Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ১.৭৭ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের মামলায় পুনরুদ্ধারের পরিমাণ ২০.২৫%
    অপরাধ

    ১.৭৭ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের মামলায় পুনরুদ্ধারের পরিমাণ ২০.২৫%

    ইভান মাহমুদজানুয়ারি 22, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ব্যাংক ঋণ খেলাপি সংস্কৃতি : সমাধান কি?
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ব্যাংকের পরিচালকদের যোগসাজশে সার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিয়ম নীতির ধার না ধরেই ঋণ বিতরণ করা হয়। ঐ সব ঋণ খেলাপি ফলে ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা। এছাড়া, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে জামানতের ওভারভেলুয়েশন ও গ্রাহকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়াও ঋণ খেলাপি হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, দেশের চার ধরনের আদালতের মাধ্যমে খেলাপিদের থেকে পাওনা আদায়ে মামলা করা হয়। এই আদালতগুলো হলো—অর্থঋণ আদালত, দেউলিয়া আদালত, সার্টিফিকেট আদালত ও জেলা পর্যায়ের অন্যান্য আদালত।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, দেশে বিভিন্ন আদালতের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১.৭৭ লাখ কোটি টাকার। এর মধ্যে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে মাত্র ৩৫,৭৮০ কোটি টাকা বা মোট পরিমাণের ২০.২৫ শতাংশ। খেলাপি গ্রাহকদের মামলার নিষ্পত্তির বিপরীতে সবচেয়ে কম আদায় হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর এসব আদালতের মাধ্যমে পাওনা ছিল ১.০৫ লাখ কোটি টাকা; এরমধ্যে তারা আদায় করেছে মাত্র ১৭.৪৬ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর চার ধরনের আদালতে খেলাপি ঋণের মামলা নিষ্পত্তির পরিমাণ ছিল ৬৫,০৫৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে আদায় হয়েছে ১৫,২৬৬ কোটি টাকা বা ২৩.৪৫ শতাংশ। এছাড়া, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের মামলা নিষ্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪,৭৩৮ কোটি টাকা, এরমধ্যে আদায় হয়েছে মাত্র ১,৭৭৫ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত দেশের চার ধরনের আদালতে বিচারাধীন মামলা রয়েছে ২.১৩ লাখ টি। এরমধ্যে ব্যাংকের পাওনা আটকে আছে ২.৬৯ লাখ কোটি টাকা। এরমধ্যে অর্থঋণ আদালতে মামলা রয়েছে ৬৭.৫ হাজারটি। এসব মামলার বিপরীতে ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ২.০৯ লাখ কোটি টাকা।

    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাওনা রয়েছে ৮৩,৪৮৭ কোটি টাকা, বেসরকারি ব্যাংকের ১.২০ লাখ কোটি টাকা, এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের ২,৪৭৮ কোটি টাকা। এছাড়া, দেওয়ানি আদালতে ব্যাংকগুলোর খেলাপি গ্রাহকদের বিপরীতে মামলা রয়েছে ৪২,১১৫টি। এসব মামলার বিপরীতে ব্যাংকগুলোর পাওনা রয়েছে ৫৮,১২৬ কোটি টাকা।

    এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ আটকে রয়েছে বেসরকারি ব্যাংকের ৪৭,৩৪৯ কোটি টাকা, এরপর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাওনা রয়েছে ৯,১৩১ কোটি টাকা। এছাড়া, সার্টিফিকেট আদালতে ব্যাংকগুলোর পাওনা রয়েছে ৪৩১ কোটি টাকা ও দেউলিয়া আদালতে রয়েছে ১,১৮৪ কোটি টাকা।

    ব্যাংকখাতের খেলাপি গ্রাহকদের যেসব ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, সেসব খেলাপি ঋণ ব্যাংক রাইট-আপের মাধ্যমে ব্যালেন্স শিটের বাহিরে রেখেছেন, এমন পরিমাণ হলো ৮০,৮৩৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের রয়েছে ২৩,৮৫২ কোটি টাকা, বেসরকারি ব্যাংকের ৫৫,১৪৩ কোটি টাকা ও বিশেষায়িত ব্যাংকের ১,৪৯৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে এনপিএল (নন-পারফর্মিং লোনস) ৭৩ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকায় পৌঁছায়, যা রেকর্ড বৃদ্ধি। সেপ্টেম্বরে মোট এনপিএল বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকায়। এটি দেশের মোট বকেয়া ঋণের (প্রায় ১৬.৮৩ লাখ কোটি টাকা) ১৭ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, অর্থঋণ আদালতে ব্যাপক অঙ্কের টাকার মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, কিন্তু আদায় হয়েছে খুবই কম। এর অন্যতম কারণ গ্রাহককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে জামানত (মটগেজ) রাখা হয়, তার অতিরিক্ত মূল্য ধরা। কিছুদিন পর অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যায় কিংবা মালিক মারা যায়, তখন ঋণ আর আদায়ের সুযোগ থাকে না। সে যেই মটগেজ রেখেছে, তা বিক্রি করেও দেখা গেছে নামমাত্র অর্থ আদায় হয়।

    “তবে এমন চিত্র ব্যাংকিং ব্যবস্থার দুর্বলতা ইঙ্গিত করে। ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভালো গ্রাহককে ঋণ দেয় না। যার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোগুলো কিছুদিন পর খেলাপি গ্রাহক হয়ে যায়,” যোগ করেন তিনি।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, অর্থঋণ আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হলেও অর্থ আদায় না হওয়ার কারণ হলো, বড় গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই না করা। ফলে মামলা নিষ্পত্তি হলেও ব্যাংক অর্থ আদায় করতে পারে না। আর এ সবই হচ্ছে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। মালিকপক্ষ এবং প্রভাবশালীরা চাপ প্রয়োগ করে ঋণ দিতে বাধ্য করেন, যা ব্যাংকখাতের জন্য একটি বড় সমস্যা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনেক ঋণ বস্তবতার কারণে নিষ্পত্তি করা হয়। কারণ গ্রাহক মারা যায় কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। তখন মামলা করে শুধুই ব্যাংকের খরচ।

    তিনি আরো বলেন, ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক যোগাসাজোশ থাকে। তারা ঋণের বিপরীতে যে জামানত নেয়, দেখা যায় তারা মূল্য ঋণের তুলনায় খুবই কম। এছাড়া, একই জামানত বারবার ভেলুঅ্যাডিশন করে অতিরিক্ত মূল্য দেখায়। যখন ঋণ খেলাপি হয়ে যায়, তখন আদায় করতে গিয়ে ঋণের আসলও আদায় করা যায়না।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ‘ল ডক্টর’ কোচিং: পাসের গ্যারান্টির আড়ালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    ১৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পে উন্নয়নের আড়ালে অনিয়মের ছায়া

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি পুত্রকে মুচলেকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    জুন 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.