দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের বকেয়া অর্থ আদায় এবং বাজারে অস্বচ্ছতা দূর করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব দ্রুত আদায় এবং জ্বালানি খাতে কথিত সিন্ডিকেট ভেঙে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানানো হয়।
আজ রবিবার (২৯ মার্চ) মানবাধিকার সংগঠন ‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’-এর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার এই নোটিশ পাঠান।
নোটিশটি পাঠানো হয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পেট্রোবাংলা, যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ইস্টার্ন রিফাইনারি, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সংশ্লিষ্টদেরও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে কিছু অসাধু গোষ্ঠী মজুতদারি ও কালোবাজারির মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি রোধে ‘বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪’-এর আওতায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি আমদানি ও বিতরণ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের একক নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে, যাতে বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।

