Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৯০ দিনের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে আসছে বানিজ্যিক আদালত
    আইন আদালত

    ৯০ দিনের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে আসছে বানিজ্যিক আদালত

    সিভি ডেস্কUpdated:অক্টোবর 17, 2025অক্টোবর 17, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    আদালত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে প্রথমবারের মতো বাণিজ্য-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রস্তাব ও আইনের খসড়া পাঠানো হয়েছে, যা নিয়ে বর্তমানে কাজ করছে আইন মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অচিরেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

    স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠাকে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির গতি বাড়াবে এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও স্বচ্ছ করবে।

    বর্তমানে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোনো নির্দিষ্ট আদালত নেই। সহকারী জজ থেকে জেলা জজ পর্যায়ের আদালত এসব মামলা নিষ্পত্তি করেন। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণসংক্রান্ত মামলা অর্থ ঋণ আদালতে নিষ্পত্তি হয়। বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিগত বিরোধের ক্ষেত্রে নির্ভর করতে হয় আন্তর্জাতিক সালিসি বা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সালিসি কেন্দ্রের ওপর। এছাড়া হাইকোর্টে রয়েছে অ্যাডমিরালটি ও কোম্পানি বেঞ্চ।

    তবে জেলা আদালতগুলোতে মামলা জটের কারণে ব্যবসায়িক বিরোধ নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুণ্ন হয় এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এসব কারণেই সরকার বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে।

    ভারত, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিক আদালত ইতিমধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করছে। ভারতে জেলা পর্যায় থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত রয়েছে বাণিজ্যিক আদালত। শ্রীলঙ্কায়ও হাইকোর্ট পর্যায়ে এমন আদালত চালু আছে।

    প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ গত ২৫ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা হলে ব্যবসা-বাণিজ্যসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে। এতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।

    গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট থেকে এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়।

    সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোয়াজ্জেম হোছাইন জানান, পৃথক বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা হলে তা বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে “নতুন যুগের সূচনা” করবে। দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে ও অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, বাণিজ্যিক আদালতের আওতায় থাকবে ব্যবসায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেন, আমদানি-রপ্তানি, বিমান ও নৌপরিবহন, নির্মাণ, ফ্র্যাঞ্চাইজ, প্রযুক্তি, ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট, বিমা, যৌথ উদ্যোগসহ আধুনিক বাণিজ্যের প্রায় সব খাত।

    এ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জেলা জজদের মধ্য থেকে বাণিজ্যিক আদালতের বিচারক নিয়োগ করা হবে। আপিল শুনানি হবে হাইকোর্টের নির্ধারিত বাণিজ্যিক বেঞ্চে। মামলা দায়েরের আগে মধ্যস্থতাকে বাধ্যতামূলক করা হবে এবং সমঝোতা সালিসি রায়ের মতোই কার্যকর হবে। চূড়ান্ত শুনানি ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে। আদালতের এখতিয়ার শুরু হবে ৫০ লাখ টাকা থেকে।

    বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনও গত জানুয়ারিতে বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত করার সুপারিশ করেছিল। কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন পক্ষ দ্রুত বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সংস্কারের তাগিদ দেয়। কমিশনের সদস্য তানিম হোসেইন শাওন বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের খসড়া নিয়ে কাজ চলছে, আশা করছি শিগগিরই এটি বাস্তবায়িত হবে।”

    বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্যসংক্রান্ত কিছু মামলা সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজ আদালতে নিষ্পত্তি হয়। বিশেষ আদালত হলে জেলা পর্যায়ে মামলা দ্রুত শেষ হবে, ফলে অন্যান্য আদালতের ওপর চাপও কমবে।

    আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম এই উদ্যোগকে “প্রশংসনীয়” বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বাণিজ্যিক লেনদেনসংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি বিনিয়োগ পরিবেশকে স্বচ্ছ করবে। তবে শুধু নতুন আদালত গঠন করলেই হবে না, সংশ্লিষ্ট পক্ষদেরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান কারাবন্দী ব্যারিস্টার সুমন, করলেন আবেদন

    এপ্রিল 12, 2026
    ব্যাংক

    আলী রেজা ইফতেখার: বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের এক শ্রেষ্ঠত্বের ধ্রুবতারা

    এপ্রিল 12, 2026
    আইন আদালত

    প্রাণী সুরক্ষায় আইনি নোটিশ—পদক্ষেপ না নিলে রিটের হুঁশিয়ারি

    এপ্রিল 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.