Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জাহাঙ্গীরনগরে ভবন নির্মাণের নামে কাটা হয়েছে অর্ধশতাধিক গাছ
    অপরাধ

    জাহাঙ্গীরনগরে ভবন নির্মাণের নামে কাটা হয়েছে অর্ধশতাধিক গাছ

    এফ. আর. ইমরানজুন 30, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণের জন্য সেগুন, কাঁঠালসহ অর্ধশতাধিক গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। ছবি: প্রথম আলো
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে গণিত ও পদার্থ অনুষদের ভবন সম্প্রসারণের জন্য অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলার ঘটনা নতুন করে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়া গাছগুলো কেটে ফেলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ করা হয়।

    সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সামনে এক্সকাভেটরের মাধ্যমে গাছ উপড়ে ফেলতে শুরু করে ‘মাহবুব ব্রাদার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ সময় সেখানে নির্মাণকাজের সমর্থনে গণিত বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

    গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট ও সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা। তাঁরা নির্মাণের আড়ালে পরিবেশ ধ্বংসের এই প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানান।

    দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দীনসহ কয়েকজন শিক্ষক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাবে তাঁরা জানান, গাছ কাটার বিষয়ে তাঁদের পূর্বে কোনো ধারণা ছিল না। তখন উপাচার্যের নির্দেশে গাছ কাটার কাজ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এর আগেই অন্তত অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উপাচার্য বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম মাস্টারপ্ল্যান তৈরির পর এবং পরামর্শ অনুযায়ী ভবনের জায়গা নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু আমাকে না জানিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। আমি আজই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক সভা ডাকব।”

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০ এপ্রিল গাছ কাটা শুরুর প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের বাধায় তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে উপাচার্য আশ্বাস দেন যে মাস্টারপ্ল্যান ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ হবে না। কিন্তু প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি ভেঙে গোপনে আবারো শুরু হলো গাছ উপড়ে ফেলার কাজ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ছিল পুরনো সেগুন গাছ এবং কিছু কাঁঠাল গাছ। সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সামনের পুরো এলাকা গাছশূন্য হয়ে পড়েছে।

    ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্স-এর ব্যবস্থাপক আবদুল আজিজ জানান, গণিত বিভাগের ছাত্র সংসদের ভিপি আবু রুম্মান তাকে কয়েক দিন আগে ফোনে জানিয়েছেন সব সমস্যার সমাধান হয়েছে, লোকবল পাঠিয়ে কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, কোনো শিক্ষক বা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই কাজ শুরু করেছিলেন, যা করা উচিত হয়নি।

    আবু রুম্মান বলেন, “আমরা গাছ কাটার পক্ষে না। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিভাগ শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব ও চলাচলের সংকটে ভুগছে। আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখতে ভবন অপরিহার্য। তাই পরিবেশের সামান্য ক্ষতির বিনিময়ে হলেও ভবন চাই।”

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি ১০ তলা নতুন হল নির্মাণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিগত সময়েও হাজারের বেশি গাছ কেটে ফেলা হয়, যা নিয়ে পরিবেশবাদীদের একাধিকবার প্রতিবাদ সত্ত্বেও প্রশাসন নীরব ছিল।

    এ প্রসঙ্গে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক সজীব আহমেদ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। তার আগেই এই গাছ কাটা চলছে, অথচ উপাচার্য ও পিডি কেউ কিছু জানেন না- এটা কেমন প্রশাসন? আমরা জানতে চাই, কার আদেশে গাছ কাটা হলো? যদি উপাচার্য ব্যবস্থা না নেন, তাহলে আমরা আইনি পদক্ষেপে যাব।”

    পরিবেশের সঙ্গে সমন্বয় না রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়নকাজ চালানোর এই প্রবণতা নিয়ে আবারো বিতর্কের মুখে পড়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন— উন্নয়ন কি প্রকৃতি ধ্বংসের বিনিময়ে হতে হবে?

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাস ৬০ শতাংশ করার উদ্যোগ

    মার্চ 4, 2026
    বাংলাদেশ

    আট প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মার্চ 4, 2026
    বাংলাদেশ

    ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীরা উদ্বিগ্ন

    মার্চ 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.