Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি কি কেড়ে নিচ্ছে ১৮ লাখ যুবকের চাকরি!
    অর্থনীতি

    স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি কি কেড়ে নিচ্ছে ১৮ লাখ যুবকের চাকরি!

    কাজি হেলালUpdated:মার্চ 12, 2025মার্চ 12, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি কি কেড়ে নিচ্ছে ১৮ লাখ যুবকের চাকরি!
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল প্রযুক্তির উত্থান মানব সমাজে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। যেখানে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি মানব শ্রমের বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিকস এবং অটোমেশন সিস্টেমগুলির মাধ্যমে প্রতিদিনের কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সহজ হয়ে উঠছে। তবে এই প্রযুক্তির উত্থান কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কিছু নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আবার একই সঙ্গে কিছু খাতে চাকরি হারানোর আশঙ্কাও সৃষ্টি করেছে। বিশেষতঃ বাংলাদেশে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি বিভিন্ন শিল্প ও সেবা খাতে একদিকে যেমন উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করছে তেমনি অন্যদিকে কিছু শ্রমিকের চাকরি হুমকির মুখে ফেলছে।

    সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়েছে প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রার কারণে বাংলাদেশে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। যেখানে একদিকে চাকরি হারানোর আশঙ্কা অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে—এমন দ্বন্দ্বে ভুগছেন দেশবাসী। তবে প্রশ্ন উঠেছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রভাব কেবলমাত্র কর্মসংস্থান সংকোচনেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি এটি মানব শ্রমের জন্য নতুন সুযোগের দ্বারও খুলে দেবে?

    প্রযুক্তির অগ্রগতি ও কর্মসংস্থানে পরিবর্তন: প্রযুক্তির অগ্রগতি আজ মানবসমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। উৎপাদন, ব্যবসা, সেবা খাত, কৃষি, স্বাস্থ্য—প্রতিটি শিল্প এখন প্রযুক্তির সঙ্গে একীভূত হচ্ছে। বিশেষতঃ স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি যেমন: রোবটিক প্রক্রিয়া অটোমেশন (RPA) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এখন বিশ্বব্যাপী নানা শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রযুক্তি শুধু উৎপাদন প্রক্রিয়া দ্রুত করছে না বরং মানুষের করা অনেক ম্যানুয়াল কাজকেও অটোমেটেড করেছে। যার ফলে অনেক কাজের গতি বেড়েছে।

    বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে যেখানে অধিকাংশ কাজ শ্রমনির্ভর, প্রযুক্তির এই অগ্রগতি কীভাবে প্রভাব ফেলছে? দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প গার্মেন্টস-এ যদি আমরা দেখি, তাহলে দেখা যাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলেও অনেক শ্রমিকের কাজ কমে গেছে। রোবট, সেলফ-চেকআউট মেশিন এবং অটোমেটেড ফ্যাক্টরি সিস্টেম যেমন পোশাক তৈরির কাজে সাহায্য করছে তেমনি মানব শ্রমের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।

    এছাড়া ব্যাংকিং ও কলসেন্টার সেক্টরেও প্রযুক্তির প্রভাব স্পষ্ট। এআই-ভিত্তিক সফটওয়্যার ও অটোমেশন সিস্টেম এই খাতগুলোর বেশ কিছু কাজ যেমন: গ্রাহক সেবা, ফান্ড ট্রান্সফার, ডেটা প্রসেসিং এসবকে স্বয়ংক্রিয় করেছে। এর ফলে কর্মীদের অনেক কাজ অটোমেটেড হয়ে গেছে এবং তাদের কাজে নির্ভরতা অনেকটাই কমেছে।

    অথচ এই পরিবর্তনগুলোর ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুটো দিকই রয়েছে। একদিকে কার্যক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে অনেক কম দক্ষ শ্রমিকের চাকরি হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যেখানে  প্রযুক্তির উপকারিতা কিভাবে মানবসম্পদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ তৈরি করতে পারে তা নিয়ে সঠিকভাবে ভাবতে হবে।

    এক গবেষণার আলোকে ১৮ লাখ মানবের চাকরি ঝুঁকিতে:

    বাংলাদেশে বর্তমানে ১৮ লাখ মানবের চাকরি ঝুঁকিতে পড়ছে—এমন একটি তথ্য সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। যা কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষতঃ গার্মেন্টস শিল্প এবং অফিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন খাতে অটোমেশন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে অনেক শ্রমিকের চাকরি হুমকির মুখে পড়তে পারে।

    বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে ৪০ লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন এবং এই খাতটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত। তবে বর্তমানে রোবটিক্স এবং অটোমেশন সিস্টেম এখানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা কিছু শ্রমিকের কাজকে প্রতিস্থাপন করছে। বিশেষ করে অটোমেটেড মেশিন এবং সেলফ-চেকআউট প্রযুক্তি কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় গার্মেন্টস খাতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে স্বল্প দক্ষ শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

    এই পরিবর্তন শুধু গার্মেন্টস নয় অন্যান্য খাতগুলোর জন্যও উদ্বেগজনক। খাদ্যপণ্য, চামড়া, প্লাস্টিক, রাবার, ফার্মাসিউটিক্যালস ও ফার্নিচার খাতের মতো শিল্পগুলোতেও অটোমেশন প্রযুক্তির প্রভাব পড়ছে। যেমন: বিআইডিএস (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ) এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, তৈরি পোশাক খাতে এক লাখের বেশি কর্মী চাকরি হারাতে পারে যদি অটোমেশন প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ে।

    তবে শুধুমাত্র চাকরি হারানোর আশঙ্কাই নয়, অটোমেশন যে নতুন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন তৈরি করবে সেটিও এক বাস্তবতা। ডিজিটাল স্কিল, ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর মতো দক্ষতা অর্জন করা এখন জরুরি। এই পরিবর্তনগুলো কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে এজন্য তাদেরকে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

    একটি বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- ২০২৬ সালের পর বাংলাদেশের এলডিসি (লঘু উন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের ফলে বাংলাদেশের জন্য বিশ্ববাজারে ডিউটি-ফ্রি সুবিধা হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের রপ্তানি খাত ও কর্মসংস্থান এর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও খাতগুলোতে ৫০% উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পরেও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির তুলনায় চাকরি হারানোর সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

    অতএব বাংলাদেশে প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং অটোমেশন শুরুর কারণে যে নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলা করার জন্য দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে একযোগে কাজ করে এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে চলতে নতুন কর্মী প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

    চাকরি হারানোর সম্ভাবনা বা বিকল্প বাস্তবতা কি?
    প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের কাজের ধরন পরিবর্তন করছে। কিন্তু চাকরি হারানো মানে সম্পূর্ণভাবে কর্মসংস্থান হারানো নয়। এক সময়ের টাইপিস্ট, টেলিফোন অপারেটরদের মতো কাজগুলো প্রযুক্তির মাধ্যমে চলে গেলেও এর পাশাপাশি নতুন ধরনের পেশার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ- ডেটা সাইন্টিস্ট, ক্লাউড কম্পিউটিং বিশেষজ্ঞ, ই-কমার্স ম্যানেজার এবং সাইবার সিকিউরিটি বিশ্লেষক—এই ধরনের নতুন পেশাগুলোর সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেড়েছে।

    বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির বিস্তার এমনকি বাংলাদেশের শিল্প ক্ষেত্রেও নতুন ধরনের দক্ষতার প্রতি আগ্রহ তৈরি করছে। এক সময়ে যেসব কাজের জন্য মানুষকে নিয়োগ করা হতো, এখন সেগুলোর অনেকটাই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। তবে এর মধ্যে একটি সুযোগও রয়েছে, যদি আমরা সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জন করি। যদি ডিজিটাল স্কিল, ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট-এর মতো আধুনিক দক্ষতা অর্জিত হয়; তাহলে পুরনো কাজ হারানোর সম্ভাবনা কমে যাবে এবং নতুন দক্ষতার বাজারে প্রবেশ করার সুযোগ তৈরি হবে।

    তাছাড়া বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে যেখানে জনসংখ্যা অনেক বেশি এবং বেশিরভাগ মানুষের কাজ এখনো প্রথাগত, সেখানে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনকে নতুন কাজের উৎস হিসেবে দেখা যেতে পারে। যেমন: অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট-এর মতো কাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রেই সঠিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করলেই চাকরি হারানোর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

    অতএব স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির অগ্রগতির মধ্যে চাকরি হারানো একটি বাস্তবতা হলেও নতুন দক্ষতার মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। সঠিক প্রস্তুতি এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা এই পরিবর্তনগুলোকে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগাতে পারি।

    কৌশল, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদের মধ্যে সমন্বয়:

    বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সংকট মোকাবিলায় উপযুক্ত সমাধান তৈরি করা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং অটোমেশন যেভাবে মানব শ্রমের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে, তাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট। এমন কিছু কৌশল রয়েছে যা কর্মসংস্থান সংকটে পড়া মানুষগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।

    কারিগরি ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ:

    সরকার এবং বেসরকারি খাতকে স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করার দিকে আরও মনোযোগ দিতে হবে। বর্তমানে আইটি, ডেটা সায়েন্স, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং সাইবার সিকিউরিটি-এর মতো দক্ষতা বাজারে খুবই চাহিদাসম্পন্ন। এসব প্রশিক্ষণ কর্মীদের আধুনিক যুগের জন্য প্রস্তুত করবে এবং তাদের নতুন প্রযুক্তি ও পেশায় দক্ষ করে তুলবে। এজন্য বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার ও কর্মশালা আয়োজন করা যেতে পারে।

    দক্ষতা বিকাশের জন্য বিশেষ উদ্যোগ:

    দেশের প্রতিটি অঞ্চলে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে, কারিগরি শিক্ষা এবং ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ আরও কার্যকরভাবে সম্প্রসারিত করতে হবে। নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে, যাতে গ্রামীণ জনগণও নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এটি তাদেরকে শুধু শহরকেন্দ্রিক নয় বরং গ্রামীণ অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে।

    সরকারের সহায়ক নীতি:

    সরকারের উচিত প্রযুক্তির অটোমেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে শ্রম বাজারে আসা পরিবর্তনগুলোকে মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী নীতিনির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এতে করে বাংলাদেশের শ্রমিকরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম হতে পারে। এছাড়া পুরনো শিল্পগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন শিল্পে স্থানান্তরের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্রদান করা যেতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ- নতুন শিল্পখাত গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তি নির্ভর পেশা তৈরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা বা করছাড় দেয়া যেতে পারে।
    এভাবে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, টেকনোলজি এবং মানবসম্পদের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশ কর্মসংস্থান সংকটের সমাধান করতে পারে এবং শ্রমিকদের নতুন যুগের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে পারে।

    স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং এর প্রভাব কর্মসংস্থানে একটি বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, যা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বিশেষভাবে দৃশ্যমান। তবে এটি শুধুমাত্র চাকরি হারানোর সংকট নয় বরং নতুন দক্ষতার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করার সুযোগও সৃষ্টি করছে। যেমন আধুনিক প্রযুক্তি ও অটোমেশন শ্রমের কিছু অংশকে প্রতিস্থাপন করছে, তেমনি নতুন পেশা এবং দক্ষতা তৈরি হচ্ছে যা আগের থেকে একেবারে ভিন্ন।

    বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে সক্ষম কর্মী তৈরি করা। সঠিক প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারের সহায়ক নীতির মাধ্যমে আমরা এই পরিবর্তনগুলোকে সুযোগে পরিণত করতে পারি। সুতরাং প্রযুক্তির উন্নতি যদি যথাযথভাবে মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধির সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, তবে এটি শুধু চাকরি হারানোর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে না বরং দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    সম্পূরক শুল্কের প্রভাবে বিপর্যস্ত পেইন্ট শিল্প

    এপ্রিল 26, 2026
    অর্থনীতি

    ৮০ লাখ রিটার্ন ফাঁকিদাতাকে নোটিশ পাঠাবে এনবিআর

    এপ্রিল 26, 2026
    অর্থনীতি

    পোশাক রপ্তানি খাতে কর সুবিধা ও উৎস কর কমানোর আহ্বান

    এপ্রিল 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.