দেশে নতুন নকশার নোটের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় আগের ডিজাইনের মুদ্রা আবারও বাজারে ছাড়ছে ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এসব নোট বাতিল করা হয়নি, তাই চাহিদা মেটাতে সেগুলো বিতরণে কোনো বাঁধা নেই।
ব্যাংকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারেই পুরোনো নকশার নোট বিনিময় করা হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় নতুন নোট কম থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর শেখ মুজিবের ছবিযুক্ত নোট বাজারে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরই নতুন ডিজাইনের নোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।ব্যাংক সূত্র জানায়, বর্তমানে কিছু পুরোনো নোট সিলগালা অবস্থায় সংরক্ষিত ছিল, সেগুলো ধাপে ধাপে বাজারে ছাড়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৫ সালের ঈদুল আজহার সময় পুরোনো নোট বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সেগুলো ফেরত আনার পর প্রয়োজন অনুযায়ী আবার বিতরণ শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের নতুন নোট ছাপাতে গিয়ে উৎপাদনের গতি চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। ফলে বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে আগেই মুদ্রিত পুরোনো নোটগুলো পর্যায়ক্রমে ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় বন্ধের ঘোষণা থাকলেও খোলাবাজারে বেশি দামে পুরোনো ডিজাইনের নোট বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে নতুন নোট ছাপানোর ধীরগতিও প্রশ্নের মুখে।

