Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিমান টিকিটে মূল্য ৫০% বাড়ার মূলে সিন্ডিকেট
    অপরাধ

    বিমান টিকিটে মূল্য ৫০% বাড়ার মূলে সিন্ডিকেট

    ইভান মাহমুদফেব্রুয়ারি 19, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    বিমান টিকিটে মূল্য ৫০% বাড়ার মূলে সিন্ডিকেট
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    টিকিটের মূল্য ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কারণ নামবিহীন গ্রুপ সিট বুকিংয়ের মাধ্যমে মজুতদারি করায়। সিন্ডিকেটের কারণে টিকিটের প্রকৃত মূল্য যদি ১০০ টাকা হয় তা বেড়ে ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে।

    ফলে গ্রাহককে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে ওমরাহ যাত্রী, বিদেশগামী শ্রমিক, শিক্ষার্থী, প্রবাসী বা ভ্রমণকারীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) এক চিঠি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। যা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে, অর্থ উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    জানা গেছে, বর্তমানে ষাট হাজারেরও বেসি সিট এয়ারলাইন্সগুলো অবৈধভাবে ব্লক করে রেখেছে। যার ফলে সব রুটের টিকিট সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতে চলমান অন্যতম বড় সমস্যা এয়ার টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। যদিও আকাশপথের যাত্রীদের স্বার্থ সংরক্ষণে বিমান টিকিটের অস্বাভাবিক দামবৃদ্ধি রোধে ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

    আটাব সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ বলেন, সাদা কাগজে এই ধরনের একটা চিঠি দিয়ে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। এজন্য আইনের প্রয়োগ করতে হবে। যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। নয়তো সিন্ডিকেট যারা করছে তাদের থামানো যাবে না। তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়েই যাবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সমস্যায় পড়েছি, এখন সমাধানের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ হয়েছি। তারা এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে হয়তো।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, এয়ারলাইন্সগুলো নামবিহীন আসন গ্রুপ ব্লক ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এয়ার টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এবং এই প্রক্রিয়ায় মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তাই এই সিন্ডিকেট ভেঙে মূল্য বৃদ্ধি বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে অর্থ উপদেষ্টার কাছে।

    চিঠিতে আরো বলা হয়, এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে নামবিহীন আসন গ্রুপ ব্লক বন্ধ করা ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এয়ার টিকিটের কৃত্রিম সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি বন্ধ করা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সেক্টরে এয়ার ফেয়ারের সর্বোচ্চ সিলিং পুনর্নির্ধারণ করে যাত্রীদের জন্য সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

    জানা গেছে, মূলত মধ্যপ্রাচ্যগামী এয়ারলাইন্সগুলো অতিরিক্ত মুনাফার জন্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে রিয়াদ, দাম্মাম, জেদ্দা, ওমান, দোহা, কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন রুটের টিকিট সিট ব্লক করে রাখে। পরে তাদের পছন্দের ২০ থেকে ৩০টি এজেন্সির মাধ্যমে বাজারে টিকিট বিক্রয় করে।

    সূত্র জানায়, পবিত্র ওমরাহ, বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই ধরনের নামছাড়া ওপেন গ্রুপ সিট প্রচলিত আছে। এর ফলে মনোপলি মার্কেট তৈরি হচ্ছে এবং ব্যাপক দুর্নীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ছাড়া অনেক এয়ারলাইন্স তাদের জন্য নির্ধারিত ফ্লাইট স্লট ও ব্যবহার করছে না। তারা ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে চাহিদা যোগানের ভারসাম্য নষ্ট করেছে। যদিও চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সমন্বয় করা একান্ত জরুরি। যে কোনো সেক্টরের টিকিট ব্লক করলে তার সরাসরি প্রভাবে অন্যান্য সেক্টরের এয়ার টিকিটেরও মূল্যও বৃদ্ধি পায়।

    আটাব সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ জানিয়েছেন, এসব পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে এবং টিকিটের উচ্চমূল্যের কারণে ট্রাভেল এজেন্সিকে দায়ী করা হচ্ছে। এই সমস্যা নিয়ে আটাব চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি সাংবাদিক সম্মেলন করে সার্বিক অবস্থা গণমাধ্যমে তুলে ধরে এবং করণীয় বিষয়গুলো সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    আটাব বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর একটি সংগঠন। ১৯৭৬ সাল থেকে আটাব বাংলাদেশের সব বৈধ ও সরকার নিবন্ধিত প্রায় চার হাজার ট্রাভেল এজেন্ট সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সার্বিক কল্যাণে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের সুষ্ঠু উন্নয়নের জন্য সরকারের গৃহীত সব কার্যক্রম বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সাথে আটাব অংশীজন হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

    আটাবের দাবি হচ্ছে সিডিউল ফ্লাইট বৃদ্ধি করা, অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করা, দ্রুত অনুমোদন দেওয়া ও ওপেন স্কাই ঘোষণা করা যেন সব দেশের এয়ারলাইন্স যাত্রী পরিবহন করতে আগ্রহী হয়।

    নাম, পাসপোর্ট নাম্বার, ভিসা, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স ব্যতীত কোনো বুকিং করা যাবে না। সিট ব্লকের মাধ্যমে ফ্লাইটের ইনভেন্টরি ব্লক হয়ে যায়, যে কারণে মূল্য বাড়তে থাকে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সির কাছে প্রকৃত চাহিদা না থাকলেও এয়ারলাইন্সের কাছে দুই লাইনের একটি ইমেইল করে কৃত্রিম ডিমান্ডের তৈরি করে।

    কৃত্রিম ডিমান্ডের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে এয়ারলাইন্সের এই পলিসির কারণে। ট্রাভেল এজেন্সিরা তার কাছে ডিমান্ড না থাকা সত্ত্বেও পণ্য মজুদ করার মতো এয়ার টিকেট মজুত করছে। এটা বন্ধ করতে হবে এবং বর্তমানে ৬০ হাজারেরও অধিক সিট এয়ারলাইন্সগুলো ব্লক করে রেখেছে। এই সিটগুলো এখনই ওপেন করে দিলে উদ্ভূত সংকট দূর হয়ে যাবে।

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালযয়ের ১০টি নির্দেশনা হলো- শিগগির গ্রুপ-টিকিট বুকিংসহ যেকোনো প্রকার টিকিট বুকিংয়ের সময় ভ্রমণেচ্ছু যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর ও পাসপোর্টের ফটোকপিসহ বুকিং সম্পন্ন করতে হবে। বুকিং দেওয়ার তিন দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর নামে টিকিট ইস্যু না হলে ওই তিন দিন বা ৭২ ঘণ্টা উত্তীর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এয়ারলাইন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই টিকিট বাতিল করবে।

    এই পরিপত্র জারির তারিখ পর্যন্ত এয়ারলাইন্স/ট্রাভেল এজেন্সিকে গ্রুপ-বুকিংয়ের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ব্লক করা টিকিট আগামী সাত দিনের মধ্যে ভ্রমণেচ্ছু যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর এবং পাসপোর্টের কপিসহ বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স এমন টিকিট স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বাতিল করবে।

    গ্রুপ-বুকিংয়ের ক্ষেত্রে বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে টিকিটের প্রকৃত বিক্রিমূল্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে এবং মন্ত্রণালয় তা জনগণের অবগতির জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে। সব ধরনের এয়ার টিকিট অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিক্রি করা টিকিটের দাম অনলাইনে এবং টিকিটের গায়ে প্রদর্শিত থাকতে হবে।

    এয়ারলাইন্স এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলো আবশ্যিকভাবে বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, ১৯৮৪-এর বিধি ২৮৯-এ বর্ণিত বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী যথাযথভাবে ট্যারিফ ফিলিংয়ের নিয়ম মানবে এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) অনুমোদিত ট্যারিফ বেবিচকের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।

    এয়ারলাইন্স কিংবা ট্রাভেল এজেন্সি সংশ্লিষ্ট বিমানসংস্থার বেবিচক বরাবর দাখিল করা ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়ায় টিকিট বিক্রি করা থেকে বিরত থাকবে। একই সঙ্গে ট্রাভেল এজেন্সি বাধ্যতামূলকভাবে যাত্রীকে এয়ারলাইন্স থেকে প্রাপ্ত মূল্য সংবলিত টিকিট প্রদান এবং ওই টিকিট বিক্রির রসিদ দেবে।

    চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও কিংবা চাহিদার অতিরিক্ত টিকিট মজুত করে অন্য এজেন্টের মাধ্যমে এয়ার টিকিট বিক্রির কারণে টিকিটের দাম বাড়লে বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি-১৫ অনুযায়ী মূল ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ স্থগিত বা বাতিল করা হবে।

    বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্স এবং ট্রাভেল এজেন্সি ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে বিদেশগামী শ্রমিক বা কর্মীদের জন্য বিশেষ বিমানভাড়ার ব্যবস্থা করবে।

    মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়াসহ প্রবাসী কর্মীদের টিকিট ভাড়া কমানোর জন্য আগামী সাত দিনের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সব এয়ারলাইন্স ও বোর্ড অব এয়ারলাইন্স রিপ্রেজেন্টেটিভস (বিএআর) পদক্ষেপ নেবে। বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী অনিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট বিক্রি বন্ধ করতে হবে।

    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতে চলমান অন্যতম বড় সমস্যা এয়ার টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি। এই মূল্য বৃদ্ধির নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ নামবিহীন গ্রুপ টিকিট বুকিং। বিভিন্ন এজেন্সি চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও যাত্রীদের কোনোপ্রকার পাসপোর্ট, ভিসা, ভ্রমণ নথিপত্র এবং প্রবাসগামী শ্রমিকদের বৈদেশিক ওয়ার্ক পারমিট, এমনকি যাত্রী তালিকা ছাড়াই শুধু ই-মেইলের মাধ্যমে কিছুসংখ্যক এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন রুটের গ্রুপ সিট নাম ছাড়া দুই থেকে তিন মাস অগ্রিম তারিখের পিএনআর তৈরি করে ব্লক করে রাখে।

    এজেন্সি বা যাত্রীদের পক্ষে ওই ফ্লাইটের টিকিট খালি আছে কি না তা জানার কোনো সুযোগ থাকে না। নামবিহীন গ্রুপ সিট বুকিংয়ের কারণে টিকিট মজুতদারি করা হয়। ফলে সিন্ডিকেট তৈরি হয়, আসন সংকট দেখা দেয়; ফলে টিকিট মূল্য ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের কার্যক্রমের ফলে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ‘ল ডক্টর’ কোচিং: পাসের গ্যারান্টির আড়ালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    ১৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পে উন্নয়নের আড়ালে অনিয়মের ছায়া

    জুন 22, 2026
    অপরাধ

    চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি পুত্রকে মুচলেকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    জুন 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.