গত রোববার রাজধানীর গুলশানের এক হোটেলে এন্ট্রাপ্রেনিউর অরগানাইজেশন আয়োজিত নবম গ্লোবাল স্টুডেন্ট এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ অ্যাওয়ার্ড (জিএসইএ) অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য দেশে প্রতিনিধি দল পাঠাবে সরকার। বাংলাদেশিদের বিদেশে পাচার করা সম্পদ চিহ্নিত করে ফেরত আনার উদ্যোগের অংশ।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শুধু দল পাঠিয়ে কাজ হবে না। পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন। দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ পাচারের মামলা নিয়ে কাজ করছে।
তিনি জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে সব অর্থ ফিরিয়ে আনা হয়তো সম্ভব হবে না। ঠিক কবে নাগাদ এসব অর্থ ফিরিয়ে আনা হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে সালেহউদ্দিন বলেন, এখনই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা কঠিন।
সম্প্রতি প্রকাশিত অর্থনীতির ওপর শ্বেতপত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যার পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি টাকা। এই হিসাবে প্রতি বছর গড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অর্থ পাচারের পরিমাণ নিয়ে শ্বেতপত্রে একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। তারা কোথা থেকে এ তথ্য পেয়েছে, পরিষ্কার নয়। অবশ্যই দেশের বাইরে অর্থ পাচার হয়েছে। এখন সরকার প্রথমে কোথায় অর্থ স্থানান্তরিত হয়েছে, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে।

