Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sat, Jan 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চীনা বিনিয়োগে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত
    অর্থনীতি

    চীনা বিনিয়োগে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত

    মনিরুজ্জামানAugust 17, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের ঢেউ তীব্র হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বড় বড় প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনা কোম্পানিগুলো মার্কিন শুল্ক এড়াতে এবং বাংলাদেশের বাড়তে থাকা রপ্তানি সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আগ্রহী।

    এই প্রবণতা এসেছে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের পর, যা বাংলাদেশি পণ্যের উপর পারস্পরিক শুল্ক কমিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি চীনা উৎপাদনকারীদের জন্য রিলোকেশনকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। রেডিমেড গার্মেন্টস, টেক্সটাইল ও অবকাঠামো খাতে পরিবর্তনটি সবচেয়ে স্পষ্ট। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন বাড়াচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই বিনিয়োগ শিল্পের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে, কোটি কোটি চাকরি সৃষ্টি করবে এবং বাংলাদেশকে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে শক্তিশালী করবে।

     

    প্রধান প্রকল্পগুলো: বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের ঢেউ সব থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে কয়েকটি বড় প্রকল্পে। এগুলো দেশীয় অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে এবং হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

    চায়না লেসো গ্রুপ:  ন্যাশনাল স্পেশাল ইকোনমিক জোন,

    • জমির আকার: ১২.৫ একর
    • বিনিয়োগের পরিমাণ: ৩২.৭৭ মিলিয়ন ডলার
    • কার্যক্রম: নির্মাণ সামগ্রী ও নবায়নযোগ্য শক্তি পণ্য উৎপাদন
    • প্রভাব: দেশীয় শিল্পে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নির্মাণ খাতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। 
      চায়না লেসো গ্রুপ।

      কাইক্সি গ্রুপ:

    • অবস্থান: BEPZA ইকোনমিক জোন, মিরসরাই
    • বিনিয়োগের পরিমাণ: ৪০ মিলিয়ন ডলার
    • কারখানার ধরণ: পোশাক ও আনুষাঙ্গিক উৎপাদন
    • কর্মসংস্থান: ৩ হাজারের বেশি লোক
    • লক্ষ্য: আন্তর্জাতিক মানের পোশাক উৎপাদন এবং রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা।

      হান্ডা ইন্ডাস্ট্রিজ:

    • প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১৫০ মিলিয়ন ডলার
    • সম্প্রসারণ: ২৫০ মিলিয়ন ডলার
    • কারখানা: তিনটি – দুইটি গার্মেন্ট প্রসেসিং ইউনিট এবং একটি নিট-এন্ড-ডাইং প্ল্যান্ট
    • কর্মসংস্থান: ২৫,০০০ লোক
    • প্রভাব: বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৃহৎ চাকরির সুযোগ তৈরি।
    হান্ডা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

    এই প্রকল্পগুলো শুধু বিনিয়োগের পরিমাণেই বড় নয়, পাশাপাশি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইনে আরও শক্তিশালী করছে। নতুন কারখানা ও উৎপাদন ইউনিটগুলোর মাধ্যমে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি স্থানীয় শ্রমশক্তিকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    মার্কিন শুল্ক নীতি বাংলাদেশকে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় করছে:

    মার্কিন শুল্ক নীতি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও লাভজনক অবস্থায় নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের উপর উচ্চ শুল্ক পুনঃপ্রবর্তনের সময়সীমা ৯০ দিন বাড়িয়েছেন। ফলে চীনা উৎপাদনকারীদের জন্য বিকল্প উৎপাদনভিত্তি হিসেবে বাংলাদেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

    ভারত ও বাংলাদেশে পার্থক্য:

    পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভারতের সঙ্গে ভিন্ন। ভারত সব পণ্যের উপর ২৫% পারস্পরিক শুল্ক ধার্য করেছে। এছাড়া কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ২৫% অতিরিক্ত শুল্ক থাকায় মোট শুল্ক ৫২.১% পৌঁছেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য মার্কিন শুল্ক কমে ৩৫% থেকে ২০% হয়েছে। এতে বাংলাদেশ মার্কিন বাজারে স্পষ্ট প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেয়েছে।

    বাংলাদেশের সুবিধা ও আকর্ষণ:

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই শুল্ক ব্যবস্থার পরিবর্তন চীনা এবং অন্যান্য বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের আকর্ষণীয়তা বৃদ্ধি করেছে। বিশেষত রেডিমেড গার্মেন্টস (RMG), টেক্সটাইল এবং অবকাঠামো খাতে এটি নতুন বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়াবে। চীনা কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সরাসরি পণ্য রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদনভিত্তি হিসেবে দেখছে।

    বিনিয়োগের প্রভাব:

    • বাংলাদেশের জন্য এই নীতি উদারতা প্রদান করেছে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের।
    • চীনা কোম্পানিগুলো উৎপাদনশক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
    • স্থানীয় শ্রমশক্তি নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।
    • রপ্তানি খাত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে দেশের অবস্থান মজবুত হচ্ছে।

    অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন শুল্ক হ্রাস বাংলাদেশের জন্য এক “অন্যরকম বাজার সুবিধা” তৈরি করেছে। মোস্তফা ক মুজেরি, সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ, Daily Sun-কে বলেছেন, “বাংলাদেশ চীনা এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারীর জন্য এখন স্পষ্টভাবে আকর্ষণীয়। মার্কিন শুল্ক কমে যাওয়ায় রপ্তানি খাতে সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে। আমাদের বিনিয়োগ সংস্থাগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে যে বিনিয়োগকারীরা সঠিক সুবিধা এবং দ্রুত সেবা পাচ্ছেন।”

     

    চীনা বিনিয়োগের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:

    বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনস অথরিটি (BEZA) চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য দুটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। লক্ষ্য হলো ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আনা এবং হাজার হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি করা। মার্কিন শুল্কের এই পরিস্থিতিতে চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের জন্য নতুন শিল্প ও অবকাঠামো প্রকল্পে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। ইতিমধ্যে রেডিমেড গার্মেন্টস, টেক্সটাইল এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি খাতে কয়েকটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়াবে এবং লাখো কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সাহায্য করবে।

    চাঁদপুর ইকোনমিক জোন:

    • অবস্থান: মাটলব উত্তর উপজেলা, চাঁদপুর
    • আকার: ৩,০৩৮ একর
    • উন্নয়ন: পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন অফ চায়না কর্তৃক সরকার-সরকার চুক্তিতে
    • কার্যক্রম: শিল্প ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ, নির্মাণ ও উৎপাদন কেন্দ্র গঠন
    • প্রভাব: স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি স্থানান্তর।

    ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোন:

    • অবস্থান: ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলা
    • উন্নয়ন: চীনা লিজ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
    • কার্যক্রম: পরিবেশ বান্ধব শিল্প ও উৎপাদন ইউনিট
    • প্রভাব: স্থানীয় শ্রমশক্তি কাজে লাগানো, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি।

    চট্টগ্রামের চীনা ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন:

    • অবস্থান: অনোয়ারা, চট্টগ্রাম
    • সম্প্রসারণ: বিদ্যমান জোনের আকার ও কার্যক্রম বৃদ্ধি
    • কারণ: উচ্চ মার্কিন শুল্কের কারণে অনেক চীনা উৎপাদনকারী বাংলাদেশের দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে।
    • প্রভাব: রেডিমেড গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ছে, স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা উন্নত হচ্ছে।
    চট্টগ্রামের চীনা ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন।

    ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে চীনা বিনিয়োগ (FDI) ১১৩.৪৮ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তুলনায় ২০২৪ সালের পুরো বছরের চীনা FDI ছিল ২০৮.২৩ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা ক মুজেরি বলেন, “বাংলাদেশ চীনা বিনিয়োগের জন্য সুযোগের দেশ। আমাদের বিনিয়োগ সংস্থাগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে যে বিনিয়োগকারীরা সুবিধা নির্বিঘ্নে পাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, “গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক শুধু বিনিয়োগ বাড়াবে না, এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা নিয়ে আসবে।”

    FDI রেকর্ডে নতুন উচ্চতা:

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে নিট FDI ৮৬৪.৬৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১৪.৩১% বৃদ্ধি এবং ২০২৪ সালের শেষ ত্রৈমাসির ৪৯০.৪০ মিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৭৬.৩১% বেশি। ইক্যুইটি বিনিয়োগও আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে, ১৮৮.৪৩ মিলিয়ন ডলার থেকে ৩০৪.৩৮ মিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে মে ২০২৫ পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এটি দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগকারীর আস্থা বৃদ্ধি এবং মুদ্রা, মুদ্রাস্ফীতি ও বৈদেশিক মজুত স্থিতিশীলতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    BIDA-এর সংস্কার ও প্রচারণা ফল দিচ্ছে:

    বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (BIDA) চারটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে সংস্কার চালু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

    • উচ্চ-প্রভাব প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়ন
    • One-Stop Service (OSS) সম্প্রসারণ
    • বিনিয়োগকারীর সমস্যা দ্রুত সমাধান
    • শক্তিশালী বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি

    নতুন বিনিয়োগকারীদের সহায়তার জন্য একটি ইনভেস্টর রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি OSS-এর সঙ্গে যুক্ত একটি একক বিনিয়োগ পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। নতুন ও পুনঃডিজাইন করা BIDA ওয়েবসাইটে আপডেট নীতি, খাতভিত্তিক বিনিয়োগ সুযোগ এবং প্রধান মন্ত্রণালয়ের সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা রয়েছে। বিনিয়োগ প্রচারণা দেশের অগ্রাধিকার খাত ও আন্তর্জাতিক বাজারে এখনো চালু রয়েছে। এটি এপ্রিলের বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিটের ভিত্তিতে ব্যক্তিগত খাতের সঙ্গে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

    বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দেশ হিসেবে উদ্ভাসিত হচ্ছে। চীনা বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, মার্কিন শুল্ক সুবিধা এবং BIDA-এর সংস্কার একসঙ্গে দেশের শিল্প, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান বাড়াচ্ছে। নতুন প্রকল্প ও উন্নত নীতি শুধুমাত্র অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে না, বরং স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুযোগও তৈরি করছে। বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলার এই জায়গা ধরে রাখতে এবং আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এখনই সময়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানে মার্কিন হামলা কেন সহজ সমীকরণ নয়?

    January 17, 2026
    মতামত

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বাজেটের ঘাটতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করছে

    January 17, 2026
    বাংলাদেশ

    কমফ্লট ওয়েস্ট প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ল দুই বছর, ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ

    January 17, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.