Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, এপ্রিল 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গুম অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি
    আইন আদালত

    গুম অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

    মনিরুজ্জামানডিসেম্বর 2, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাষ্ট্রপতি গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ শাস্তির বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন।

    গতকাল সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতেই আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটির গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেয়। অধ্যাদেশ অনুযায়ী জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। এ আইন অধীনে অপরাধ জামিন ও আপসযোগ্য নয়।

    অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার, আটক, অপহরণ বা স্বাধীনতা হরণ করার পর বিষয়টি অস্বীকার করেন অথবা ওই ব্যক্তির অবস্থান ও পরিস্থিতি গোপন রাখেন, ফলে ব্যক্তি আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হলে তা গুম বা শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। দায়ী ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

    যদি গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, অথবা পাঁচ বছর পরও তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তবে দায়ী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মুখোমুখি হবেন। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, যদি কেউ গুমের প্রমাণ ধ্বংস করেন বা গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন, ব্যবহার বা পরিচালনা করেন, তবে তার শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কমান্ডারদের জন্যও কঠোর বিধান রয়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যদি তারা অধস্তনদের এমন অপরাধের আদেশ, অনুমতি, প্ররোচনা দেন বা নিজেই অংশ নেন, তারা মূল অপরাধের জন্য একই দণ্ড ভোগ করবেন।

    ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহেলা বা অদক্ষতার কারণে অধস্তনরা অপরাধ করলে, দায় তাদেরকেও বহন করতে হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থতা হলেও তারা দণ্ডমুক্ত থাকবেন না। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা না হওয়া পর্যন্ত তার অবস্থান ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ গোপন রাখা যেতে পারে। পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেও বিচারের ব্যবস্থা করা যাবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির মহোৎসব—৫৬২ কোটি টাকার প্রকল্পে ২০০ কোটি আত্মসাৎ

    এপ্রিল 11, 2026
    আইন আদালত

    সিদ্ধান্তহীনতায় ১৩ অধ্যাদেশের পতন—কার্যকারিতা হারাল “গণভোট অধ্যাদেশ”

    এপ্রিল 11, 2026
    অর্থনীতি

    দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক ঋণই কি শেষ ভরসা হয়ে উঠছে?

    এপ্রিল 11, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.