Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, এপ্রিল 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ভারতে বাংলাদেশি অর্থের অদৃশ্য প্রবাহ—বৈধ-অবৈধ পথে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা
    অপরাধ

    ভারতে বাংলাদেশি অর্থের অদৃশ্য প্রবাহ—বৈধ-অবৈধ পথে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা

    মনিরুজ্জামানমার্চ 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে শুধু বৈধ বাণিজ্য বা রেমিট্যান্সের মাধ্যমে নয়, বিভিন্ন অনিয়ন্ত্রিত পথে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ মুদ্রা চলে যাচ্ছে। চাকরির আয় থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স, ভ্রমণ ও চিকিৎসার খরচ, এমনকি বিলাসপণ্য, প্রসাধন সামগ্রী এবং কিছু নেশাজাতীয় পণ্যের চোরাচালানের মাধ্যমে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার ভারতে প্রবাহিত হচ্ছে।

    এই অবৈধ অর্থ পাচারের কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান থাকলেও, ধারণা করা হচ্ছে বৈধ লেনদেনের সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি অর্থ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত মুদ্রা স্থানান্তর দেশের অর্থনীতির জন্য নীরব কিন্তু গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিবছর দেশের রেমিট্যান্স আয়ের একটি অংশ সরাসরি ভারতে যাচ্ছে। তথ্য দেখায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশ থেকে ভারতে রেমিট্যান্স আকারে প্রায় পাঁচ কোটি ৫৫ লাখ ডলার গিয়েছিল। পরের বছর, ২০২১-২২ অর্থবছরে এই সংখ্যা কমে চার কোটি ৪০ লাখ ডলার ছিল। ২০২২-২৩ অর্থবছরে পুনরায় বৃদ্ধি পেয়ে ছয় কোটি ডলার পৌঁছায়। সাম্প্রতিক ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ কোটি ৫৬ লাখ ডলারে।

    নিয়ন্ত্রিত রেমিট্যান্সের পাশাপাশি এই অনিয়ন্ত্রিত অর্থ স্থানান্তর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তারা আরও বলছেন, নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ ছাড়া এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য সমস্যা হতে পারে।

    বাংলাদেশে বৈধ পথে বিদেশি কর্মীর নিয়োগ হলেও বাস্তবে তাদের অর্থ স্থানান্তরের পরিমাণ অনেক বেশি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চাকরির আয়ের ঘোষণা অনুযায়ী বেতন-ভাতার চেয়ে অনেক ভারতীয় নাগরিক কয়েকগুণ বেশি অর্থ পান, যা নানা মাধ্যমে ভারতে চলে যায়।

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৮,১৬১ জন ভারতীয় নাগরিককে নতুন কর্মানুমতি ইস্যু করা হয়েছে। একই সময়ে ১৩,৭৬৮টি বিদ্যমান কর্মানুমতির মেয়াদও বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে কর্মানুমতি ছাড়াও বহু ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশে বসবাস করছেন। পুলিশের বিশেষ অভিযানে এসব অবৈধ নাগরিক গ্রেপ্তার হওয়ার খবর মাঝে মাঝে প্রকাশ পায়।

    বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৫০ হাজার ভারতীয় নাগরিক বসবাস করছেন। এর মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া বা ভিসার শ্রেণি হালনাগাদ না করার কারণে অনেকে অবৈধ অবস্থায় রয়েছেন। ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে পুলিশের বিশেষ শাখা অবৈধ বিদেশি শনাক্ত ও অভিযান চালিয়ে ৬,০৯৭ জনকে চিহ্নিত করেছে। এদের মধ্যে ৩,৩৯৯ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

    বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ ও অনুমতি প্রদানের জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি রয়েছে। বিডার নির্বাহী সদস্য (ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন) কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহারুল হুদা। তিনি বলেন, “পৃথিবীর কোনো স্বাধীন সার্বভৌম দেশ চায় না তাদের দেশে বিদেশিরা কাজ করুক। আমাদের অবস্থানও ভিন্ন নয়। তবে বিশেষজ্ঞ লোকের অভাবের কারণে কিছু ক্ষেত্রে বিদেশি জনবলকে অনুমতি দিতে হয়। যথেষ্ট যাচাই-বাছাই করেই অনুমোদন দেওয়া হয়।”

    শাহারুল হুদা আরও জানান, বিদেশি কর্মীদের কর্মানুমতি সাধারণত এক বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে অনেক সময় ছয় মাসের অনুমতি দিয়ে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানকে বিকল্প দক্ষ জনবল তৈরির সময় দেওয়া হয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে নতুন কর্মানুমতি দিতে হয়।

    বিদেশি কর্মীদের ঘোষিত বেতনের চেয়ে বেশি বেতন দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়টি তদন্ত করতে পারে। আমাদের পক্ষে এটা যাচাই করা সম্ভব নয়।” বিদেশি কর্মীদের অতিরিক্ত অর্থ বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে যাওয়া দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ও অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে এটি দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি হিসেবে রয়ে যাবে।

    বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের আয়কর রিটার্ন অডিটে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এনবিআর সদস্য (কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত) মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, দেশীয় করদাতাদের পাশাপাশি যারা বিদেশি করদাতা আছেন, তাদেরও আয়ের তথ্য নিয়মিত অডিট করা হয়।

    বিদেশি আয়করদাতাদের বেশিরভাগই কর অঞ্চল-১১ তে রিটার্ন জমা দেন। এক উপ-কর কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বিদেশিদের রিটার্ন অডিট একটি সংবেদনশীল বিষয়। এর সঙ্গে জড়িত ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক। তাই এ কাজ করতে হয় খুবই সতর্কতার সঙ্গে। কোনো বিদেশি করদাতা যদি মনে করেন তিনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তখন সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে সরাসরি এনবিআরে ফোন আসে। ফলে অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে অডিট কার্যক্রম চালানো হয়।”

    বিদেশি কর্মীদের ঘোষিত বেতনের চেয়ে বেশি বেতন-ভাতার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রকৃতপক্ষে, অনেক বিদেশি কর্মী উল্টো অভিযোগ করেন যে তাদের কম বেতন দেওয়া হয়। তাই রিটার্নে তাঁরা কম বেতনের তথ্য উল্লেখ করেন। আমরা অবশ্য এগুলো মেনে নেই; কর ধার্য করা হয় ঘোষিত বেতন-ভাতার ওপর। যদি কেউ কম বেতন পেয়ে থাকেন, তবে বিডা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র দিতে হয়।”

    তবে সমস্যার মূল বিষয় হলো, কেউ যদি ঘোষিত বেতন-ভাতার চেয়ে বেশি অর্থ পান, সেটি খতিয়ে দেখার যথেষ্ট সক্ষমতা ও জনবল এনবিআরের নেই। ফলে ভারতসহ অন্যান্য বিদেশি কর্মীরা বাস্তবে যে পরিমাণ বেতন-ভাতা পান, তা রিটার্নে ধরা না পড়লেও এ ধরনের তথ্য এখনো যাচাই-বাছাইয়ের বাইরে রয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন রিপোর্ট ও সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, জিডিপি দিক থেকে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ অর্থনীতি, আর বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। অর্থনৈতিক ক্ষমতার দিক থেকে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও সুবিধা আদায়ে ভারত বেশ এগিয়ে আছে।

    বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী প্রধান এম মাসরুর রিয়াজ জানান, বিশ্বে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র অর্থনীতির প্রতিবেশীর মধ্যে কোন দেশ বেশি সুবিধা ভোগ করবে তার কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক মানদণ্ড নেই। এটি মূলত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে। তবে বাণিজ্যিক সুবিধার দিক থেকে ভারত তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে।”

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বৈধ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে ৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করে। বিপরীতে, বাংলাদেশ মাত্র দেড় মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ফলে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ভারসাম্যে বাংলাদেশ বড় ধরনের ঘাটতির মধ্যে রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, বিগত আওয়ামী লীগের সময় ভারতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চিকিৎসা সেবায় এক ধরনের ভারতমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। কলকাতা, মাদ্রাজ, দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে বাংলাদেশিদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। এছাড়া ভারতের ভিসা প্রাপ্তির জন্য ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করা হয়েছিল। এর ফলে বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারত ভ্রমণের প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের ভারতে ভ্রমণ ও খরচে ব্যবহৃত অর্থ প্রতিবছর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল চার কোটি ৪১ লাখ ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় সাত কোটি ৭২ লাখ ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় তিনগুণ বেড়ে ২০ কোটি ২৬ লাখ ডলারে পৌঁছায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই ব্যয় বেড়ে হয় ২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার।

    তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপড়েন তৈরি হয়। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর ভারতপলায়ন ও নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিসা কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারও এই পরিস্থিতিতে ভিসা কার্যক্রমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনে। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সীমিত বা স্থগিত হয়। এর প্রভাব পড়ে ভারত ভ্রমণে; ২০২৪-২৫ সালে ব্যয় ১০ কোটি ডলারে নেমে আসে।

    বাংলাদেশিদের ভারতে ভ্রমণ কলকাতা সহ কয়েকটি শহরের অর্থনীতিতে প্রাণচঞ্চল্য তৈরি করেছিল। হাসপাতাল, শপিংমল, হোটেল, রেস্তোরাঁ—সব জায়গা বাংলাদেশিদের পদচারণায় মুখর ছিল। তবে হাসিনা-পরবর্তী সময়ে ভ্রমণ ব্যহত হওয়ায় এই সব জায়গায় এখন অনেকটাই সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে।

    চিকিৎসা খাত বাংলাদেশ থেকে ভারতে অর্থ স্থানান্তরের একটি বড় মাধ্যম। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ নগদ রুপি বা ডলার বহন করেন না। সাধারণত একজন ব্যক্তি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার বহন করতে পারেন। যদি রোগীর সঙ্গে একজন অ্যাটেনডেন্টও যান, তাহলে দুজনে মিলে সর্বোচ্চ ২৪ হাজার ডলার নিতে পারেন। অর্থাৎ, ভারতে চিকিৎসা খাতে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হয়, তার অনেকটাই আনুষ্ঠানিক হিসাবের বাইরে থেকে যায়। এই ধরনের ভ্রমণ ও চিকিৎসা ব্যয় ভারতের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে এবং বাংলাদেশ থেকে অনিয়ন্ত্রিত অর্থ স্থানান্তরের একটি বড় চ্যানেল তৈরি করছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ও অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ চাপ পড়ে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন যুগ্ম পরিচালক জানান, চিকিৎসার জন্য যে কোনো বাংলাদেশি বছরে একবারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার পাঠাতে ব্যাংকের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। রোগীর চিকিৎসা বিলের বিপরীতে সরাসরি হাসপাতালের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়। চিকিৎসা খাতে অর্থপ্রেরণাকে মানবিক ও মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখা হয়। তবে পরবর্তীতে কয়েক দফায় অর্থ পাঠানো গেলেও প্রতিবার ১০ হাজার ডলারের বেশি হতে পারবে না। ব্যাংক সূত্র জানায়, এই সীমার বেশি আবেদন খুব কম পড়েছে।

    অন্যদিকে, চোরাই পথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে প্রসাধনী, পোশাকসহ বিভিন্ন বিলাসী পণ্য। উচ্চমূল্য ও শুল্ক আরোপের কারণে এ ধরনের পণ্যের বড় অংশ অবৈধভাবে বাজারে আসে। কাস্টমস কর্মকর্তা ও সীমান্ত রক্ষীদের যোগসাজশে নিয়মিতভাবে এসব পণ্য পাচার করা হয়। তবে এনবিআরের একজন সদস্য বলেন, “আগের তুলনায় কাস্টমস কর্মকর্তারা এখন অনেক বেশি পেশাদার ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে চোরাচালানের পরিমাণ কমেছে, তবে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়।”

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তরক্ষী সদস্যরা ৮ কিলোমিটার অন্তর নিয়োজিত থাকলেও সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়। সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিরা নানাভাবে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসে। এই পণ্যের বিনিময়মূল্য হিসেবে ডলার বা ভারতীয় রুপি ব্যবহার করা হয়।

    এছাড়া একটি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতের দিকে চোরাইপথে স্বর্ণও পাচার হয়। ভারত থেকে আসা মাদকদ্রব্যের বিনিময়মূল্য হিসাবেও সীমান্তের ওপারে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে যায়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    শিক্ষা

    স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা

    মার্চ 31, 2026
    অর্থনীতি

    জ্বালানি ঝুঁকি এড়াতে শিল্পখাত ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে

    মার্চ 31, 2026
    অপরাধ

    করোনা প্রকল্পে কোটি কোটি লুট: দুদকের অনুসন্ধানে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ১৩ জন

    মার্চ 31, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.