Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জ্বালানি সংকটে বিশ্ব, দীর্ঘ প্রস্তুতির সুফল পাচ্ছে চীন
    আন্তর্জাতিক

    জ্বালানি সংকটে বিশ্ব, দীর্ঘ প্রস্তুতির সুফল পাচ্ছে চীন

    এফ. আর. ইমরানমার্চ 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    জ্বালানি সংকটে বিশ্ব, দীর্ঘ প্রস্তুতির সুফল পাচ্ছে চীন। ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের অনেক আগে থেকেই এর প্রস্তুতি নিচ্ছিল চীন। ২০২১ সালে দেশটির একটি বৃহত্তম তেলখনি পরিদর্শনের সময় প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বলেছিলেন, চীনকে তার জ্বালানি সরবরাহ ‘নিজের হাতেই’ সুরক্ষিত রাখতে হবে।

    আজ যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বিশ্ব বাণিজ্যকে স্থবির করে দিয়েছে, তখন সি চিনপিংয়ের এক দূরদর্শী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সুফল পাচ্ছে বেইজিং।

    ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো এখন হামলার মুখে। শিপিং অ্যানালিস্ট প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি ৬১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে এশিয়ার দেশগুলো বড় ধরনের সংকটে পড়েছে, কারণ ২০২৫ সালে তাদের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ৫৯ শতাংশই আসত এই অঞ্চল থেকে। জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো এখন জ্বালানি সাশ্রয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়া সত্ত্বেও চীন বর্তমানে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের গবেষক মিশেল মেইডান বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থায় শক্তিশালী ‘বাফার’ বা সুরক্ষা কবচ রয়েছে চীনের। আর সেটা হলো, তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বিশাল মজুত।

    কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, চীন প্রায় ১৪০ কোটি ব্যারেল তেলের এক বিশাল মজুতের ওপর বসে আছে।

    চীন সাধারণত তার প্রয়োজনীয় তেলের অর্ধেক মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। যদিও এটি একটি বড় অংশ, তবুও জাপানের মতো দেশগুলোর তুলনায় চীনের ঝুঁকি অনেক কম। কারণ জাপান তাদের তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।

    এদিকে, যুদ্ধ চললেও চীনকে তেল সরবরাহ বন্ধ করেনি ইরান। কেপলার-এর তথ্যমতে, ইরান থেকে চীনের তেল আমদানি খুব সামান্যই কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে প্রতিদিন ১৫ দশমিক ৭ লাখ ব্যারেল তেল এলেও মার্চে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৭ লাখ ব্যারেলে। এ ছাড়া চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো বিকল্প পথে তেল সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে চীনের একটি সুপারট্যাঙ্কার সৌদি আরবের তেল নিতে লোহিত সাগরের একটি বন্দরে গেছে এবং এপ্রিলে তা চীনে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।

    এ ছাড়া জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে চীন গত কয়েক বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মতে, চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সম্মিলিত বিক্রির চেয়েও বেশি ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি বিক্রি করে।

    এনার্জি থিংক ট্যাংক এম্বার-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চীনের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৩১ শতাংশই এসেছে বায়ু, সৌর এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে। এ ছাড়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বেইজিং তার দেশীয় শোধনাগারগুলোকে তেল রপ্তানি বন্ধের নির্দেশ দিয়ে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

    তবে সংকট যদি কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসে গড়ায়, তাহলে পরিস্থিতি চীনের জন্যও বেদনাদায়ক হতে পারে।

    অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের গবেষক মেইডান সতর্ক করে বলেছেন, চীনের কৌশলগত তেল মজুত (এসপিআর) অবমুক্ত করার প্রক্রিয়াটি এখন পর্যন্ত মাত্র একবার পরীক্ষা করা হয়েছে। যদি দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয় এবং তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়, তবেই বেইজিং এই মজুত ব্যবহারের পথে হাঁটবে।

    সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলো, যারা মূলত ইরানের তেলের ওপর নির্ভরশীল। যদিও তারা এখন রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে, তবুও শিল্প ও রাসায়নিক খাতে ব্যবহৃত এলএনজির উচ্চমূল্য বেইজিংয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সি চিনপিংয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী জ্বালানি নিরাপত্তা পুরোপুরি চীনের হাতে না থাকলেও, এই মহাবিপদে তারা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপকতা দেখাতে সক্ষম হচ্ছে।

    সূত্র: ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল শুরুর ঘোষণা ট্রাম্পের

    জুন 15, 2026
    আন্তর্জাতিক

    আমেরিকা-ইরান শান্তি চুক্তিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু পাকিস্তান

    জুন 15, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধ শেষ করার চুক্তিকে ইরানিরা স্বস্তি, সন্দেহ এবং অনিশ্চয়তার সাথে স্বাগত জানিয়েছে

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.