Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৫৬০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ সাবেক আইজিপি শাহিদুলের বিরুদ্ধে
    অপরাধ

    ৫৬০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ সাবেক আইজিপি শাহিদুলের বিরুদ্ধে

    ইভান মাহমুদফেব্রুয়ারি 11, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ৫৬০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ সাবেক আইজিপি শাহিদুলের বিরুদ্ধে
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক ও তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের নিয়ন্ত্রাণাধীন ফাউন্ডেশনের নামে ৭২টি ব্যাংক হিসাবে ৫৬০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তাদের নামে বেশি দামে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ফ্লোর স্পেস ও ফ্ল্যাট থাকারও তথ্য মিলেছে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে একটি ফ্ল্যাট উপহারও পেয়েছেন তিনি। উপহারের ফ্ল্যাট একই ব্যাংকের কাছে ভাড়া দিয়ে নিয়েছেন বড় অংকের টাকা।

    আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) জানিয়েছে, শহিদুল হক তার ক্ষমতা ও পদ ব্যবহার করে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন, যা পরবর্তীতে তার পরিবারের সদস্য ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়। সরকারি চাকরিজীবীর পরিবারের সদস্যদের এমন লেনদেন অস্বাভাবিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

    এই বিষয়ে অধিক তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন সংস্থাটি। দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইজিপির দায়িত্ব পালন করা শহিদুল হক, তার স্ত্রী শামসুন্নাহার রহমান এবং তাদের তিন সন্তানের নামে ৭২টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন মজিদ-জরিনা ফাউন্ডেশনের একাধিক হিসাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    এসব হিসাবে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৫৬০ কোটি ২৮ লাখ টাকা জমা হয়(প্রায় ৫৩ মিলিয়ন ডলার), যার মধ্যে ৫৫০ কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মাত্র ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। এছাড়া, শহিদুল হকের একটি ঋণ হিসাবে মোট ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা জমা হলেও, তৎপরবর্তী সময়ে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়, ফলে হিসাবটি বর্তমানে ১১ লাখ টাকার বেশি ঋণাত্মক রয়েছে। তার স্ত্রী শামসুন্নাহার রহমানের দুটি বৈদেশিক মুদ্রার (RFCD) হিসাবে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা হয়, যার মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার ডলার তোলা হয়েছে।

    ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এক হিসাবে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা জমা করে শহিদুল হক একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন। এরপর নিয়মিত ভাড়া বাবদ বড় অঙ্কের অর্থ জমা হতে থাকে। এই ব্যাংক থেকেই তিনি ৪ হাজার ৫৭১ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট উপহার পান, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পরে, একই ফ্ল্যাট ব্যাংকের কাছেই ভাড়া দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আয় করেন।

    এছাড়া, পদ্মা ব্যাংকের এক হিসাবে তার নামে ১৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জমা হয়, যার মধ্যে ১৪ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে তুলে নেওয়া হয়েছে। অর্থ উত্তোলনের কাজে সানিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম ঢালি ও ইমরান ব্যাপারীসহ কয়েকজনকে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, মেসার্স ইরা বিল্ডার্স নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর করা হয়, যা শহিদুল হকের পরিবারের নিয়ন্ত্রণাধীন।

    শহিদুল হক ও তার স্ত্রীর নামে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৪,৫০০ বর্গফুট বাণিজ্যিক স্পেস রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

    এছাড়া, শহিদুল হকের বাবা-মায়ের নামে মজিদ-জরিনা ফাউন্ডেশন নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এক হিসাবে ফাউন্ডেশনের নামে ৭৫ কোটি টাকা জমা হয়েছে। অথচ, এটি শুধুমাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধিত।

    এই হিসাবের লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে বড় অঙ্কের অর্থ একসঙ্গে জমা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তা নগদ উত্তোলন করা হয়েছে বা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পর্কহীন বিভিন্ন সংস্থার কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে। এমনকি, এখান থেকে শহিদুল হকের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ইরা বিল্ডার্সের হিসাবেও অর্থ পাঠানো হয়েছে।

    বিএফআইইউ এই অর্থের উৎস ও লেনদেনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন দুদকে পাঠিয়েছে। সন্দেহজনক লেনদেন এবং অর্থপাচার সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী, শহিদুল হকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক।
    শহিদুল হক বর্তমানে ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

    ব্যাংক নথি অনুযায়ী, শহিদুল হকের অবসরোত্তর ব্যবসা সারস শিপিং লাইন থেকে তার মাসিক আয় মাত্র ৪ লাখ টাকা। তার স্ত্রী একজন নামমাত্র ব্যবসায়ী। এত সীমিত আয়ের পরও তার ও তার পরিবারের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা, বেশি দামে ফ্ল্যাট কেনা এবং উচ্চমূল্যে ব্যাংকের কাছে ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি বিএফআইইউ সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, একজন আইজিপির মাসিক আয় গড়ে এক লাখ টাকার মতো। সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় তিনি ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন না। তাই তার এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ ও লেনদেন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ‘ল ডক্টর’ কোচিং: পাসের গ্যারান্টির আড়ালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    ১৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পে উন্নয়নের আড়ালে অনিয়মের ছায়া

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি পুত্রকে মুচলেকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    জুন 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.