দেশে জ্বালানি তেলের মারাত্মক সংকট চললেও কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যবসায়ী কৌশলে তেল মজুত করে অতিরিক্ত মুনাফা লুফে নিচ্ছেন। দোকান, বাসাবাড়ি, ধানের গুদাম, ভবনের ভূগর্ভ, মুদি দোকান, এমনকি গোয়ালঘরেও তারা পেট্রোল ও ডিজেল রাখছেন।
প্রশাসন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও কর্মকর্তাদের অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ তেল উদ্ধার করছে। অভিযানের ফলে জরিমানা করা হচ্ছে, কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। অবৈধ মজুত তেলের চিত্র দেখলে মনে হয় গোয়ালঘর, দোকান ও বাসাবাড়ি যেন তেলের ‘ডিপো’। সরকার তেলের পাম্পে নিরাপত্তা বাড়াতে এবং তেল পাচার রোধে বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করেছে। কোথাও কোথাও পুলিশও পাহারা দিচ্ছে।
গত শনিবারের পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ছিল। বিভিন্ন পাম্পে শত শত গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলেও তেল পাওয়া যাচ্ছিল না। পাবনা, কুড়িগ্রাম, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনায় হাজার হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ময়মনসিংহে পপি ট্রেডার্সের মাটির নিচের ট্যাংক থেকে ২৪ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তুলনামূলকভাবে দাম বেশি হওয়ায় এই তেল ভারতেও পাচারের শঙ্কা রয়েছে।
সরকার অবৈধ মজুত ও পাচার ঠেকাতে সব পেট্রোলপাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিযোগ ও তেলের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নাটোরের বড়াইগ্রামে তেল নেওয়ার সময় সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। জামালপুরে তেল না পাওয়ায় মোটরবাইকাররা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
জ্বালানি সচিব মো. মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে জনগণকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করার জন্য। তবে তেল মজুত করার প্রবণতা উদ্বেগের বিষয়। এই মজুতদারির সঙ্গে তেল বিতরণ কোম্পানি ও কিছু পাম্পমালিক জড়িত।
তিনি বলেন, “সরকার বিদেশ থেকে চাহিদা অনুযায়ী উচ্চমূল্যে তেল আমদানি করে জনগণকে সরবরাহ করছে। এখন কিছু ব্যবসায়ী বা ব্যক্তি মজুত করছে। এটি আমরা কোনোভাবেই বরদাশত করব না। সব জায়গায় অভিযান চালানো হবে। তেলের কোনো সংকট নেই। কিন্তু মজুতদারি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে।”
সাইফুল ইসলাম আরও জানান, ভারতে পাচার রোধে বিজিবি ও সীমান্তবর্তী জেলা প্রশাসক (ডিসি)দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেখানে-সেখানে তেল মজুত করলে যে কোনো সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এতে জীবন ও মালামালের বড় ক্ষতি হতে পারে। সরকার তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করেছে। আজ থেকে সব ডিপো সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত তেল বিক্রি করবে। এর আগে সকাল ৯টা থেকে তেল সরবরাহ হতো। নিরাপত্তা বাড়াতে ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ জানাচ্ছে, দেশের ডিপোগুলোতে পর্যাপ্ত তেলের মজুত আছে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প ও ডিলারদের দেওয়া হচ্ছে। সুতরাং তেলের কোনো সংকট হওয়ার কথা নয়। তবে মজুতদারি ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় সংকট প্রকট দেখাচ্ছে। অনেক মানুষ বাইকে ২-৩ লিটার জায়গায় ৭-৮ লিটার তেল ভরে রাখছে, গাড়ির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
জ্বালানি বিভাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল ক্রয় করার কোনো প্রয়োজন নেই। তেল দাহ্য পদার্থ, মজুত করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। অবৈধ তেলের মজুতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট কাজ করছে। তেলের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সরকার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল ক্রয় করে সরবরাহ নিশ্চিত করছে।
এদিকে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে নেমেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কৃত্রিম সংকট ও পাচার রোধে দেশের ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি সূত্র জানায়, ৯টি জেলার ১৯টি ডিপোতে অস্থায়ী বেইস ক্যাম্প স্থাপন করে দায়িত্ব পালন করছেন সদস্যরা। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রামে ২টি, রংপুরে ৩টি, রাজশাহীতে ৩টি, সিলেটে ২টি, মৌলভীবাজারে ৩টি, কুমিল্লায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১টি ও সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপোতে বিজিবি রয়েছে।
ডিপোগুলোতে নিয়মিত তদারকি, মজুত যাচাই এবং তেল উত্তোলন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় টহল ও তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। ট্রাক-লরি চলাচলও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কোনোভাবেই তেল পাচার না হয়।
রাজিবপুরে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে পেট্রোল উদ্ধার:
কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের দাঁতভাঙ্গা গ্রামে বিএনপি নেতা আবু জাহানের গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রোল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আবু জাহান ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি। তার ছেলে এরশাদুল হক ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা। শুক্রবার বিকালে অভিযান চালিয়ে গোয়ালঘর থেকে পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং আদালত নেতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অবৈধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে নেতার ভাই হারুন অর রশিদ জানান, মোটরসাইকেলের ব্যবহারের জন্য কিছু পেট্রোল রাখা হয়েছিল।
ফুলপুরে ভূগর্ভ থেকে বিপুল তেল উদ্ধার:
ময়মনসিংহের ফুলপুরে পপি ট্রেডার্স প্রতিষ্ঠানের মাটির নিচের ট্যাংক থেকে ১৯,৫০০ লিটার ডিজেল ও ৪,৫০০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম সীমা জানান, প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জব্দকৃত তেল পাম্পের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কেন্দুয়ায় ৮০০ লিটার পেট্রোল জব্দ:
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রামপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে ৮০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। জেলা প্রশাসনের প্রকাশ্যে পেট্রোল বিক্রি করা হয়। ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কুমিল্লায় খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রি:
কুমিল্লায় জ্বালানি তেলের সংকটের সুযোগ নিচ্ছে কালোবাজারি সিন্ডিকেট। জেলার বিভিন্ন মুদি দোকান ও পেট্রোলপাম্পে খোলা মার্কেটে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। মুরাদনগর, দেবিদ্বার ও চৌদ্দগ্রামসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির দায়ে দোকানিদের জরিমানা করা হয়েছে। চৌদ্দগ্রামের চিওড়া নতুন বাজারে আবু রায়হান জুয়েলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। গোপনে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, মুদি দোকানটি পেট্রোল বিক্রি করছিল ২০০–২১০ টাকা লিটারে এবং মাপে কম দিচ্ছিল।
একই সঙ্গে কুমিল্লার ৫টি ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। নগরীর তেলিকোনা এলাকার নুরুল হুদা ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জান্নাত, নাইমুল, রহমান ও ইস্টার্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও অভিযান চালানো হয়।
যশোরে ধানের গুদামে তেল মজুত:
যশোরের মনিরামপুরে ধান ব্যবসায়ী তবিবর রহমান ও পাশের ব্যবসায়ী গোবিন্দ দাসের ধানের গুদাম থেকে চারটি ড্রামে ৭০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। তেলের মধ্যে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন রয়েছে। তেল ফিলিং স্টেশনে বিক্রি করে টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
সিংড়ায় লরি থেকে ২ হাজার লিটার তেল উধাও:
নাটোরের সিংড়ায় রাতের আঁধারে একটি জ্বালানি লরি থেকে ২,০০০ লিটার পেট্রোল-ডিজেল উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটে। লরির ম্যানেজার আবু সাইদকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সুজানগরে দোকান থেকে পেট্রোল ও অকটেন জব্দ:
পাবনার সুজানগরের একটি দোকান থেকে ১,৯০৪ লিটার পেট্রোল ও ৫৪৫ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত জব্দ তেল মোটরসাইকেল প্রতি সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার নির্দেশ দিয়েছে।
নাটোরে তেল বিতর্কে সংঘর্ষ:
বড়াইগ্রামে ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার সময় বিরোধ সৃষ্টি হয়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। বনপাড়া বাইপাস এলাকার মদিনা ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষার পর সিরিয়াল নিয়ে কথাকাটাকাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
যমুনা অয়েল ডিলারের লাইসেন্স স্থগিত:
যমুনা অয়েলের ভৈরববাজার ডিপো থেকে ১৮,০০০ লিটার ডিজেল উত্তোলন করে, কিন্তু কৃষকদের না দিয়ে বিক্রি করা হয়। এজন্য ডিলারের লাইসেন্স আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে। অবৈধভাবে তেল মজুতকারীদের তথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবার ৬,০০০ লিটার ডিজেল জব্দের ঘটনা শহরে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
এদিকে বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নে তেল লিটারপ্রতি ৪০–৫০ টাকা বাড়তি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিপোগুলো ড্রাম ডিলারদের সরবরাহ দিচ্ছে না। তেলের এই ঘাটতি ব্যবসায়ীদের সুযোগ দিচ্ছে, তারা কালোবাজারি থেকে তেল সংগ্রহ করে বাড়তি দামে বিক্রি করছেন।
রংপুরের পীরগঞ্জ, তারাগঞ্জ, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলায় পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্প বন্ধ থাকায় পরিবহণচালক ও সাধারণ মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পায়নি। কেউ বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে বেশি দামে তেল কিনে চলাচল করছেন।
সিলেটে তেলের ডিপোগুলোতে নাশকতা ও সরবরাহ বিঘ্ন এড়াতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সিলেট ও মৌলভীবাজারসহ দেশের ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ ডিপোতে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে সদস্যরা টহল ও তদারকি করছেন। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
রাজশাহীতে ৪৪ পাম্পের অর্ধেক বন্ধ:
রাজশাহীতে তেলের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ৪৪টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি পাম্প বন্ধ। চালু থাকা পাম্পগুলোর তেলের মজুত প্রায় শেষের দিকে। ঘন্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পাওয়ায় গ্রাহকরা হতাশ। বিশেষ করে মোটরসাইকেলচালকদের ভিড় পরিস্থিতি আরও জটিল করছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু পাম্পে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নেত্রকোনায় ৫,৫০০ লিটার পেট্রোল জব্দ:
নেত্রকোনা সদর উপজেলার হাটখলা বাজারে মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ থেকে ৫,৫০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। লাইসেন্স ছাড়া অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির জন্য প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকবাল হোসেন অভিযান পরিচালনা করেন।
বীরগঞ্জে জেল-জরিমানা:
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শিবরামপুর ইউনিয়নের ধনগাঁও বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে জগদীশ কুমার রায়ের ছেলে পরিতোষ কুমার রায়ের বাড়ি থেকে ৩৮০ লিটার ডিজেল ও ৩৪ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উল্লাপাড়ায় তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ:
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দি ইস্টার্ন লিমিটেডের তেলপাম্পে মজুত থাকা তেল বিক্রি বন্ধ রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে লুকানো তেল উদ্ধার করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম আরিফ অভিযান পরিচালনা করেন।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অবৈধভাবে খোলাবাজারে জ্বালানি তেল ও এলপিজি বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুটি মিনি পাম্প মেশিন জব্দ করা হয়েছে। শনিবার উপজেলা সদর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় অতিরিক্ত দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে বুলবুল নামে এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার কলাদিয়া বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

