জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে দেওয়া দণ্ড বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২৮ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক বেঞ্চে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ের মাধ্যমে হাইকোর্ট ডা. জুবাইদা রহমানের তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে সম্পূর্ণভাবে খালাস দেন। একই সঙ্গে তার স্বামী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলার দুই ধারায় ছয় ও তিন বছর করে মোট নয় বছরের কারাদণ্ডও বাতিল করা হয়। হাইকোর্ট এই রায়ে তাদের উভয়কেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছেন।
এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান হাইকোর্টে আপিল করে তার বিরুদ্ধে দেওয়া দণ্ডাদেশ বাতিলের আবেদন করেন। সেই আপিলের শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।
এই মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। উল্লেখযোগ্য হলো, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তারেক রহমান, তার স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে। এরপর বিচারিক আদালত থেকে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষিত হয়। তবে সর্বশেষ হাইকোর্টের রায়ে সেই দণ্ড বাতিল হওয়ায় তারা এখন আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে খালাসপ্রাপ্ত।
এ রায়কে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও আইনি মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তবে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, এখন থেকে তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান এ মামলায় আর কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি নন।

