Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দুদক ও মানবাধিকার কমিশন—নির্ভরতার আশা শেষ
    আইন আদালত

    দুদক ও মানবাধিকার কমিশন—নির্ভরতার আশা শেষ

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা চারটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে উত্থাপিত না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মানবাধিকার কমিশন আগের আইনের আওতায় কাজ চালাবে। এর মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় মানবাধিকার কমিশন গুম সম্পর্কিত কোনো তদন্ত করতে পারবে না। পাশাপাশি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ সংশোধন ও উত্থাপনের প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা সীমিত হবে।

    বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিশেষ কমিটিতে এসব অধ্যাদেশ বাতিল বা সংশোধনের নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে ভিন্নমত জানিয়েছেন সরকারদলীয় এমপি ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরও। তিনি চারটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তার মতামত বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনভুক্ত হয়নি।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যাচাইয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে গত ১২ মার্চ ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির ১১ জন বিএনপির সদস্য। গত বৃহস্পতিবার এই কমিটি পুলিশ কমিশনসহ ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন এবং ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপন না করার সুপারিশ করেছে। ফলে ১১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে এই অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে।

    দুদকের ক্ষমতা সীমিত হবে:

    এ সিদ্ধান্তের ফলে দুদক আবার ২০০৪ সালের আইনের আওতায় চলে যাবে। সংবিধিবদ্ধ এই প্রতিষ্ঠান সরাসরি এজাহার দায়ের বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া মামলা করতে পারবে না। এছাড়া বিদেশে থাকা অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের ক্ষমতা হারাবে। চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের বাছাই কমিটিতেও সরকারি প্রভাব বাড়বে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। ২০০৯ সালের আইন বাতিল হয়েছিল। অধ্যাদেশ বাতিল হলে ২০০৯ সালের আইন পুনর্বহাল হবে। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা মানবাধিকার কমিশনের থাকবে না। কমিশন কেবল সুপারিশ করতে পারবে।

    গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে মানবাধিকার কমিশনকে গুমের অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় এই ক্ষমতাও চলে যাচ্ছে। অধ্যাদেশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিধানও আর থাকবে না।

    সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “সরকার কেন দুদক, মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার আইন বাতিল করছে, তা বোধগম্য নয়। এই অধ্যাদেশ না থাকলে প্রতিষ্ঠানগুলো আবার সরকারের অধীনে চলে যাবে।”

    সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, অধ্যাদেশগুলো বাতিল হচ্ছে না, পরবর্তীতে আরও শক্তিশালী করে সংসদে উত্থাপন করা হবে। তবে ১১ এপ্রিলের পর কবে কোন অধিবেশনে বিল উত্থাপন হবে তা এখনও নির্ধারিত নয়।

    পুলিশের নিয়োগ ক্ষমতা সীমিত:

    পুলিশের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জুলাই জাতীয় সনদে ‘স্বাধীন পুলিশ কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব থাকলেও, বিশেষ কমিটি কমিশনের ক্ষমতা সীমিত করার সুপারিশ করেছে। কমিশন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত বা সুপারিশ করতে পারলেও নিয়োগে সুপারিশ গ্রহণের ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকবে।

    সরকারি দলের এমপি নওশাদ জমির বলেছেন, মানবাধিকার কমিশন কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা উচিত নয়। তার মতে, বেশি সরকারি প্রতিনিধি থাকলে কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তারে সরকারের অনুমতির বিধানও তিনি সমর্থন করেননি।

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি:

    ২০০৪ সালের আইনের আওতায় ফিরলে দুদক ‘নখদন্তহীন’ অবস্থায় আসবে। ২০১৩ সালে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে অনুমতি প্রয়োজন করা হয়েছিল। ২০১৪ সালে হাইকোর্ট এটি বাতিল করলেও, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে অনুমতি ছাড়াই মামলা দায়েরের সুযোগ দিয়েছিল। অধ্যাদেশ বাতিল হলে আবার ৩২(ক) ধারার বিধান ফিরে আসবে।

    মানবাধিকার কমিশনও আবার ক্ষমতাহীন হয়ে যাবে। ২০০৯ সালের আইনের মতো সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তদন্ত ক্ষমতা থাকবে না। কমিশন কেবল সুপারিশ করতে পারবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    এপ্রিল 5, 2026
    আইন আদালত

    সবুজ অপরাধবিদ্যা—প্রকৃতি রক্ষায় আইন ও নৈতিকতা

    এপ্রিল 4, 2026
    আইন আদালত

    বাতিলের পথে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় অধ্যাদেশ

    এপ্রিল 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.