Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, মে 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অতিরিক্ত টাকা ছাপলে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়: মুস্তফা কে মুজেরী
    অর্থনীতি

    অতিরিক্ত টাকা ছাপলে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়: মুস্তফা কে মুজেরী

    নিউজ ডেস্কমে 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    টাকা ছাপানো বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মিত কাজের অংশ। তবে অর্থনীতির মৌলিক সূত্র মেনেই বাংলাদেশ ব্যাংক এই কাজটি করে থাকে। সম্প্রতি  বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা ছাপানোর কৌশল এবং অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ, গবেষক এবং বর্তমানে ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তফা কে. মুজেরী।

    প্রশ্ন:  বাংলাদেশ ব্যাংক কেন টাকা ছাপায়? চাইলেই কি বাংলাদেশ ব্যাংক ইচ্ছামতো টাকা ছাপাতে পারে?

    মুস্তফা কে মুজেরী: আসলে প্রয়োজন হলেই টাকা ছাপানো হয়, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলেই ইচ্ছামতো টাকা ছাপাতে পারে না। মূলত দুটি কারণে টাকা ছাপানো হয়। প্রথমত, বাজারে টাকার চাহিদা বাড়লে এবং দ্বিতীয়ত,  পুরোনো বা ব্যবহারের ফলে নষ্ট হয়ে যাওয়া নোটগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য। কারণ নোটের একটি নির্দিষ্ট আয়ু বা ‘লাইফ’ থাকে, যা ব্যবহারের ফলে একসময় শেষ হয়ে যায়।

    প্রশ্ন: টাকা ছাপানোর ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র কি আছে?

    মুস্তফা কে মুজেরী: হ্যাঁ, টাকা ছাপানোর একটি সুনির্দিষ্ট সূত্র রয়েছে। যেমন, যদি ১০০ টাকা ছাপাতে হয়, তবে তার বিপরীতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রিজার্ভ থাকতে হয়। এই রিজার্ভের পরিমাণ সাধারণত ১০, ২০ বা ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই ব্যাকআপ হিসেবে সোনা বা বৈদেশিক মুদ্রা রাখা হয়। ফলে অতিরিক্ত টাকা ছাপতে হলে সমপরিমাণ রিজার্ভও নিশ্চিত করতে হয়।

    প্রশ্ন: যদি সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি টাকা ছাপায়, তবে তার প্রভাব কী হতে পারে?

    মুস্তফা কে মুজেরী: অতিরিক্ত টাকা ছাপালে অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক বা কুপ্রভাব পড়ে। এর ফলে বাজারে টাকার সরবরাহ বেড়ে যায় এবং মুদ্রাস্ফীতি বা মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জিনিসের দাম বেড়ে যায় এবং বিশ্ববাজারে দেশীয় টাকার মান কমে যায়। এটি সামগ্রিকভাবে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নষ্ট করে এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে। অর্থনীতিতে যে দীর্ঘদিন ধরে একধরনের অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবল থেকে বের হতে পারছে না, এর পেছনে বিগত সরকারগুলোর প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা ছাপানোও অন্যতম কারণ।

    প্রশ্ন: সম্প্রতি দেখা গেছে, সরকার ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিতে টাকা ছাপাচ্ছে, একে আপনি কীভাবে দেখছেন?

    মুস্তফা কে মুজেরী: সরকার যখন ঋণ গ্রহণ করে ব্যয় করে, তখন সেই টাকা আবার সার্কুলেশনে চলে আসে। বাজারে টাকার পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। আগের সরকারগুলোর বেশি বেশি ঋণ গ্রহণের ফলে বর্তমানে একধরনের অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। সরকার যখন রাজস্ব থেকে পর্যাপ্ত আয় করতে পারে না, তখন দৈনন্দিন খরচ, বেতন-ভাতা বা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু অতিরিক্ত ঋণ নিলে সরকার ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে যায়।

    প্রশ্ন: এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় কী?

    মুস্তফা কে মুজেরী: প্রথমত, সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে সেই ব্যয় উৎপাদন বা প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। দ্বিতীয়ত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করা। আমাদের দেশে রাজস্ব আদায়ের হার অত্যন্ত কম, যা ৭ শতাংশের নিচে। এটি বাড়ানোর অনেক সুযোগ আছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে এবং সঠিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে, যাতে সরকারকে ঋণের ওপর কম নির্ভর করতে হয়।

    সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে এই ব্যয় দেশের উৎপাদন এবং প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। ব্যয় যদি উৎপাদনশীল খাতে হয়, তবে তা পরোক্ষভাবে রাজস্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। রাজস্ব আদায়ের বর্তমান ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে আরও বেশি রাজস্ব আহরণের যে সুযোগ রয়েছে, তা কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারের দৈনন্দিন খরচ, বেতন-ভাতা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য রাজস্ব আয় বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে ব্যাংক থেকে বা বিদেশি উৎস থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমে আসে। অর্থনীতির বর্তমান অস্থিতিশীলতা কাটানোর জন্য ইচ্ছামতো টাকা না ছাপিয়ে রাজস্ব আদায়ের হার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। সূত্র: খবরের কাগজ

    সিভি/এম

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    এপ্রিলে দেশে এসেছে ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

    মে 3, 2026
    অর্থনীতি

    বাংলাদেশে সমুদ্র গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন পরিকল্পনা

    মে 3, 2026
    অর্থনীতি

    বাজেটে অগ্রাধিকার পাচ্ছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত

    মে 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.