চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) স্বয়ংক্রিয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার ব্যবহার অনুমতি (ইউপি) জারি করেছে। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, বন্ড সুবিধাভোগী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দ্রুত ও সহজ সেবা নিশ্চিত করতে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে “কাস্টমস বন্ড ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি” নামে একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে বন্ডেড গুদামের লাইসেন্সধারীরা অনলাইনে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল ব্যবহারের জন্য ব্যবহার অনুমতি নিতে পারছেন, আর সরাসরি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটে যেতে হচ্ছে না।
সফটওয়্যারটিতে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাইয়ের সুবিধা যুক্ত করার জন্য এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা নিতে পারছে।
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ব্যবহার অনুমতি জারিসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা গ্রহণে এই সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমানে এনবিআরের অধীনে তিনটি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট থেকে অনলাইনে সব ব্যবহার অনুমতি প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ২৪,৯৬৩টি ব্যবহার অনুমতি জারি হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, সেবাটিকে আরও কার্যকর করতে বন্ড সুবিধাভোগী শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ব্যাংক, শুল্ক রেয়াত ও প্রত্যর্পণ পরিদপ্তর এবং বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-এর অনলাইন ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
সংস্থাটির মতে, অনলাইনে ব্যবহার অনুমতি জারির ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর সঙ্গে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হচ্ছে এবং বিনিয়োগ পরিবেশও উন্নত হচ্ছে।
এনবিআর আরও জানায়, কাস্টমস প্রশাসনকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও দক্ষ করতে ধাপে ধাপে বন্ড নিরীক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

