মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে প্রতারণা ঠেকাতে সাত দফা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সংসদে এ তথ্য জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সচেতন করাতেও জোর দেওয়া হচ্ছে।
সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশে এমএফএস ও অনলাইন ব্যাংকিং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে ব্যবহারকারীদের অসচেতনতা, পাসওয়ার্ড শেয়ার এবং সাইবার প্রতারণার নতুন কৌশলের কারণে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে নানা কার্যক্রম চালু করেছে এবং আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যে ৭ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
- একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একটি এমএফএস প্রতিষ্ঠানে একটি হিসাব চালুর সীমা নির্ধারণ
- গ্রাহকের মোবাইল নম্বর এনআইডির সঙ্গে মিলিয়ে যাচাইয়ে সমন্বিত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ
- পিন সুরক্ষা ও প্রতারণা বিষয়ে এসএমএস, ভয়েস ও গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা
- এমএফএস এজেন্টদের কার্যক্রমে নজরদারি বাড়ানো এবং সন্দেহজনক লেনদেনে ব্যবস্থা
- গ্রাহক অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যবস্থা জোরদার
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা
- সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটে পাঠিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ
এছাড়া অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নিরাপত্তা বাড়াতে সব ব্যাংকে দুই স্তরের যাচাইকরণ (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন) চালু রয়েছে, যা লেনদেনকে আরও সুরক্ষিত করছে। অর্থমন্ত্রী জানান, এসব সমন্বিত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনে প্রতারণা কমানো এবং গ্রাহকের আস্থা বাড়ানো সম্ভব হবে।

