প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত রুলে জানতে চেয়েছেন, বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কেন বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে না।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও উপবৃত্তি বিভাগের পরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এই বিষয়ে হাইকোর্টে রিটটি করেন নরসিংদীর বাসিন্দা আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ২০২২ সাল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারতেন।
কিন্তু গত ১৭ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে দুটি সার্কুলার জারি হয়। এতে শুধু সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়। বেসরকারি কোনো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সেই সুযোগ রাখা হয়নি।
এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের পক্ষে আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন।

