Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শূন্য রিটার্নের আড়ালে ভ্যাট ফাঁকির কৌশল—গোয়েন্দা জালে ৯৫৩ প্রতিষ্ঠান
    অপরাধ

    শূন্য রিটার্নের আড়ালে ভ্যাট ফাঁকির কৌশল—গোয়েন্দা জালে ৯৫৩ প্রতিষ্ঠান

    মনিরুজ্জামানমার্চ 10, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কর ছাড়ের বড় সুবিধা পাওয়ার পরও ভ্যাট ফাঁকির অভিনব কৌশল উদ্ভাবন করেছে ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। তারা খুঁজে পেয়েছে ৯৫৩টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, যারা ভ্যাটযোগ্য পণ্য বিক্রি করেও ‘শূন্য ভ্যাট রিটার্ন’ দাখিল করে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব এড়িয়ে চলেছে।

    তদন্তে দেখা গেছে, হুইলচেয়ার, কমোড চেয়ার এবং পোর্টেবল চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানি পর্যায়ে কোনো শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয় না। কিন্তু স্থানীয় বাজারে বিক্রির সময় ভ্যাট প্রদান বাধ্যতামূলক। তবুও প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম ভেঙে তা এড়িয়ে চলেছে।

    ভ্যাট অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের পাঁচ বছরের ক্রয়-বিক্রয় তথ্য যাচাই করে এই বিশাল ফাঁকির চিত্র পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ৯৫৩টির মধ্যে ২১টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৫৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার বেশি ভ্যাট ফাঁকির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে। কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, সুদ ও জরিমানা যোগ করলে ফাঁকির পরিমাণ শতকোটি টাকার ওপরও যেতে পারে।

    জনবল সংকট এবং কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে বাকি ৯৩২টি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকির প্রকৃত হিসাব বের করা সম্ভব হয়নি। এ জন্য গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর দেশের ১২টি কমিশনারেট অফিসকে বিস্তারিত তথ্য যাচাই ও রাজস্ব আদায়সহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সব তথ্য যাচাই শেষে ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ প্রায় হাজার কোটি টাকার সঙ্গে তুলনীয় হতে পারে। ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জাকির হোসেন বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”

    অন্যদিকে, এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই চিহ্নিত ২১টি প্রতিষ্ঠানের বকেয়া রাজস্ব আদায়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাকি ৯৩২টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিস্তারিত তদন্ত ও ভ্যাট আদায়ের দায়িত্ব ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের ১২টি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটকে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা তাদের সুপারিশ ও তদন্তের ভিত্তিতে নেওয়া হবে।

    গোয়েন্দা প্রতিবেদনের খুঁটিনাটি উদ্ঘাটন:

    গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত হুইলচেয়ার, হাঁটার লাঠি ও ছড়ি, পোর্টেবল কমোড চেয়ারসহ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রায় শতভাগ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। এই পণ্যগুলো বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের মাধ্যমে দেশে আসে এবং পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে বাজারে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

    ভ্যাট গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে এই খাতে মোট ৯৫৩টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের আমদানি তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই ৯৫৩টির মধ্যে প্রায় সব প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ‘শূন্য ভ্যাট রিটার্ন’ দাখিল করে আসছে। যদিও আমদানি পর্যায়ে তারা সব শুল্ক ও করমুক্ত সুবিধা পান, তবে স্থানীয় বাজারে বিক্রির সময় মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট প্রদান বাধ্যতামূলক।

    তদন্তে আরও ধরা পড়েছে, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নামমাত্র ভ্যাট পরিশোধ করলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত স্থানীয় ভ্যাট এড়িয়ে চলেছে। প্রাথমিক পর্যায়ের অনুসন্ধানে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর ২১টি প্রতিষ্ঠানের বড় ধরনের ভ্যাট ফাঁকির তথ্য উদ্ঘাটন করেছে, যার আর্থিক পরিমাণ ৫৫ কোটি ১৭ লাখ ৯০৭ টাকা।

    চিহ্নিত ২১ আমদানিকারক ও কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির ছবি

    গোয়েন্দা অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মোট ৯৫৩টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২১টির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট ফাঁকির তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। ২০২০ থেকে ২০২৫ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত ‘শূন্য রিটার্ন’ দাখিল করে মোট ৫৫ কোটি ১৭ লাখ ৯০৭ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

    ভ্যাট গোয়েন্দাদের ধারণা, সুদ ও জরিমানা যোগ করলে এই ফাঁকির পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে। গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কড়া নজরদারিতে এখন ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম। ট্রেড ভিশন লিমিটেড এবং ইউনিমিড লিমিটেডের মতো কোম্পানি তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে।

    শীর্ষ ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো:

    • ট্রেড ভিশন লিমিটেড – ১৭ কোটি ৮১ লাখ ৭৮ হাজার ১৯৬ টাকা
    • ইউনিমিড লিমিটেড – ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬১৮ টাকা
    • তাজ ট্রেডার্স প্রাইভেট লিমিটেড – ৫ কোটি ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৮২২ টাকা
    • এসএস এন্টারপ্রাইজ – ৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৪২ টাকা
    • মেডিকিট ইন্টারন্যাশনাল – ২ কোটি ৭২ লাখ ২৬ হাজার ৩০৯ টাকা
    • রুশদা এন্টারপ্রাইজ – ১ কোটি ৬৮ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪১ টাকা
    • ইউনাইটেড সার্জিক্যাল লিমিটেড – ১ কোটি ৫৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬২৭ টাকা

    প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আরও বিস্তারিত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গোয়েন্দারা বলছেন, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য যাচাই শেষে ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ আরও বড় হতে পারে।

    ৯৩২ প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি, শত কোটি টাকার সম্ভাবনা

    গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৯৫৩টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষ ২১টির বাইরে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    • বিপরা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল – ৮১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০২ টাকা
    • ইউরো মিলেনিয়াম ট্রেডিং – ৯৪ লাখ ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা
    • দেশ মিডিকা – ৯১ লাখ ১১ হাজার ৬৪৯ টাকা
    • ইয়ামিন টেক ইন্টারন্যাশনাল – ৮৩ লাখ ৫২ হাজার ৬৪৩ টাকা
    • মেহেদী সার্জিক্যাল স্টোর – ৫৮ লাখ ২৭ হাজার ৮৬১ টাকা
    • সুপার হেলথ কেয়ার – ৫৬ লাখ ২৯ হাজার ৫৯৭ টাকা
    • স্ট্যান্ডার্ড মেডিকেল সিস্টেম – ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৫ টাকা
    • ম্যাক্সটন এলাইন্স – ৫৩ লাখ ৮ হাজার ৫০১ টাকা

    এর পাশাপাশি, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফাঁকির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য:

    • মেসার্স ট্রেড ফেয়ার – ৩৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯০২ টাকা
    • সাজ্জাদ ইনট্রাস্ট ট্রেড – ২৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫ টাকা
    • নুসাইবা ট্রেডিং – ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৯০৭ টাকা
    • বায়োটেক সার্ভিসেস – ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮৭ টাকা
    • মেডিকম – ৫৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭০১ টাকা
    • মন্ডল সার্জিক্যাল অ্যান্ড ট্রেডিং – ৩৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫৯ টাকা

    অবশিষ্ট ৯৩২ প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ব্যবস্থা

    জনবল ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে অবশিষ্ট ৯৩২ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত এবং ভ্যাট আদায়ের দায়িত্ব দেশের ১২টি ভ্যাট কমিশনারেট অফিসকে দেওয়া হয়েছে। ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ফাঁকি দেওয়া ভ্যাট নিরূপণ, প্রতিবেদন তৈরি এবং বকেয়া রাজস্ব আদায়ের জন্য কমিশনারেটগুলোর সহায়তা চেয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই শেষে মোট ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ প্রায় ১,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। বড় ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। এছাড়া দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা এবং জেল-জরিমানা সহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    কমিশনারেট অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বিতরণ:

    • ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট: ৪২০ প্রতিষ্ঠান
    • ঢাকা উত্তর ভ্যাট কমিশনারেট: ১৬৮ প্রতিষ্ঠান
    • ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেট: ১৪৫ প্রতিষ্ঠান
    • যশোর ভ্যাট কমিশনারেট: ৫৭ প্রতিষ্ঠান
    • চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেট: ৪৭ প্রতিষ্ঠান
    • ঢাকা পূর্ব ভ্যাট কমিশনারেট: ৪১ প্রতিষ্ঠান
    • রাজশাহী ভ্যাট কমিশনারেট: ১৪ প্রতিষ্ঠান
    • খুলনা ভ্যাট কমিশনারেট: ১২ প্রতিষ্ঠান
    • কুমিল্লা ও রংপুর ভ্যাট কমিশনারেট: ৯টি প্রতিষ্ঠান (প্রত্যেকটি)
    • সিলেট ভ্যাট কমিশনারেট: ৭ প্রতিষ্ঠান
    • বৃহৎ করদাতা ইউনিট: ৩ প্রতিষ্ঠান

    এই কমিশনারেটগুলো অবশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিরূপণ, বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত ও বকেয়া রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করবে।

    ‘শূন্য ভ্যাট রিটার্ন’ কী এবং কিভাবে ফাঁকির হাতিয়ার হচ্ছে

    ‘শূন্য ভ্যাট রিটার্ন’ বা ‘নিল রিটার্ন’ বলতে এমন একটি ভ্যাট বিবরণীকে বোঝায়, যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট মাসে তাদের পরিশোধযোগ্য ভ্যাটের পরিমাণ শূন্য দেখায়। অর্থাৎ ওই সময়ে ব্যবসার ফলে সরকারের কাছে কোনো ভ্যাট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি—এমন তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়া হয়। ভ্যাট আইন অনুযায়ী, শূন্য রিটার্ন শুধুমাত্র তখনই বৈধ, যখন:

    • কোনো মাসে প্রতিষ্ঠান ভ্যাটযোগ্য পণ্য বিক্রি করে নি,
    • ব্যবসায়িক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে, বা
    • প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র ভ্যাট অব্যাহতি প্রাপ্ত বা শূন্য হারের পণ্য নিয়ে কাজ করে।

    এক্ষেত্রে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে বাস্তবে দেখা যায়, অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পণ্য বিক্রি করলেও তা গোপন রেখে শূন্য রিটার্ন জমা দিচ্ছে। এটি ভ্যাট ফাঁকির একটি অভিনব কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সাম্প্রতিক ভ্যাট গোয়েন্দা অনুসন্ধানে এই পদ্ধতি পরিষ্কারভাবে উদঘাটিত হয়েছে। ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জাকির হোসেন বলেছেন, “এ বিষয়ে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”

    ভ্যাট ফাঁকিতে শাস্তি কী?

    ভ্যাট ফাঁকি ধরা পড়লে মূলত মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এবং বিশেষ ক্ষেত্রে কাস্টমস আইন, ১৯৬৯ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর আওতায় যে পরিমাণ ভ্যাট প্রতিষ্ঠান গোপন বা ফাঁকি দিয়েছে, সেই পরিমাণ আদায়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এই জরিমানার পরিমাণ ফাঁকি দেওয়া করের সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি হতে পারে। এছাড়া ফাঁকি দেওয়া ভ্যাটের ওপর মাসিক ভিত্তিতে সুদ বা সারচার্জ আরোপের বিধানও রয়েছে।

    গুরুতর অনিয়মের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মূসক নিবন্ধন (বিআইএন) স্থগিত বা বাতিল করতে পারে। প্রয়োজনে ব্যবসা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা বা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও হিসাবপত্র জব্দ করারও সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট ফাঁকির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করারও সুযোগ থাকে। মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে আদালত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড—উভয় ধরনের শাস্তি দিতে পারেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ঋণ থেকে বেরিয়ে কর বাড়ানো উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

    মার্চ 10, 2026
    অপরাধ

    জঙ্গল সলিমপুর অভিযান: রাষ্ট্র বনাম সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রণের লড়াই

    মার্চ 10, 2026
    বাণিজ্য

    বৈশ্বিক সংকটে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়তে পারে

    মার্চ 10, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.