Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজের ৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি
    অপরাধ

    বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজের ৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি

    ইভান মাহমুদজানুয়ারি 19, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজের ৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ নামের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ বিক্রি গোপন ও ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে যশোর ভ্যাট কমিশনারেট। চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় আলোকদিয়া এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির মাত্র এক বছরে প্রায় ৪৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করেছে, কিন্তু দাখিলপত্রে (ভ্যাট রিটার্ন) মাত্র ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বিক্রি দেখিয়েছে। অর্থাৎ এক বছরে বিক্রি কম দেখিয়েছে ৪০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। প্রতিমাসে গড়ে বিক্রি কম দেখিয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। গোপন করা বিক্রয়মূল্যের ওপর ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে প্রায় ৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

    প্রতিষ্ঠানটির মাত্র এক বছরে এত বিপুল পরিমাণ বিক্রি গোপন ও ভ্যাট ফাঁকিতে হতবাক ভ্যাট কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ফাঁকি উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি গোপন ও ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। একইসঙ্গে বিক্রি গোপন ও ভ্যাট ফাঁকি থেকে বাঁচতে কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। প্রথমবার ভ্যাট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ করেন। পরে কৌশলে ব্যবসায়ীদের ক্ষেপিয়ে তুলে ভ্যাট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কর্মকর্তারা।

    এনবিআর সূত্রমতে, বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বিক্রি গোপন করে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে আসছে, এমন গোপন সংবাদ পান যশোর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা। এই প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি উদ্ঘাটনে কমিশনারেট থেকে অতিরিক্ত কমিশনার রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে একটি প্রিভেন্টিভ টিম গঠন করা হয়। ওই টিম ৬ জানুয়ারি ১২টা ৪০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গার আলোকদিয়ায় অবস্থিত মেসার্স বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান টিমকে স্বাগত জানায়। টিমে থাকা ভ্যাট কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কর্মরতদের কাছে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন, বিক্রি ও ভ্যাটসংক্রান্ত দলিলাদি দেখতে চান। প্রতিষ্ঠান দলিলাদি দিলে তাতে প্রাথমিকভাবে কিছু অসংগতি ও ভ্যাট ফাঁকির আলামত পাওয়া যায়।

    পরে ভ্যাট কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তরিকুল ইসলাম পিনু নামে একজনের কম্পিউটার থেকে পৃথক তিনটি বিক্রি তথ্য পান। একটা ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত, আরেকটি ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত, অপরটি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে ‘লাস্ট ওয়ান ইয়ার সেলস রিপোর্ট অব বঙ্গ পিভিসি’ শিরোনামে ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত রিপোর্টটি সঠিক বলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান ও অন্য কর্মকর্তারা ভ্যাট কর্মকর্তাদের নিশ্চিত করেন। পরে হাফিজুর রহমান সেই রিপোর্টটিতে সই করেন। এছাড়া অন্য দুটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।

    সূত্র আরও জানায়, একই সময়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আহমেদের সঙ্গে কথা বলে ভ্যাট কর্মকর্তারা জানতে পারেন, সিপিআই ট্রেডিং নামীয় প্রতিষ্ঠানটি তারই। ভ্যাট কর্মকর্তাদের ধারণা, অপর একটি প্রতিষ্ঠান ডিপ স্যানিটারি ও একই মালিকের বা তারই আত্মীয়-স্বজন অন্য কারও হতে পারে। ফলে প্রকৃত ভ্যাট ফাঁকি উদ্ঘাটনের জন্য প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের সেলস রিপোর্ট, বিদ্যুৎ বিল, অ্যাকাউন্ট রিসিভেবল শিট, রেজিস্টার খাতা, ফিজিক্যাল স্টক, মূসক ৬.৩ এবং কম্পিউটার সিপিইউ প্রভৃতি জব্দ করে নিয়ে আসেন।

    জব্দ করা কাগজপত্র ও দলিলাদি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত (১২ মাসে) দাখিলপত্র (ভ্যাট রিটার্ন) মোট বিক্রয় দেখিয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ ১৭ হাজার ৮৭৪ টাকা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাইয়ে দেখা গেছে, এই ১২ মাসে প্রতিষ্ঠানটি মোট পণ্য বিক্রি করেছে ৪৩ কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ৯৮৩ টাকা। অর্থাৎ ১২ মাসে বিক্রি কম দেখিয়েছে ৪০ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার ১০৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে বিক্রি কম দেখিয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। তবে গোপন করা এই বিক্রির মধ্যে ভ্যাট বা মূসক আরোপযোগ্য বিক্রি করেছে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার ৫৩০ টাকা, যার ওপর ১৫ শতাংশ হারে প্রযোজ্য ভ্যাট বা মূসক ৫ কোটি ২৮ লাখ ১৯ হাজার ৫৭৯ টাকা, যা প্রতিষ্ঠানটি ফাঁকি দিয়েছে। অর্থাৎ ১২ মাসে এই ফাঁকি হলে প্রতিমাসে গড়ে ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা।

    যশোর ভ্যাট কমিশনারেট সূত্রমতে, বিক্রয় গোপন ও ভ্যাট ফাঁকি উদ্ঘাটনের বিষয়টি টের পেয়ে যান প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। এরপরই বিক্রয় গোপন ও ভ্যাট ফাঁকি থেকে বাঁচতে কূটকৌশল শুরু করেন। প্রথমে প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ‘লাঞ্ছিত ও ঘুষ দাবি’র অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। কৌশলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভ্যাট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করানো হয়। পরে ব্যবসায়ীদের ব্যানারে আবার মানববন্ধন করা হয়। সেখানে ব্যবসায়ীদের ভ্যাট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়।

    যশোর জেলার একাধিক ব্যবসায়ী ও ভ্যাট কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মালিক প্রতিষ্ঠানটি প্রায়ই বন্ধ ঘোষণা করেন। তবে যশোর ভ্যাট কমিশনারেটের কাছে গোপন সংবাদ ছিল যে, মালিক কৌশল করে প্রতিষ্ঠানটি রাতে চালু রাখেন এবং ভ্যাট ফাঁকির উদ্দেশ্যে রাতেই বিভিন্ন যানবাহনের (ভ্যান, ছোট পিকাপ ইত্যাদি) মাধ্যমে মূসক চালান ছাড়াই উৎপাদিত পণ্য শহরে অবস্থিত অন্য কোনো গোপনীয় গুদামে তা সংরক্ষণ করেন। পরবর্তী সময় ওই গুদাম থেকে পণ্য সরবরাহ করেন।

    সর্বশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে এই ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হয়েছে। ভ্যাট কর্মকর্তারা মালিক পক্ষের কারও সঙ্গে কোনো ধরনের ঘুষ দাবি ও অসদাচরণ করেননি। প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। এমনকি গত পাঁচ বছরের মধ্যে কোনোদিন এই প্রতিষ্ঠানে প্রিভেন্টিভ পরিচালনা করা হয়নি। কারণ কর্মকর্তারা যাওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠান কাগজপত্র সরিয়ে ফেলেন। আর গোপন গুদামে পণ্য সংরক্ষণ করে রাখেন।

    প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ভ্যাট ফাঁকি বিশাল বলে মনে করেন ভ্যাট কর্মকর্তারা। ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে ৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। একইসঙ্গে ১২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানকে দাবিনামা সংবলিত কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ‘ল ডক্টর’ কোচিং: পাসের গ্যারান্টির আড়ালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    ১৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পে উন্নয়নের আড়ালে অনিয়মের ছায়া

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি পুত্রকে মুচলেকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    জুন 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.