Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এইবারের ঋণ পুনর্গঠন কি সফল হবে?
    অর্থনীতি

    এইবারের ঋণ পুনর্গঠন কি সফল হবে?

    মনিরুজ্জামানসেপ্টেম্বর 1, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    পুনর্গঠন শুধু নামের জন্য করলে ঋণ শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দায়িত্বশীল না হওয়া কৌশলগত ঋণপরিশোধকে উত্সাহ দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) জানুয়ারিতে একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে ৫০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ ডিফল্ট করা কোম্পানিগুলোর পুনর্গঠন আবেদন মূল্যায়নের জন্য। প্রায় ১,২৫০টি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে বড় কংগ্লোমারেটও রয়েছে, পুনর্গঠন সুবিধার জন্য আবেদন করেছে।

    ১০ আগস্টের মধ্যে কমিটি ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের জন্য পুনর্গঠন সুপারিশ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য পরিশোধ সময়সীমা ৫ থেকে ১৫ বছর, প্রাথমিক কিস্তি ১–৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ তিন বছরের ছাড়কাল অনুমোদন করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুনর্গঠন মূলত ব্যাংক দ্বারা প্রস্তাবিত হওয়া উচিত।

    ব্যাংক সুপারিশ দেবে, কমিটি নির্ধারণ করবে কোন ঋণগ্রহীতারা “বাস্তবিকভাবে” নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতিতে আছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানত তদারকি ও সহায়তা করবে কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ব্যবসায়ীরা সরাসরি কমিটিতে আবেদন জমা দিচ্ছে। কমিটি পরে ব্যাংককে নির্দেশ দিচ্ছে কারা আসলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে সমস্যা ভোগ করছে। ফলে বিভিন্ন সূত্র থেকে কমিটির সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান এসেছে, যাতে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত এগোতে পারে।

    বাংলাদেশে ঋণ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৯৯১ সালে। সরকার ১৭১টি প্রধান ঋণগ্রহীতার তালিকা প্রকাশ করে, যেখান থেকে ডিফল্ট ঋণ সমাধানের পথ খোলা হয়। তৎকালীন নিয়মে, ঋণগ্রহীতা ১০% প্রাথমিক কিস্তি দিয়ে শুরু করত, এরপর ২০% ও ৩০% কিস্তি দিয়ে ঋণ মেটাত। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক আরও কঠোর হয়। প্রাথমিক কিস্তি বাড়ানো হয় এবং পুনর্গঠিত ঋণগ্রহীতা এক বছরের জন্য নতুন ঋণ নিতে পারত না।

    ২০০৯ সালে রফতানি খাতের সব প্রতিষ্ঠানের জন্য পুনর্গঠন সুবিধা চালু হয় এবং প্রাথমিক কিস্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। ২০১২ সালের মাস্টার সার্কুলার অনুযায়ী তিনবার পর্যন্ত পুনর্গঠন করা যেত, যার সময়সীমা ২–৩ বছর। ২০১৩ সালে ঋণ মেয়াদ ৬ বছরে উন্নীত হলেও তিনবারের সীমা বজায় থাকে। বড় পরিবর্তন আসে ২০১৯ সালে। ‘ওয়ান টাইম এক্সিট ফ্যাসিলিটি’ চালু হয়। ডিফল্ট করা প্রতিষ্ঠান মাত্র ২% প্রাথমিক কিস্তি দিয়ে ঋণ পুনর্গঠন করতে পারত এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর সময় পেত। এই নীতি অস্থায়ী হলেও ধীরে ধীরে বার্ষিক রুটিনে পরিণত হয়।

    ২০২০–২০২২ সালে আরও নরম নীতি চালু হয়। কোভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে ঋণ মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০২২ সালের মাস্টার সার্কুলার অনুযায়ী চারবার পর্যন্ত পুনর্গঠন সম্ভব এবং সর্বোচ্চ মেয়াদ ২৯ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যায়। কঠোর সমালোচনার মুখে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সামান্য কড়া করে, চতুর্থবার পুনর্গঠিত ঋণ যদি ছয় মাসের মধ্যে ডিফল্ট হয়, তা পুনরায় অকার্যকর ঋণে রূপান্তর করতে হবে। ব্যাংক শুধু প্রাপ্ত অর্থের ভিত্তিতে সুদ আয় গণ্য করতে পারবে। বাস্তবতা শোকের। ২০১৯–২৪ সালের মধ্যে অকার্যকর ঋণ ও অশ্রেণীবদ্ধ পুনর্গঠিত ঋণের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে।

    ২০২২–২৩ সালে ঋণ পুনর্গঠন এবং অকার্যকর ঋণ বৃদ্ধির শীর্ষবিন্দু দেখা যায়, যা মুদ্রানীতি নরমকরণ ও কোভিড প্রভাবের কারণে। ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ পুনর্গঠিত ঋণের পরিমাণ ৩.৪৮ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৮.৪% আবার অকার্যকর ঋণে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি পাঁচটি ঋণের মধ্যে প্রায় দুইটি পুনর্গঠন সত্ত্বেও আবার ডিফল্ট হয়েছে। যখন পুনর্গঠন নিয়মিত আশা করা হয়, ঋণগ্রহীরা পরিশোধ স্থগিত করতে পারে, ভবিষ্যতে আরও নরম নীতির আশা করে। এটি অকার্যকর ঋণ বৃদ্ধির চক্র সৃষ্টি করে।

    ২০১৯–২৩ সালের মধ্যে পুনর্গঠিত ঋণের বৃদ্ধি ২০২৪ সালে নতুন অকার্যকর ঋণ বৃদ্ধির সঙ্গে মিল খায়। ২০২৪ সালের শেষ চতুর্কালে পুনর্গঠন হ্রাস পাওয়া নীতি শৃঙ্খলার সম্ভাব্য পুনরুদ্ধার নির্দেশ করে। তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে যদি পুনর্গঠন কমিটির উদ্যোগ সফল হয়। পুনরায় পুনর্গঠন ঋণ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এবং কৌশলগত ডিফল্টকে উত্সাহ দেয়। এছাড়াও এটি স্থায়ী ডিফল্টকারী এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর নির্ভরতা বাড়ায়।

    বাংলাদেশের নীতি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সাথে কিছুটা অনুরূপ, তবে বাস্তবায়ন ভিন্ন। নেপালে ঋণগ্রহীতারা অন্তত ২৫% সুদ প্রাথমিকভাবে পরিশোধ করে। “সঙ্কটাপন্ন শিল্প” হলে ১২% প্রযোজ্য। দুই বছরের ধারাবাহিক সঠিক পরিশোধের পর ঋণ কার্যকর হিসেবে গণ্য হয়। নেপালের অকার্যকর ঋণ ৩%।

    ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক প্রাথমিক কিস্তি ধার্য করে না। ঋণের সক্ষমতা ও প্রোভিশনিং প্রাধান্য পায়। কোভিডে খুচরা ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীর জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের সম্প্রসারণ ছিল। পাকিস্তানে ব্যাংক নিজস্ব নীতি অনুযায়ী পুনর্গঠন নির্ধারণ করে, তবে রাষ্ট্রব্যাংকের নিয়ম মানতে হবে। ব্যর্থ হলে ঋণ অবিলম্বে অকার্যকর হয়। শ্রীলংকা ছোট ব্যবসার জন্য পুনর্গঠন দেয়, সর্বোচ্চ ১০ বছর, কোনো ন্যূনতম কিস্তি নেই। বড় ঋণের ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি পরিশোধের শর্ত। প্রকৃত ফলাফল ২০২৫–২৬ সালের মধ্যে দেখা যাবে। এই উদাহরণ দেখায়, কোথাও কঠোর নীতি আছে (নেপাল), কোথাও নরম (শ্রীলংকা)। তবে কড়া বা নরম নীতি একা সফলতা নিশ্চিত করে না।

    বাংলাদেশের নীতি সময়ে সময়ে মৃদু শৃঙ্খলা থেকে চরম নরমে পরিবর্তিত হয়েছে। ২০২৪ সালের শেষ চতুর্কালে কিছু স্থগিত নীতি আবার পুনরায় কার্যকর হতে পারে। প্রাচীন চীনা কবি লি বাই-এর কথা মনে পড়ে: “যিনি অভিজ্ঞতার ঝর্ণা পান না, তিনি অজ্ঞান মরুভূমিতে তৃষ্ণায় মরে যাবেন।” বাংলাদেশের ঋণ পুনর্গঠনের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে অতিরিক্ত নরম নীতি সিস্টেমের জন্য ক্ষতিকর। সঠিক পুনর্গঠন সময় কিনতে পারে বাস্তব সমাধানের জন্য। যেখানে নিয়ন্ত্রক, ব্যাংক ও আদালত স্বায়ত্তশাসিত ও সক্ষম, সেখানে অকার্যকর ঋণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তবে পুনর্গঠন যদি রাজনৈতিক কারণে হয়, ব্যর্থতা নিশ্চিত।

    জাহিদ হোসেন, বিশ্বব্যাংক, ঢাকা অফিসের প্রাক্তন প্রধান বিশ্লেষক। সূত্র: টিবিএস

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বড় কর ছাড়ের পরও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আশাবাদী এনবিআর

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    ১৪ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি—কোথায় তৈরি হবে এই কর্মসংস্থান?

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    সংশোধিত বাজেটে ২ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি, সংসদে ৩০৪ ছাঁটাই প্রস্তাব

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.