Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অতিরঞ্জিত জিডিপি সরকারের ঋণ গ্রহণের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে
    অর্থনীতি

    অতিরঞ্জিত জিডিপি সরকারের ঋণ গ্রহণের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে

    মনিরুজ্জামানUpdated:এপ্রিল 6, 2026এপ্রিল 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের অর্থনীতি আফ্রিকার উদীয়মান দেশ নাইজেরিয়ার সঙ্গে কিছু দিক থেকে তুলনীয়। জনসংখ্যা, অর্থনীতির কাঠামো এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের দিক থেকে দুই দেশের মধ্যে মিল রয়েছে। তবে জিডিপির আকারে পার্থক্য বড়। প্রায় ২৪ কোটি মানুষের নাইজেরিয়ার জিডিপি বর্তমানে ২৮৫ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের দাবি করা জিডিপি ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার।

    একইভাবে জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দিক থেকে পাকিস্তানও বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনীয়। প্রায় সাড়ে ২৫ কোটি মানুষের পাকিস্তানের জিডিপি ৩৪০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। বৈদেশিক বাণিজ্য প্রায় একই স্তরে থাকলেও মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার পাকিস্তান বেশি।

    অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা মনে করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে জিডিপিসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচকের তথ্য অতিরঞ্জিত বা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষত, এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের ছবি এবং উন্নয়নের চিত্র ফুটিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে জিডিপি বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতির হার কম দেখানো হয়েছে এবং সরকারের জন্য ঋণ সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।

    পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষে বাংলাদেশের জিডিপি ছিল ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে সরকার দেশী-বিদেশী উৎস থেকে ২১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। প্রতি ডলারের হিসাব ১২২ টাকা ধরে এটি প্রায় ১৭৬ বিলিয়ন ডলার। ফলে সরকারের ঋণ-জিডিপি অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৩৮.৬১ শতাংশ। তবে এতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ অন্তর্ভুক্ত নয়; তা যোগ করলে মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ২৩ লাখ কোটি টাকা।

    বিভিন্ন নথি ও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি পাকিস্তান বা নাইজেরিয়ার সমপর্যায়ের। বাস্তবে দেশের জিডিপি ৩০০ থেকে ৩৫০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। গত দুই দশকে এটিকে ১০০ বিলিয়ন ডলার বেশি দেখানো হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত শ্বেতপত্র কমিটিও এই বিষয়টি প্রকাশ করেছিল। ওই সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাতিকভাবে জিডিপির অতিরঞ্জিত হিসাবের বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন এবং সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু কার্যকর কোনো সংস্কার হয়নি।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, জিডিপি হিসাব সত্য হলে সরকারের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা কমে যাবে এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানও আগ্রহী হবে না নতুন ঋণ দিতে।

    দুই দশকে বাংলাদেশের জিডিপি ও অর্থনৈতিক সূচকের তথ্য নিয়ে বিতর্ক চলছেই। অভিযোগ আছে, সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অন্যান্য মৌলিক সূচক অতিরঞ্জিত বা ভুয়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, স্বাধীনভাবে বিবিএস সংস্কারের কাজ শুরু করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

    গত বছরের সেপ্টেম্বরে গঠিত টাস্কফোর্স বিবিএসের নাম পরিবর্তনসহ একাধিক সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দিয়েছিল। এই টাস্কফোর্সের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। কমিটিতে ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

    জিডিপি ও মূল্যস্ফীতির ভুয়া পরিসংখ্যান বিষয়ে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, “জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধির হিসাব নিয়ে আমরা বহু বছর ধরে প্রতিবাদ করে আসছি। বিবিএসের দেয়া মূল্যস্ফীতির তথ্যেও অসঙ্গতি রয়েছে। সংস্থার তথ্য উৎস ও জরিপ পদ্ধতিতে দুর্বলতা চিহ্নিত করে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছি।”

    বিবিএস সংস্কারের বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি বলেন, “বিবিএস মার্চে যে মূল্যস্ফীতি প্রকাশ করেছে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধ ও বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব থাকার পরও সংস্থা কম পরিসংখ্যান দিয়েছে। সাধারণ মানুষ কিভাবে এই তথ্য বিশ্বাস করবে?”

    জিডিপি তথ্যের অতিরঞ্জনের বিষয়টি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরও প্রকাশ করেছেন। ২৯ মার্চ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মতবিনিময় সভায় তিনি উল্লেখ করেন, “অতীতের সরকারগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জিডিপির পরিমাণ বা প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখিয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে তথ্যের সংস্কার শুরু করেছি। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির মাধ্যমে দেখা গেছে অর্থনীতির প্রতিটি সেক্টরে তথ্য কারচুপি হয়েছে। প্রকৃত জিডিপি পাওয়ার পর করের সঙ্গে এর আনুপাতিক হারও বাস্তবসম্মত হবে।”

    বিশ্বব্যাংক ২০২২ সালে ‘কান্ট্রি ইকোনমিক মেমোরেন্ডাম: চেঞ্জ অব ফ্যাব্রিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ১৩০ দেশের তিন দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ হলেও প্রকৃত হার ৪.২ শতাংশ। অর্থাৎ সরকারি হিসাবে ২.৮ শতাংশ পয়েন্ট অতিরঞ্জন করা হয়েছিল।

    ওই প্রতিবেদনের তৈরি কাজে যুক্ত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের তৎকালীন মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, “উন্নয়নের প্রমাণ দেখানোর উদ্দেশ্যে জিডিপি হিসাব অতিরঞ্জিত করা হয়েছিল। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি কম দেখানো হতো। প্রকৃত জিডিপি হিসাব বের করা তাই এখন কঠিন।”

    ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বণিক বার্তায় প্রকাশিত ‘জিডিপির আকার ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিরঞ্জিত হতে পারে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জিডিপির প্রকৃত হিসাব প্রকাশ হলে অর্থনীতির অন্যান্য সূচকেও বড় পরিবর্তন আসবে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি যদি ৩৫০ বিলিয়ন ডলার হয়, তাহলে দেশের বৈদেশিক ঋণের অনুপাত বেড়ে দাঁড়াবে ২৯.৬৫ শতাংশে, যা সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২২.৬ শতাংশ। মোট ঋণের ক্ষেত্রে অনুপাত বেড়ে ৩৬.৩০ থেকে ৪৪.৫৭ শতাংশে পৌঁছাবে। মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭৫ ডলার থেকে কমে ২,০৪০ ডলারে নেমে আসবে।

    বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ, রফতানি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদেশী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশে সমসাময়িক প্রতিযোগী অর্থনীতিগুলোর তুলনায় পিছিয়ে। যদিও সরকারের দাবি দেশের অর্থনীতি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে, তবে এসব সূচকে তা প্রতিফলিত হয়নি। স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণেও অর্থনীতির প্রসারণের আলামত পাওয়া যায়নি।

    সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস ২০২৫ সালের ‘ম্যাক্রো ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি ৩০০ বিলিয়ন ডলারের মতো দেখিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে উৎপাদন হিসাবের সঙ্গে তুলনা করলে সরকারের প্রকাশিত জিডিপির পরিমাণ অযৌক্তিক। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কীভাবে ভারত, পাকিস্তান বা চীনের তুলনায় ৫০-৬০ শতাংশ বেশি উৎপাদন দেখাতে পারে, তা বোধগম্য নয়।

    সিটি ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, জিডিপি নতুনভাবে মূল্যায়ন করলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ দেশের ঋণ গ্রহণের সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় বড় প্রভাব পড়বে।

    জিডিপি আকারে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও অন্যান্য সূচকে বাংলাদেশ বেশ পিছিয়ে। বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) স্টক বাংলাদেশে ১৯.৫০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তান ২৮ বিলিয়ন এবং নাইজেরিয়া ৭৫ বিলিয়ন ডলার। কর-জিডিপি অনুপাত বাংলাদেশে ৬.৭৩ শতাংশ, পাকিস্তানে ১০.৫ শতাংশ এবং নাইজেরিয়ায় ১৩.৫ শতাংশ। বাজার মূলধন ও জিডিপির অনুপাত বাংলাদেশে ৮.১৯ শতাংশ, নাইজেরিয়ায় ৩৩ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ১৯.৭ শতাংশ। জিডিপি বাড়লে এই সূচকগুলোর উন্নতি স্বাভাবিকভাবে হওয়া উচিত।

    গত দুই দশকে দেশের ঋণ গ্রহণে জিডিপি ও প্রবৃদ্ধির অতিরঞ্জিত তথ্য সরকারকে সুবিধা দিয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে মোট ঋণ ছিল ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা, যার মধ্যে বিদেশী ঋণ ১ লাখ ৬১ হাজার ২০ কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এ ঋণ ব্যাংক খাত, সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য উৎস থেকে নেয়া হয়েছিল।

    বর্তমানে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের মোট ঋণ প্রায় সাড়ে ২৩ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ ১০ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশী উৎস থেকে ঋণ ৯৩.৪৬ বিলিয়ন ডলার।

    সরকারের ঋণ নেওয়া চলতি অর্থবছরও অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত থেকে ২১ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছিল।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) সরকার ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে ইতোমধ্যেই ৬২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে ৫৩ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ৬ হাজার ৭৪০ কোটি টাকার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ব্যাংকসহ অন্যান্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ৩১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় বিশাল বৃদ্ধি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি শেষে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা। এক বছর পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৩ কোটি টাকায়। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা, যা ২৯.৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি। তুলনায় দেশের বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬ শতাংশ।

    এদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের জিডিপি-সংক্রান্ত পরিসংখ্যান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির ‘ডেটা অ্যাডিকুয়েসি অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের তথ্যকে ‘সি’ রেটিং দেওয়া হয়েছে। আইএমএফের মতে, জিডিপি গণনায় এখনও পুরনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং ‘সাপ্লাই অ্যান্ড ইউজ টেবিল’ নিয়মিত হালনাগাদ না হওয়ায় উৎপাদনের প্রকৃত চিত্র দেখা যাচ্ছে না। তথ্যের সময়োপযোগিতা ও প্রকাশে বিলম্বও উল্লেখযোগ্য।

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার ২০২৫ সালের জিডিপি ছিল ৪৭০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে জনসংখ্যা মাত্র ৩ কোটি ৪২ লাখ। জিডিপির আকারে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবধান কম হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। কম জনসংখ্যার কারণে মাথাপিছু আয় বেশি এবং অর্থনীতি বৈচিত্র্যময়। মালয়েশিয়ার প্রধান রফতানি খাত ইলেকট্রনিকস, ইলেকট্রিক্যাল পণ্য, পাম অয়েল ও পেট্রোলিয়াম। দেশটি বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের একটি বৈশ্বিক হাব হিসেবে পরিচিত। মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক স্থিতিশীল এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী।

    তুলনায় দেখা যায়, ৪৭০ বিলিয়ন ডলারের মালয়েশিয়ার অর্থনীতি এবং ৪৫৬ বিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশের অর্থনীতির অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক চিত্রে ব্যাপক পার্থক্য। জিডিপির মাত্রা বড় হলেও বাংলাদেশের বাস্তব অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও পরিসংখ্যানের প্রামাণিকতা প্রহরায় সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার

    এপ্রিল 6, 2026
    অর্থনীতি

    সারচার্জ বিলোপ করে আসছে সম্পদ কর: এনবিআর চেয়ারম্যান

    এপ্রিল 6, 2026
    অর্থনীতি

    দেশে দৈনিক ঢুকছে হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স

    এপ্রিল 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.