Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sat, Jan 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশের অর্থনীতি এক পাখায় ভর করে উড়ছে, বৈচিত্র্য জরুরি
    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের অর্থনীতি এক পাখায় ভর করে উড়ছে, বৈচিত্র্য জরুরি

    নাহিদAugust 29, 2025Updated:August 29, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের রফতানির ৮০% এর বেশি আয় আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। অর্থনীতির এই একপাক্ষিক ভরসা এখন সুবিধার চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। রফতানি ও রেমিটেন্সের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশকে উদীয়মান অর্থনীতি এবং ভবিষ্যতের এশিয়ার টাইগার হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে—এক পাখায় কতদূর উড়া সম্ভব?

    ২০১৩–১৪ সাল থেকে তৈরি পোশাক শিল্প দেশের মোট রফতানির ৮০% এর বেশি অবদান রাখছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই শিল্প রফতানির ৮১.৪৯% এবং চার মিলিয়নের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, যার বড় অংশই নারী কর্মী। এটি শুধু শিল্পের সাফল্য নয়, নারীদের অর্থনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণও তুলে ধরে।

    কিন্তু একক শিল্পে অতিরিক্ত নির্ভরতা ঝুঁকি বাড়ায়। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩৫% ট্যারিফ প্রয়োগের সম্ভাবনা দেশের সংবেদনশীলতা স্পষ্ট করেছে। যদিও শেষ পর্যন্ত তা এড়ানো গেছে, ঘটনা দেখায়—বৈচিত্র্য ছাড়া রফতানি প্রবৃদ্ধি টেকসই নয়।

    অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য পণ্য রফতানি লক্ষ্য স্থির করেছে ৫৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩.৪% বেশি। মোট রফতানি লক্ষ্য, সেবাসহ, ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যগুলো পরিসংখ্যান অনুযায়ী অর্জনযোগ্য মনে হলেও বৈচিত্র্যের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা সময়রেখা নেই।

    আঞ্চলিক তুলনা দেখায় চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। ভারতের রফতানি বাণিজ্যিক পণ্য, তেলজাত পণ্য, ইলেকট্রনিকস, ফার্মাসিউটিক্যালস, গহনা, রসায়নসহ বিভিন্ন খাতের উপর নির্ভর করে; কোনো এক পণ্যের প্রাধান্য ৩০% ছাড়িয়ে যায় না। ভিয়েতনামের রফতানি কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স, টেলিফোন, যন্ত্রপাতি, পাদুকা, কাঠপণ্য ও পরিবহন সরঞ্জামের মধ্যে বিভক্ত, যেখানে একক পণ্যের প্রাধান্য ২০% এর কম। উভয় দেশের বৈচিত্র্যময় কাঠামো দক্ষতা ও বাজারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

    বাংলাদেশের রফতানি চিত্র বিপরীত। তৈরি পোশাকের প্রাধান্য ৮০% এর বেশি, বাকিটা চামড়া, কৃষিপণ্য, জুট, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ও ফার্মাসিউটিক্যালসে সীমাবদ্ধ। এক ধরনের শ্রমনিষ্ঠ শিল্পে এত নির্ভরতা, দক্ষতা বিকাশ সীমিত এবং ঝুঁকি বেশি।

    রফতানি বৈচিত্র্যের গুরুত্ব

    বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বিবেচনায় বৈচিত্র্যের চাহিদা আগের চেয়ে বেশি। যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, বৈচিত্র্য ঝুঁকি কমাবে এবং নতুন বাজারে সুযোগ খুলবে।

    RMG খাতের ভেতরে বৈচিত্র্য

    বর্তমানে রফতানি ৩৯.৩৫ বিলিয়ন ডলার, এর মধ্যে ৫০.১০% ইউরোপে, ১৯.১৮% যুক্তরাষ্ট্রে, ১১.০৫% যুক্তরাজ্যে, ৩.৩১% কানাডায় এবং ১৬.৩৬% অপ্রচলিত বাজারে যায়। নতুন বাজারে প্রসার যেমন জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    উপকরণ আমদানির উপর নির্ভরতা কমাতে উৎপাদনের পিছনের কাঠামো উন্নয়ন, কটন থেকে মানবনির্মিত ফাইবারে স্থানান্তর এবং উচ্চমানের পোশাক লক্ষ্য করলে শিল্পের স্থিতিশীলতা ও মান বৃদ্ধি পাবে।

    RMG ছাড়াও বৈচিত্র্য বাড়ানো জরুরি

    বাংলাদেশের রফতানি নির্ভরতা শুধু তৈরি পোশাকের উপর নয়। অন্যান্য খাতেও সুযোগ আছে, যা অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

    চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
    কাঁচামালের সরবরাহ প্রচুর, বিশেষ করে ঈদুল আযহার সময়ে। তবুও বাংলাদেশে চামড়া শিল্প নানা কমপ্লায়েন্স ও সার্টিফিকেশন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশ্বব্যাপী চামড়ার বাজার ২০৩২ সালে ৮৫৫.৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রাখে। বাংলাদেশ চাইলে সাভারের সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (CETP) আধুনিকায়ন ও কার্যকরী করে চামড়া শিল্পকে LWG সার্টিফিকেশন অর্জনের সুযোগ দিতে পারে। শক্তিশালী ভাটিকাল সাপ্লাই চেইন গড়ে তুললে প্রতিযোগিতা ও টেকসইতা বাড়বে।

    কৃষি পণ্য
    প্রক্রিয়াজাত ও জৈব কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের উর্বর মাটি ও উপযুক্ত জলবায়ু উন্নত কোল্ড স্টোরেজ সুবিধা ও কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রফতানি বৃদ্ধিতে কাজে লাগানো যেতে পারে। বিশ্ব খাদ্য সূচক ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে বার্ষিক মাথাপিছু খাদ্য অপচয় ৮২ কেজি, যা ১৪.১ মিলিয়ন টন। এটি যুক্তরাষ্ট্র (৭৩ কেজি), চীন (৭৬ কেজি) ও ভারতের (৫৩ কেজি) চেয়ে বেশি। অপচয় কমালেই নতুন রফতানি সুযোগ তৈরি হবে।

    জুট ও জুটজাত পণ্য
    বিশ্বব্যাপী টেকসই বিকল্পের দিকে ঝুঁকির ফলে জুটে বাংলাদেশকে আবারও নেতৃত্বের সুযোগ দিতে পারে। দেশের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে এই খাতকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব।

    ফার্মাসিউটিক্যালস ও API
    বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প দেশের চিকিৎসা চাহিদার ৯৮% মেটাচ্ছে এবং ১৫০টির বেশি দেশে রফতানি করছে। LDC গ্রাজুয়েশন ২০২৬-এ হলে TRIPS সুবিধা শেষ হবে। তবে বিশ্বে বার্ধক্য ও দীর্ঘমেয়াদী রোগ বৃদ্ধির কারণে চাহিদা বাড়ছে। Active Pharmaceutical Ingredient (API) খাত গড়ে তোলা ও R&D বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে খরচ কমিয়ে প্রতিযোগিতার সাথে টিকে থাকা সম্ভব।

    ইঞ্জিনিয়ারিং ও ICT-ভিত্তিক পণ্য/সেবা
    দেশে প্রযুক্তি-দক্ষ যুবসংখ্যা বেশি। বৈশ্বিক প্রযুক্তি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জেলা ভিত্তিক ভোকেশনাল ট্রেনিং কেন্দ্র সম্প্রসারণ, শিল্প-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা বৃদ্ধি করলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রফতানি বৃদ্ধি সম্ভব। সঠিক সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশ আউটসোর্সিং ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

    সবশেষে, কথাগুলোকে কর্মে রূপান্তর করতে হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, বাণিজ্য বাধা অপসারণ ও ব্যবসা সহজ করা অত্যন্ত জরুরি। রফতানি বৈচিত্র্য যত বেশি হবে, অর্থনীতি ততই দৃঢ় হবে। এটি শুধু তৈরি পোশাক খাতকে সুরক্ষা দেবে না, নতুন উদীয়মান শিল্পকেও শক্তিশালী করবে। সময় নষ্ট না করে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, কারণ সুযোগ সবসময় উন্মুক্ত থাকে না।

    জোসেফ আহমেদ সিটি ব্যাংক পিএলসির একজন কর্পোরেট ব্যাংকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্স স্নাতক।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    চার বছরেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি মূল্যস্ফীতি

    January 17, 2026
    অর্থনীতি

    বিমানের বহর বাড়াতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

    January 16, 2026
    অপরাধ

    ভুয়া ভিসায় সর্বস্ব হারাচ্ছেন অভিবাসন প্রত্যাশীরা

    January 16, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.