Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, এপ্রিল 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বরগুনায় সুপেয় পানির প্রকল্পে দুর্নীতি
    অপরাধ

    বরগুনায় সুপেয় পানির প্রকল্পে দুর্নীতি

    মনিরুজ্জামানঅক্টোবর 26, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বরগুনা জেলা ও দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির অভাব বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে কৃষি, নারী ও শিশুস্বাস্থ্যে। এলাকার মানুষ নিত্যদিনের জীবনযাত্রায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

    সরকার এই সংকট মোকাবিলায় নানা প্রকল্প নিয়েছে। তাতে ‘রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম’ অন্যতম। বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠিসহ ১০ জেলার মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির অধিকার পেতে পারত কিন্তু প্রকল্পটি দুর্নীতি ও অনিয়মে জর্জরিত। বরগুনায় ৩৬ কোটি টাকার প্রকল্পটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কামাল এন্টারপ্রাইজ ও স্থানীয় অসাধু চক্রের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শিকার হয়েছে। প্রকল্পের কাজ মানহীন, সরঞ্জাম অপর্যাপ্ত, আর অর্থ আত্মসাত হয়েছে। প্রকৃত উপকারভোগীরাই এখন প্রকল্পের সুফলের বাইরে।

    উপকারভোগীরা অভিযোগ করেছেন, প্রতিটি ইউনিটের প্ল্যাটফর্মে প্রথম শ্রেণির ইটের বদলে দ্বিতীয় শ্রেণির ইট ব্যবহার হয়েছে। বালু ও সিমেন্টের পরিমাণও কমানো হয়েছে। অনেক গ্রামে কেবল নীচের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, ট্যাংক, পাইপলাইন বা ফিল্টারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম দেওয়া হয়নি। তবুও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের সিংহভাগ বিল নিয়েছে। এটি স্পষ্টভাবে সরকারি অর্থ লুটের ঘটনা।

    সুবিধাভোগী বাছাইয়ে দেখা গেছে চরম স্বজনপ্রীতি। পাথরঘাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের আত্মীয় ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের গ্রামের বাড়িতে একাধিক ট্যাংক বসানো হয়েছে। অন্যদিকে প্রকৃত অভাবী মানুষ, যারা সর্বাধিক প্রয়োজন, তারা বঞ্চিত হয়েছে। কিছু গরিব উপকারভোগীর কাছ থেকে চাঁদা বা ঘুষও নেওয়া হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও প্রকল্প পরিচালকের পক্ষ থেকে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া স্বীকার করা হলেও পদক্ষেপ যথেষ্ট হয়নি। প্রকল্পের দুর্নীতি ও অবহেলার সঙ্গে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ না থাকলে এত নৈরাজ্য সম্ভব হত না। তাই অবিলম্বে তদন্ত জরুরি। যাঁরা প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত—ঠিকাদার, কর্মকর্তা বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি—তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক। প্রকল্পের সুফল যেন প্রকৃত ভুক্তভোগীরাই পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির মহোৎসব—৫৬২ কোটি টাকার প্রকল্পে ২০০ কোটি আত্মসাৎ

    এপ্রিল 11, 2026
    অপরাধ

    অ্যাম্বুলেন্স সেবায় ভয়ংকর সিন্ডিকেট চক্র

    এপ্রিল 11, 2026
    অপরাধ

    ফারইস্ট লাইফে লাখো গ্রাহকের শতকোটি টাকার হদিস নেই

    এপ্রিল 11, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.