’ (পিজি) জমা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে। নিয়ম অনুযায়ী, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে আগে পিজি দিতে হয়, এরপরই চুক্তি ও এলসি খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু অধিকাংশ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এখনো পিজি জমা দেয়নি। ফলে জ্বালানি আমদানির পুরো প্রক্রিয়াই আটকে আছে।

    স্পট মার্কেটে কেনাকাটা, কিন্তু গতি নেই সরবরাহে:
    সরকার সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দ্রুত জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিলেও বাস্তবে তাতে কাঙ্ক্ষিত গতি আসেনি। বিপিসি ও জ্বালানি বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে অর্থবিভাগ অনুমোদন দিলেও প্রায় সোয়া আট লাখ টন জ্বালানি সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

    ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজেল ও অকটেন সরবরাহের জন্য ‘নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়েছে। তবে এর বিপরীতে কার্যকর অগ্রগতি সীমিত। ২৫ হাজার টন অকটেন সরবরাহের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান পিজি জমা দিলেও ডিজেলের ক্ষেত্রে এখনো কেউ এগিয়ে আসেনি।

    আন্তর্জাতিক সংঘাতের সরাসরি প্রভাব:
    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এবং পাল্টা উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বড় ধরনের বিঘ্নের মুখে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশেও।

    এই পরিস্থিতিতে দেশে সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় শুরু হয় জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত কেনাকাটা বা ‘প্যানিক বায়িং’। এতে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থা ধরে রাখতে বিপিসিকে বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে।

    বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন:
    স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কেনার ঘোষণার পর দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সরবরাহের প্রস্তাব দেয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি কোম্পানি ২ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দেয়। পাশাপাশি দুবাইভিত্তিক আরেকটি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন সরবরাহে আগ্রহ দেখায়।

    পরবর্তীতে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল কেনার অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ধাপে ধাপে মোট ৭ লাখ টনের বেশি ডিজেল ও অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    তবে অনুমোদনের পর বাস্তব চিত্র ভিন্ন। নির্ধারিত সময় পার হলেও ডিজেল সরবরাহের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান পিজি জমা দেয়নি। শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অকটেন সরবরাহের জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এখনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি।

    পিজি জটিলতায় থমকে আছে আমদানি:
    বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, পিজি ছাড়া চুক্তি করা সম্ভব নয়। আর চুক্তি ছাড়া এলসি খোলা যায় না। ফলে জ্বালানি আমদানির পুরো প্রক্রিয়াই অনিশ্চয়তায় আটকে আছে।

    একাধিক কর্মকর্তা মনে করছেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের সময়ে কঠোর নিয়ম কিছুটা শিথিল না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তাদের মতে, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় বিকল্প উপায়ে দ্রুত জ্বালানি আনার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

    এপ্রিলের আমদানি লক্ষ্য:
    চলতি এপ্রিল মাসে বিপিসি ৩ লাখ ২৩ হাজার টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৭৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। নিয়মিত সরবরাহকারীদের পাশাপাশি স্পট মার্কেট থেকেও দ্রুত জ্বালানি আনার চেষ্টা চলছে।

    ইতোমধ্যে কিছু সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে। মার্চ মাসে একটি রিফাইনারি থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল পাওয়া গেছে। এছাড়া একাধিক পার্সেলের প্রতিশ্রুতি মিলেছে, যার মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।

    সব মিলিয়ে অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতা, সরবরাহকারীদের অনীহা এবং প্রক্রিয়াগত জটিলতা এই তিনের সমন্বয়ে পরিস্থিতি অনিশ্চিত রয়ে গেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জ্বালানি সরবরাহে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    রেমিট্যান্স প্রবাহ সচল রাখতে বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজছে বাংলাদেশ

    এপ্রিল 4, 2026
    বাণিজ্য

    বৈশ্বিক সংকটের ছাপ পড়ছে রপ্তানি আয়ে

    এপ্রিল 4, 2026
    বাণিজ্য

    রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি বেড়েছে ৯০ শতাংশ

    এপ্রিল 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.